ফটোগ্রাফি পোস্টঃ- একটু ঘোরাঘুরি ও ফটোগ্রাফি
আজ - শনিবার
আপনারা হয়তোবা সবাই অবগত আছেন যে বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনের জন্য বেশ ভালো একটা গন্ডগোল হলো, সেই সাথে বাংলাদেশের গভমেন্ট পুরো বাংলাদেশের ইন্টারনেট শাটডাউন করে দিয়েছিল। যার কারণে ইচ্ছা থাকলেও ব্লগ গুলো আর পাবলিশ করা হয়নি। আর আমি তো প্রায়ই কলেজে আটকা পড়ে গিয়েছিলাম বাসায় আসার অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কলেজের কর্তৃপক্ষ যারা দায়িত্বরত রয়েছেন তারা বাড়িয়ার সাথে কখনোই অনুমতি দিতে চাননি কারণ দেশের অবস্থা খুবই খারাপ সব জায়গায় আন্দোলন আর মারধর হয়তোবা আপনারা ইন্টারনেটে এই ভিডিওগুলো দেখেছেন। যোগাযোগের মাধ্যম বাস ট্রেন সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল কিন্তু তবুও সিএনজিতে গতকাল অনেক রাস্তা কেটে ,কেটে অবশেষে বাড়িতে আসতে সক্ষম হয়েছি। এসেই দেখছি গ্রামের অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে। এই বৃষ্টির ফলে প্রকৃতি যেন মনে হচ্ছে নতুন সাঁজে আবার সজ্জিত হয়েছে তাই ভাবলাম আজকে সর্বপ্রথম ফটোগ্রাফি পোস্টের মাধ্যমে ব্লগিং জার্নিটা আবার শুরু করি।
আজকে আমি আমার এলাকার আশেপাশে অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করেছি এবং সেখান থেকে কিছু ফটোগ্রাফি বাছাই করে আপনাদের মাঝে আজকে এই ব্লগের মাধ্যমে উপস্থাপন করছি। আশা করি আমার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে বেশি ভালই লাগবে তবে চলুন আরো বেশি কথা বাড়াচ্ছি না দেখে আসি আজকে আমি কি, কি ফটোগ্রাফি গুলো করলাম..।
এটি দেখতে পাচ্ছেন একটা মেঠো পথ। এমন মেঠো পথ সচরাচর চোখে পড়ে না তবে আমাদের এলাকায় এই একটি মাত্র মেঠোপথ রয়ে গেছে। তাই ভাবলাম আপনাদের মাঝে এই জায়গাটার ছবি শেয়ার করি হয়তোবা আপনাদের পুরনো কিছু স্মৃতি এই ছবিটা দেখে মনে আসলেও আসতে পারে।
বাইকটা অনেকদিন চালায় না বাসায় এসেই ভাবলাম যে এটা নিয়ে একটু ঘুরে আসি এবং আপনাদের জন্য কিছু ফটোগ্রাফি কালেকশন করে আনি। তাই দুপুর ২ঃ০০ টার দিকে একটু বের হয়েছিলাম কয়েকটি ফটোগ্রাফি সংগ্রহ করার জন্য তখন এই ফটোগ্রাফিটা করেছি।
এগুলো দেখছেন যে অনেকগুলো পাঠ বাঁধাই করে রাস্তার পাশে রেখে দেওয়া হয়েছে। আসলে এগুলো এখান থেকে অন্য জায়গায় শিফট করানো হবে এবং পরবর্তী তে এগুলো কোন হাওর বা বাওরে ডুবিয়ে রেখে দেওয়া হবে যতদিন না এটি পরিপূর্ণভাবে জাগ হয়ে যায়।
এটি দেখতে পাচ্ছেন মিকুখুশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে আমার একটু পরিচয় রয়েছে কারণ আমি যখন ৬-৭ এ পড়তাম তখন এদের সাথে এক বেচে প্রাইভেট পড়তাম। ভাবলাম অনেক দিন যায় না ঐদিকে একটু ঘুরে আসি
এই জায়গাটি মিকুশি বিদ্যালয়ের পাশেই দূরে দেখতে পাচ্ছেন একটা ইটের ভাটা রয়েছে। গরমে এই ভাটাটা দেখতে একটু কষ্ট হচ্ছিল তবে দূর থেকে এই ফুটেজ গুলো নিতে বেশ ভালই লাগে। তাই ওই ভাটার একটা ছবি তোলার চেষ্টা করেছি।
বাড়িতে ফেরার পথে দেখলাম এই পার্টগুলো রাস্তার পাশে রেখে দেওয়া হয়েছে। এখন রাস্তায় বের হলেই এই দৃশ্যগুলো কমন হয়ে গেছে কারণ এখন যেহেতু পাটের সময় চলে এসেছে তাই মানুষ সব এই কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন। আর আমরা তো সবাই জানি পাঠ হচ্ছে আমাদের দেশের সোনালী আঁশ।
এই মাঠে একটি চাষ করা হয়ে গেছে এখন কৃষকেরা এই মাঠে পরবর্তী চাষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতাই এই মাঠগুলোতে প্রথমে কেদো করা হবে এবং পরবর্তীতে এটিতে নতুন চাষ করা হবে।ইনশাল্লাহ আপনাদের মাঝে ধাপে, ধাপে গুলো শেয়ার করার চেষ্টা করব। আজ কে এ পর্যন্তই আবারো খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে নতুন কোন পোস্টে ততক্ষণ সবাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন আল্লাহ হাফেজ।
| ব্লগার | @emonv |
|---|---|
| ডিভাইস | Infinix note 11 pro |
