টি টাইম কেক বাড়িতেই বানিয়ে নিন।
আজকে বিকেলে কিছু নাস্তা বানাতে গিয়ে হঠাৎ মনে হল যে অনেকদিন কেক বানাই না।বেশিরভাগ সময় কেক আমার মেয়ে বানিয়ে থাকে। তাই ভাবলাম সর্টকাটে একটি কেক বানাই।এটি বানানো সহজ আর সময়ও কম লাগে।
এই কেক টিকে মূলত টি টাইম কেক বা ট্রাভেল কেক বলা হয়। বিকেলে চায়ের সাথেই এই কেক টা সাধারণত আমরা খাই।এই কেকে বাটার,ডিম, চিনি , ময়দা এ চারটি উপকরণ প্রায় সমপরিমাণ থাকে। তবে অল্প কমবেশি হলে সমস্যা নেই।
বাটারের পরিবর্তে তেল দিয়েও করা যায়, তবে সেক্ষেত্রে স্বাদ একটু কম হয়।এই কেকের ব্যাটার তুলনামূলক ভারী হয়। মোল্ডে দেওয়ার পর চামচ দিয়ে সমান করে নিতে হবে।এই কেক
ডেকোরেশন করার দরকার হয়না। এমনিতেই অনেক মজা।
আজকে আমি চারটি ডিমের কেক বানাচ্ছি। আর সাথে আমি কিছু নারিকেল যোগ করছি বেশি স্বাদের জন্য।আপনারা চাইলে নারকেল নিশ্চিন্তে বাদ দিতে পারেন। কেকের মধ্যেও নারকেল দেয়া এটাকে আমার নোয়াখাইল্লা রোগ হিসেবে ধরতে পারেন।
যাই হোক চলুন মূল রেসিপিতে চলে যাই।
যে যে উপকরণ লাগছে : |
|---|
| মসলা | পরিমাণ |
|---|---|
| ডিম | ৪ টি |
| চিনি | ১/২ কাপ(স্বাদমতো) |
| তেল | ১/২ কাপ তেল) |
| ময়দা | ৩ কাপ |
| কর্নফ্লাওয়ার | ১চা.চামচ |
| গুড়া দুধ | ৩টে.চামচ |
| বেকিং পাউডার | ১/২চা চামচ |
| লবণ | ১/৪ চা.চামচ |
| নারিকেল | ১/২কাপ |
| ভ্যানিলা এসেন্স | ১/২চা চামচ |
প্রণালী: |
|---|
প্রথমে ভেজা উপকরণগুলো একসাথে মিলিয়ে নিলাম। বাটিতে ডিম, চিনি, লবণ, ভ্যানিলা এসেন্স, তেল দিয়ে বিটার দিয়ে বিট করে নিলাম।
চিনি গলে যাওয়ার পরে এতে ময়দা বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা একসাথে চেলে ব্যাটার এর উপর দিয়ে দিলাম।এরপরে হালকা হাতে একই ডাইরেকশনে মিলিয়ে নিলাম। যদি ব্যাটার মিলতে না চায় অল্প একটু দুধ দেয়া যেতে পারে।
অতঃপর ভালো করে মিলিয়ে নেওয়ার পরে একটু নারকেল দিয়ে আবার মিশিয়ে নিলাম।এরপর যে পাত্রে বেক করব সে পাত্রে তেল ব্রাশ করে নিয়ে ব্যাটারটি ঢেলে দিলাম। ব্যাটার একটু ঘন হতে হবে।
অতঃপর উপরে নারকেল দিয়ে ডেকোরেশন করে ১৮০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট বেক করে নিলাম। ব্যাস হয়ে গেল মজাদার টি টাইম কেক।
কিছু টিপস: |
|---|
⭐ব্লেন্ডারে ডিমের ফোম হয় না। ইলেকট্রিক বিটার না থাকলে হ্যান্ড হুইস্ক ব্যবহার করতে পারেন।
⭐আটা দিয়ে কেক ভালো হয়না,কেক তৈরিতে ময়দা ই নিতে হবে।
⭐বিট করলে অনেক সময় সহজে চিনি গলে না। তাই প্রয়োজনে চিনি গুড়া করে নিতে পারেন, কারণ চিনি না মিশলে কেক ভালো হবে না। তাপে চিনি গলে যাবে কেকের ক্ষেত্রে এটা হয় না।
⭐কেকের জন্য ময়দা প্যাকেট খোলার পরপরই ব্যবহার করলে ভালো ।ময়দা পুরনো হয়ে গেলে পাউরুটি বা ব্রেড সুন্দর হয় কেক নয়।
শেষ টিপস: |
|---|
অনেক সময় দেখা যায় সব উপাদানের পরিমাপ ঠিক তবুও কেক পারফেক্ট হচ্ছেনা।
তাহলে পরীক্ষা করে নিবেন বেকিং পাউডার ঠিক আছে কিনা।
একটি পাত্রে ১ চা চামচ বেকিং পাউডার নিন, এর সাথে ১/২ কাপ ফুটন্ত গরম পানি এড করুন।
সাথে সাথে যদি দেখেন বুদবুদ হয়ে ফেনার সৃষ্টি হয়েছে।তারমানে বেকিং পাউডার পুরোপুরি ঠিক আছে।ফেনা না হলে বুঝবেন বেকিং পাউডার নষ্ট হয়ে গেছে।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | vivo v19 |
| Camera | triple camera 48mp+8mp |
| Location | Bangladesh 🇧🇩 |
| Shot by | @hasnahena |
আজকে এই সুন্দর একটি টি টাইম কেক বাড়িতে বানিয়েছেন এবং আমাদের মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন তার রেসিপিটি দেখে অনেক ভালো লাগছে এবং তার খুব সুন্দর করে ধাপ গুলো আমাদের মাঝে আপনি উপস্থাপনা করেছেন যা দেখে অনেক ভালো লাগছে এবং কেক খেতে সব মানুষেরই পছন্দ আমারও কিন্তু অনেক পছন্দ কিন্তু কখনো বাসায় তৈরি করে খাওয়া হয়নি। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি উপহার দেওয়ার জন্য।
