লাইফস্টাইলঃ সন্তানের বেড়ে ওঠা
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে রবিবার,২ জুন ২০২৪
আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সকলকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি বেশ ভালো আছেন। আমি আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো আছি। আজকে আবার আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। দেখতে দেখতে আমাদের ছেলে আবু রায়হানের বয়স ৫ মাস অতিক্রম করেছেন। যেহেতু বয়স তার পাঁচ মাস অতিক্রম করেছে তাই তার মধ্যে এখন আমরা নানা ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। আগে যেমন তাকে আমরা যখন শুয়ে রেখে দিতাম শেষ হয়ে থাকতো কিন্তু এখন সে নিজে থেকেই ওঠার চেষ্টা করছে। এক কথায় তার শরীরের গঠন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং হাড় গুলো শক্ত হয়ে যাচ্ছে। আর এই কারণেই সে এখন উল্টে পাল্টে শোবার চেষ্টা করছে একই সাথে সে চেষ্টা করছে হমোর হাটার।
যেহেতু এটা ছোট ছেলেমেয়েদের বেড়ে ওঠার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সময় তাই এই সময় তাদের প্রতি একটু বাড়তি খেয়াল রাখার প্রয়োজন হয়। কারণ এই সময়ে যখন তারা নিজেরা কোন কিছু করার চেষ্টা করে ঠিক সেই মুহূর্তে অসতর্কতা বসত বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। এই যে দেখুন আবু রায়হান যেভাবে উল্টাতে শুরু করেছে ঠিক সেই মুহূর্তে যদি তার কাছে কেউ না থাকে আর সে বিছানা থেকে পড়ে যায় তাহলে বড় ধরনের বিপদ হতে পারে। তাই এই মুহূর্তটাতে ছেলেমেয়েদের কাছে বাবা-মা অথবা অন্য কাউকে থাকাটা খুবই জরুরী । আর যদি তাই হয় তাহলে তারা খুব অল্প সময়েই পরবর্তী ধাপগুলো অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
আমি লক্ষ্য করে দেখেছি আপনাদের ভাইয়া আবু রায়হানের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারন সে প্রতিনিয়ত ছেলেকে শেখায় কিভাবে হাঁটতে হবে কিভাবে বসতে হবে কিভাবে হামর হেঁটে চলতে হবে। যেহেতু সে প্রতিনিয়ত এই বিষয়টার সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে তাই আমার কাছে মনে হয় এই বিষয়গুলো আয়ত্ত করতে আবু রায়হানের খুব একটা বেশি দিন সময়ের প্রয়োজন হবে না।
আমি লক্ষ্য করে দেখেছি আবু রায়হান এখন খুব ভালোভাবেই কথা বলার চেষ্টা করে। এমনকি এই পাঁচ মাস বয়স শেষে কিছু কথা যেমন আব্বা, আম্মা এগুলো মাঝে মাঝে স্পষ্টভাবেই বলে ফেলে। অন্যান্য ছেলেমেয়েরা হয়তোবা দাদা অথবা দাদী বলতে বলতে কথা বলা সেটা কিন্তু আবু রায়হানের ক্ষেত্রে এমনটা লক্ষ্য করলাম না। আমরা যেদিন আবু রায়হানের কন্ঠে খুব কম কোন উচ্চারণ সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছিলাম সেটা ছিল আব্বা।
যেহেতু আপনাদের ভাইয়া আবু রায়হানকে সবগুলো বিষয়ে ভালোভাবে ট্রেনিং পড়াচ্ছে তাই আশা করি সে সব বিষয়গুলো খুব তাড়াতাড়ি শিখে যাবে।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মাশাল্লাহ আবু রায়হানের হাসি দেখেই তো মনটা ভরে গেলো।🥰সন্তানের বেড়ে ওঠাটা মা খুব কাছ থেকে দেখে।তাইতো মাকে সন্তানের সাথে সব সময় কথা বলা,ছড়া শোনানো,দোয়া পাঠ করা এসব করতে হয়।এসব করতে করতে বাচ্চা ও মুখে বলার চেষ্টা করে।আর এ সময়ে অনেক বেশী সতর্ক থাকতে হয় মা কে।
