ডিপ্রেশন।
♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করে আমার আজকের এই পোস্ট শুরু করলাম।আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি ভিন্ন বিষয় শেয়ার করার জন্য এলাম।
ডিপ্রেশন, শব্দটা এখন চারিদিকেই ছড়াছড়ি করছে।কেন জানিনা এখন সকলের মাঝেই এই ডিপ্রেশন বিষয়টা গেঁথে গেছে।স্বাভাবিক ভাবে আমরা যেকোনো কাজ করতে গেলে যদি না হয় বা সেই কাজ কোনোভাবেই না করতে পারলে ভেবে বসি সে কাজ আমাদের দ্বারা হবে না।আর এটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে করতে খারাপ লাগা কাজ করে।ডিপ্রেশন মানসিক ভাবে একটা মানুষকে অশান্তিতে ফেলে দেয়।
source
আসলে ডিপ্রেশন মানুষকে বদলে দেয় অনেক।যেমন ধরুন কোনো কারণ ছাড়াই হুটহাট মন খারাপ হয়ে যাওয়া,আর এ সময় কোনো কাজ করতেও ভালো লাগে না।এভাবে দিন দিন ছোট ছোট মানসিক চাপ একসময় বড় আকার ধারণ করে। তখন একদম কোনো কাজই করা যায় না,কাজের প্রতি যে আগ্রহ থাকে সেটাও হারিয়ে ফেলে।ক্লান্তিতে ভরপুর হয় মানসিক এবং শারীরিক দিক। এটা কেন হয় তার নির্দিষ্ট কোনো কারণ হয়তো নেই। তবে একদিনে কেউ ডিপ্রেশন নামক কঠিন স্তরে যায় না।ধীরে ধীরে মানসিক চিন্তাগুলো একটা মানুষকে বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন এর দিকে ঠেলে দেয়।মানুষকে একা একা নিজের সাথে সময় কাটাতে বাধ্য করে।কারো সঙ্গ তখন ভালো লাগে না,কোনো কাজ ভালো লাগে না।সামান্য কিছুতেই রাগান্বিত হয়ে যায়।এমন হয়, সবার সাথেই হয়।
কেউ কেউ এই সময়টাকে ইজিলি হ্যান্ডেল করতে পারে।কারণ যারা সবসময় হাসে তারা বাকি কম হাসা মানুষদের থেকে কিছুটা হলেও ভালো থাকে।অনেক সময় বন্ধুবান্ধব বা ক্লোজ কেউ এই বিষণ্ণতা কাটাতে সাহায্য করে। তবে সবার ক্ষেত্রে তা সমান নয়।কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে খারাপ দিক থেকে ভালো দিকে ফিরিয়ে আনে আর কেউ খারাপ পথে ধাবিত করে।এইতো এখন তো প্রায়ই শোনা যায়,পারিবারিক বিভিন্ন কারণে ছেলে মেয়ে বা পরিবারের যে কেউ সুইসাইড করছে।যার কাছে হয়তোবা এটি অনেক খারাপ কাজ, কিন্তু এই ডিপ্রেশন এর খাতিরে সুইসাইড এর ক্ষেত্রেও দ্বিধাবোধ হয় না।অতিরিক্ত মানসিক চিন্তার কারণে দূর্বল হার্টের রোগীর ইমিডিয়েট কোনো এটাক হয়ে যায়।অথবা হঠাৎ কোনো কলহের কারণেও তাদের মানসিক চাপ সাথে রক্তচাপ বেড়ে স্পটেই মৃত্যুবরণ করে।
মাঝে মাঝে এমন বিষয়গুলো ভাবি।হ্যা,ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা সবাইকেই ছোঁয়া দেয়।তবে বিভিন্ন কারণে যদি চিন্তা বেড়ে যায় আর এটাকে প্রশ্রয় দিতে থাকি তাহলে সেটা অনেক বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডিপ্রেশন মানুষকে একা হতে শেখায়, মানুষকে অনেক সময় ভুল পথে ধাবিত করে। ডিপ্রেশনের কারণে অনেক যুবক যুবতী সুইসাইডের মত এটেম্পট নেয়। ডিপ্রেশন খুব খারাপ একটা জিনিস যেটা মানুষকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে ফেলে। তবে সত্যি বলতে কেউই চায় না এভাবে ডিপ্রেশনের মধ্যে থেকে নিজেকে বিলিয়ে দিতে, নিজের অস্তিত্ব হারাতে। সবাই চায় খুব সুন্দর একটা জীবন পার করতে। কারণ এই জীবনটা খুবই ছোট। এই ছোট্ট জীবনে ডিপ্রেশনের মত মুহূর্ত কখনোই কাম্য নয়। সবাই ভালো থাকুক সুস্থ থাকুক, শান্তিতে বসবাস করুক এটাই কামনা করি।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
|---|
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
|---|
মোবাইল ও পোস্টের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | জেনারেল রাইটিং |
| ক্যামেরা.মডেল | জে৫ প্রাইম |
| ফটোগ্রাফার | @bristy1 |
| লোকেশন | ফেনী |
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
❣❤🙏🙏
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অনেক অনেক ভালো লাগলো।🙏🙏
https://twitter.com/bristy110/status/1694209154708390281?s=20
খুব সুন্দর আলোচনা ছিল আপু আপনার ডিপ্রেশন নিয়ে বেশ ভালো লেগেছে। বলতে গেলে বর্তমান সময়ে ডিপ্রেশনের অভাব নেই আপু। দিন যতই যাচ্ছে ততই ডিজিটাল পদ্ধতি হচ্ছে। আর আমাদের চার পাশে ডিপ্রেশনেরও কোন ধারাবাহিক নিয়ম নেই। ঠিক বলছেন আপু ডিপ্রেশনকে যদি আমরা প্রশ্রয় দিই তাহলে জীবনটা একেবারে বরবাদ হয়ে যাবে। তাই যতটুকু সম্ভব নিজেকে ডিপ্রেশন থেকে মুক্ত রাখা উচিত। আশা করি জীবনে সবাই কম বেশি ডিপ্রেশনে ভোগেন। তবে অনেকেই সেই ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। আবার অনেকে ডিপ্রেশনে ভোগে নিজের জীবনটা ধ্বংস করে ফেলে। ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে ধন্যবাদ।
হাহাহা, ঠিক আপু দিন যতই যাচ্ছে ততই ডিজিটাল পদ্ধতি হচ্ছে।