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
| লোকেশন | w3w |
আমার নাম মোঃ ইউনুস আলী ইমন। বর্তমানে আমি সিরাজগঞ্জ মৎস ইনস্টিটিউট এর একজন ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করছি। এছাড়া পরিচয় দেওয়ার মতো এখনো কিছু করে উঠতে পারেনি তবে নিজের ব্যক্তিত্ব এবং ক্যারিয়ারের উপরে কাজ চলমান......। আমি নিজেকে ভেঙে চুড়ে নতুন করে আবিষ্কার করতে অনেক পছন্দ করি এবং আমি মানুষকে সাহায্য করতে অনেক ভালোবাসি। আমি প্রায়শই নিজেকে আবিস্কার করি। কেননা এটা আমার কথায় এবং লিখাতে নতুন স্বাদ যুক্ত করে, যার ফলে আমি নিজের সবথেকে ভালো টুকু আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করতে পারি। আমি প্রতিদিন একবার নিজের সাথে কথা বলি, কারণ এটা আমার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়ে দেয়। আমি ভ্রমণ করতে এবং ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। আমি প্রতিনিয়ত নতুন ,নতুন মানুষদের সাথে মিশে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতার ভালোটুকু আমার জীবনে বাস্তবায়িত করতে পছন্দ করি। আপনাকে স্বাগতম আমার সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হওয়ার জন্য। ভালোবাসা রইলো অবিরাম সবাইকে 💝।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy
![]()
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে অসাধারন কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ভাইয়া।আসলে গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো দেখলেই মনটা ভালো হয়ে যায়।আপনার ফটোগ্রাফিগুলোতে গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।এত সুন্দর সুন্দর সব ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
ঘোরাঘরি সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। অনেক অনেক ভালো লেগেছে আপনার এই দারুন মুহূর্ত দেখে। আসলে মাঝেমধ্যে ঘোরাঘুরি করতে যেতে আমারও খুবই ভালো লাগে তাই আমিও বাইক নিয়ে ছুটে যায় নিকটের খোলামেলা স্থানগুলোর দিকে। আর অনেকদিন পর মিকশিস স্কুল দেখতে পারলাম। খুবই ভালো লাগলো দেখে।
ইচ্ছা থাকলেও এই আন্দোলনের জন্য আর বাড়িতে ফিরে আসতে পারেননি জেনে অনেক খারাপ লেগেছে। আসলে দেশের অবস্থা অনেক বেশি খারাপ। যাইহোক শেষমেষ বাড়িতে আসতে পেরেছেন দেখে অনেক ভালো লেগেছে। বাড়িতে আসার পর দেখছি ভালোই ঘুরাঘুরি করেছেন বাহিরে। যে সাথে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। কারণ গ্রামের এরকম সৌন্দর্য আমি অনেক পছন্দ করি।
আপনার এলাকায় ঘোরাঘুরি করে বেশ দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই অসাধারণ ছিল।আন্দোলনের জন্য সঠিক সময়ে বাড়িতে আসতে পারেননি জেনে অনেক খারাপ লাগলো। তারপরও একটি সময় বাড়িতে পৌঁছে ঘুরাঘুরি করেছেন এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কিছু মুহূর্তের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক বলছেন দেশের পরিস্থিতি খুবই খারাপ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। আপনাদের কলেজ থেকে বের হতে দেয়নি বেশ ভালো করছিল না হয় বিপদে পড়ে যেতেন। আর অনেক কষ্ট করে আপনি বাড়িতে চলে আসলেন। বর্ষাকালে প্রকৃতি খুব ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর ঘোরাঘুরি করলেন। আর ঘুরাঘুরি করার মাঝে সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ ভালো লেগেছে আপনার ব্লগ পড়ে।
বর্তমান সময়ে কিছুদিন ধরে অনেক জায়গাতে পরিবেশ অনেক খারাপ ছিল। তবে আপনি বাড়িতে আসার চেষ্টা করেও আসতে পারেন নাই শুনে নিজের কাছেও খারাপ লাগলো। যাইহোক আপনাদের আশেপাশে অনেক জায়গায় ঘুরে খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফি আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগলো। সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।