আপনি ঠিকই বলেছেন আপু মা যেহেতু সন্তানের কাছে সব সময় থাকে তাই তার বেড়ে ওঠা তার প্রতিটি ধাপ মা খুব সহজে বুঝতে পারে।
এ সময় বাচ্চারা খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং অনেক বেশি নড়াচাড়া করে তাদেরকে অনেক সাবধানে এবং চোখে চোখে রাখতে হয় । ভালই তো ছেলেটা হাসিখুশি ভাবে বেড়ে উঠছে । এখন ও সবকিছুই আস্তে আস্তে বলা শিখবে প্রথমে তো বাবা-মাই বলা শুরু করে ।
কিন্তু অনেক সন্তান আপু দাদা-দাদী এগুলো প্রথমে বলে। ধন্যবাদ আপু।
বেশ ভালো লাগলো বাবুর নিয়ে সুন্দর একটা পোস্ট করতে দেখে। তবে এই মুহূর্তে বাবুকে খুবই সাবধানে রাখতে হবে। দেখা যাচ্ছে হামুর হাঁটা শুরু করলে এদিকে সেদিকে চলে যাওয়ার ভয় আবার খাট থেকে অনেক সময় নিচে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই এক কথায় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে চোখে চোখে রাখতে হবে।
এখনো তেমনভাবে হামাগুরি দেওয়া শেখেনি মোটামুটি ভাবে উপর হয়ে উঠতে পারছে।
অনেকদিন পর ছেলেকে দেখে খুবই ভালো লাগলো। দেখতে দেখতে ছেলে অনেক বড় হয়ে গেছে। আব্বু আম্মু দিয়ে প্রথম কথা শুরু করছে যেন খুবই ভালো লাগলো। শুনেছি আবু রায়হান অন্যান্য ছেলেদের থেকে একটু আলাদা। কারন এই বয়সের বাচ্চাদের যেমনটা হওয়া উচিত আবু রায়হান তার থেকে ভিন্ন। সন্তানের সুস্থতা কামনা করছি সে যেন মানুষের মত মানুষ হতে পারে।
দোয়া করবেন ভাইয়া আমার সন্তানের জন্য। আবু রায়হান অন্যান্য বাচ্চাদের মতো সাভাবিক ভাবে বড় হচ্ছে। তবে ওর চঞ্চলতা সবার থেকে একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে।
অবশ্যই দোয়া করি আপু ছেলে যেন সুস্থ সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠতে পারে।
ঠিক বলেছেন আপু ছেলেমেয়েদের বেড়ে ওঠার সময় গুলোতে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। কারণ একটু অসতর্কতার কারণে বড় ধরনের বিপদ ঘটে যেতে পারে। কারণ বাচ্চারা সব কিছু বোঝেনা। যখন একটা বাচ্চা উল্টাতে পারে উপর হতে পারে আবার নিজে নিজে শুয়ে পড়তে পারে। তখন তার প্রতি খুবই খেয়াল রাখা দরকার।কারণ যদি কখনো তারা বিছানা থেকে পড়ে যায় বড় ধরনের বিপদ হতে পারে। তাই সকলেরই এই সময় বাচ্চাদের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার বেশ দারুন কিছু কথা তুলে ধরেছেন আপু।ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
জ্বী আপু এই সময়টা একটু বেশি সতর্ক থাকতে হয় মা বাবাদের।
সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথেই বাবা-মায়ের অনেক দায়িত্ব বেড়ে যায়। তাকে চলতে শেখানো, আর কথা বলা শেখানো, সব কিছুই দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যেহেতু বাবুর পাঁচ মাস বয়স হয়ে গিয়েছে আশা করছি এখন থেকে একটু একটু কথা বলতে পারবে। অনেক ভালো লাগলো আপনার বাবুকে দেখে।
ধন্যবাদ আপু হবে আমার সন্তানের জন্য দোয়া করবেন।