কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি। (Some food photography.)...
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারোকাতুহ।
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি। আবারও আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম, আমার আরেকটা নতুন পোষ্ট নিয়ে। আজকে আমি আপনাদের সাথে কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খাবার তালিকায় তো কত কিছুই থাকে, এর মধ্যে থেকে কিছু ছবি আলাদা করে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি। চলুন শুরু করি-
- প্রথম যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন, এটা হলো আমার একদিনের সকালের নাস্তা। যখন বাড়ীতে ছিলাম, কোন একদিন আমার মা সকালে রুটি তৈরি করেছিল। সাথে ছিল খাসির মাংস, কচুঁ শাক, পানি ফলের ডালনা। সব মিলিয়ে সকালের নাস্তাটা যেন পরিপূর্ণ ছিল। খেতেও বেশ সুস্বাদু ছিল। সকালের নাস্তায় এমন খাবার হলে জমে যায়। আপনারাও হয়ত এমন খাবার খেয়ে থাকবেন।
- দ্বিতীয় ছবিতে আসি৷ আপনারা হয়ত অনেক কিছুই ক্ষীর তৈরি করে খেয়ে থাকবেন, কিন্তু কখনও কি গমের তৈরি ক্ষীর খেয়েছেন। না খেয়ে থাকলে অবশ্যই খেয়ে দেখবেন৷ আশা করি ভালো লাগবে। গত কয়েক দিন আগে আমি আমার একটা পোষ্টে এর রেসিপি শেয়ার করেছিলাম। এটা হলো গমের তৈরি ক্ষীরের ছবি৷ ক্ষীরের সাথে আলাদা করে খেজুরের গুড় দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে। এর পুষ্টি গুণ অনেক। খাবারটা আমার অনেক পছন্দের।
- ছোট বেলা থেকে, শখের বসেই বাড়ীতে থাকলে নানা ধরনের খাবার রান্না করতাম মাঝে মাঝে। অনেক সময় যা খেতে মন চাইতো সেটা বাসায় নিজেই তৈরি করে নিতাম। ভালো হোক বা মন্দ নিজের তৈরি জিনিস খাওয়ার মজাই আলাদা। অনেক দিন আগে বাড়ীতে নিজে আইসক্রিম তৈরি করেছিলাম। এটা তারই ছবি৷ কলা, দুধ আর বিস্কুট দিয়ে তৈরি করেছিলাম। তৈরি করার পর আমার থেকে আমার মেয়েই বেশি খেয়েছিল। আমি নাম মাত্র স্বাদ নিয়েছিলাম। তবে খেতে বেশ ভালো হয়েছিল । প্রথমবার আমি বাসায় এভাবে আইসক্রিম বানিয়ে ছিলাম।
- উপরের ছবিটা দেখে হয়ত অনেকেই আন্দাজ করতে পেরেছেন, কোথা থেকে তোলা। হ্যাঁ এটা হলো মেসের খাবার। যারা ছাত্র জীবনে মেসে থেকেছেন তারাই এটা বুঝতে পারবেন৷ আমাদের মেসে খাবার দেওয়া হয়, একটা বাটিতে। সবার জন্য আলাদা আলাদা বাটি থাকে। এটা ছিল একদিন রাতের খাবার। মেনুতে ছিল ভাত, আলু ভাজি, ডিম ভাজি আর পাতলা ডাউল। দীর্ঘ ৬ টা বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই মেস জীবন পার করে আসতেছি৷ কখনও বাটিতে, কখনও গামলাতেই খাবার খেয়ে হয়। সবার জন্য সমান পরিমাণ খাবার, বেশি নেওয়ার কোন পদ্ধতি নাই৷
- আগেই বলেছি, মাঝে মাঝে যা খেতে মন চায় তাই তৈরি করে খায়। বাড়ীতে যখন ছিলাম, হঠাৎ একদিন মনে হলো ময়দা দিয়ে চাপরি তৈরি করে খায়। যা কথা, তাই কাজ, নিজেই চলে গেলাম রান্না ঘরে। ময়দা গুলিয়ে নিয়ে কড়াইতে চাপরি তৈরি করে নিলাম। সাথে একটা ডিম পোচও করলাম। আর ঘরে মাছের তরকারি ছিল, সেটা সাথে নিয়ে নিলাম। অবসর সময়ে এমন খাবার খেতে অনেক মজা লাগে। সত্যি বলতে চাপরিটা খেতে অসাধারণ হয়েছিল।
- আসুন, পরের ছবিতে যাওয়া যাক। বাহিরে বের হলেই মনে হয় এটা খায়, ওটা খায়৷ তেলে ভাজা দেখলে লোভ সামলাতে পারি না। এজন্য মাঝে মধ্যেই রাস্তায় দারিয়েই খাওয়া শুরু করে দেয়। এটা হলো পুড়ি, যা আমরা সবাই চিনি এবং খেয়ে থাকি। তবে এটা বানানো ছিল একটু আলাদা পদ্ধতিতে। এর মধ্যে ডাউলের গুড়ার পরিবর্তে দেওয়া ছিল আলু আর গরুর মাংস। যার ফলে খেতে অনেক মজা লাগতেছি। আমি প্রথমবার এমন পুড়ি খেয়েছিলাম আসলে মানুষ যে কত ধরনের খাবার তৈরি করতে পারে তা ধারনার বাইরে।
- অনুষ্ঠান বাড়ীতে মাছ কিভাবে ভাজা হয়, তা কি কখনও দেখেছেন৷ বা সেগুলো কিভাবে কেটে রাখা হয় জানেন৷ ছবিটা সেই বিষয়ই আপনাদেরকে জানান দেয়। ছবিতে এক ঝুড়ি কাটা মাছ দেখতে পাচ্ছেন। যেগুলো একটা অনুষ্ঠান বাড়ীর৷ মাছগুলো কেটে হলুদ লবণ দিয়ে রাখা হয়েছে, ভাজি করার জন্য। বড় কড়াইতে তেল দিয়ে এগুলো ভাজা হবে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে কিছু খাবারের ছবি নিয়ে আলোচনা করলাম। আশা করি আপনাদের সবার কাছে ভালো লেগেছে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আবারও দেখা হবে আমার নতুন কোনো পোষ্ট নিয়ে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 6/8) Get profit votes with @tipU :)
You have been supported by the Team 04:
Thank you
আপনার প্রতিটি খাবার গুলো অনেক মজাদার ছিল কোন একদিন মায়ের হাতের রুটি খাসির মাংস কচু শাক ছিল এবং বাসায় গিয়ে নিজের হাতে চাপরি তৈরি করে খেয়েছেন বাসার খাবারের থেকে শুরু করে বাহিরের প্রতিটি খাবারের মেনু গুলোই অনেক সুন্দর ছিল আপনার জন্য শুভকামনা রইল ভালো থাকবেন
অনেক ধন্যবাদ।