কেকটি ভীষণ সুস্বাদু হয়েছিল। ঘরে বানানো জিনিসের আসলে স্বাদই আলাদা। প্রবাসে না হোক দেশে এসে যদি সুযোগ পান তাহলে অবশ্যই বানিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। আশা করি হতাশ হবেন না।
অসাধারণ লাগছে আপু। আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে, কেক বানানোর রেসিপিটি শেয়ার করেছেন। যা দেখে যে কেউ আপনার মত করে কেক বানাতে পারবে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ যারা নতুন তাদের জন্য এবং যারা আমরা পারি তাদের জন্য। প্রতিটা জিনিস থেকে কিছু না কিছু শিখার আছে আমার মনে হচ্ছে আপনার মনে হচ্ছে,এটি খেতে ও খুব
সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
জ্বি আপু আমার মনে হয় এই কেকটি একমাত্র খুব সহজ একটি কেক। ঘরের সামান্য উপকরণ মিশিয়ে-ওভেনে বসিয়ে দিলেই কেক হয়ে যায়। আপনি কখনো চেষ্টা করে দেখবেন আপনিও নিয়মিতই বানাতে চাইবেন তখন। খুব ভালো লাগলো আপনার সুন্দর একটি মন্তব্য পেয়ে।
অবশ্যই আপু চেষ্টা করব আপনার রেসিপিটি দেখে বানানোর জন্য। তবে আমি প্রায়ই বানাই। আপনার উপকরণ গুলো খুব সুন্দর ভাবে ধাপে বুঝিয়ে দিয়েছেন বানাতে কষ্ট হবে না ইনশাআল্লাহ। উপকরণগুলো ঠিকমতো না হলে আসলে কে খেতেও ভালো লাগেনা। ধন্যবাদ আপনাকে।
টিটাইম কেক বানালে অবশ্যই ছবি দিবেন আপু। আপনি অসাধারণ রান্না করেন। এগুলো প্রায়ই আপনার পোস্টে দেখতে পাই। আমি জানি আপনি কেক টিও খুব ভালোই বানাবেন। তবে আমার মত আবার নারিকেল দেবেন না। আমিতো প্রায়ই এটা সেটার মধ্যে নারিকেল দিয়ে রেসিপিটি বারোটা বাজিয়ে ফেলি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
হায়রে নারিকেল। এই নারিকেল নিয়ে একটি কাহিনী আছে সময় করে বলবো। তবে আমি ইচ্ছে করলেও পারবো না, কারন আমার বাসায় নারকেল নেই। আপনার সবকিছুতে নারিকেল দেন। আর আমি ধনেপাতা। পারলে ভাতের সাথে ধনেপাতা দেই 🤓🤓🤓🤓 ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
টি টাইম কেক তৈরি আমার কাছেও একদমই সহজ মনে হয়।আর সত্যিই এই কেকটা অনেক সুস্বাদু হয়।চা, কফি আথবা খালিই খাওয়ার জন্য পারফেক্ট একটা কেক।
তবে আপু, আটা দিয়েও কিন্তু অনেক সুন্দর কেক হয়,, আর মজার ব্যাপার হলো সুজি দিয়েও অনেক সুন্দর কেক হয়।। মিক্সিং এর কিছু ট্রিকস আছে, সেগুলো প্রপার ফলো করে কাজ করলে আটা দিয়েও অনেক সুন্দর সফট কেক তৈরি করা যায়।
ধন্যবাদ আপু সহজ পদ্ধতিতে টি টাইম কেক এর রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আটা দিয়ে আমি একবার ময়দার বিকল্প হিসেবে পিঠা তৈরি করতে গিয়েছিলাম। পুরাই ফ্লপ। আরেকবার কেক বানিয়েছিলাম সেটাও যা তা অবস্থা। হয়তো এর জন্য আরো অনেক বিশেষ দক্ষতার তার প্রয়োজন আছে। আমি বেকিং এ একেবারেই আনাড়ি। ধাক্কা খেয়ে খেয়ে যেটুকু শিখেছি আর কি।
টি টাইম কেক,,আপনার কেক বানানো দেখেয় আমার খেতে ইচ্ছে করছিলো, অসাধারণ হয়েছে। আর সুন্দর করে আপনি ধাপে ধাপে বর্ণনা করে উল্লেখ করে বলে দিয়েছেন।টি টাইম কেক আপনার কাছ থেকে বানানো শিখে নিলাম। ধন্যবাদ জানাই অল্প সময়ের মধ্যে খুব সহজ পদ্ধতিতে তৈরি করা যায়। আপনি দেখিয়ে দিলেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।
খুব অল্প উপকরণ ই লাগে আপু। সময় করে একদিন বানিয়ে ফেলুন। গ্যাসের চুলা বা কয়লার আগুনেও এই কেকটি বানানো যায়। তবে যেভাবে ই হোক না কেন কেক সুস্বাদই লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপনার সাথে একটা মজার কথা শেয়ার করি। আমি ইউটিউবে একটা কেক বানানো আইটেম দেখছিলাম এখান থেকে কয়েক মাস আগে। আমি কিটক্যাট চকলেট কিনে আনছিলাম পাঁচটা আর বেশ কিছু উপকরণ। মাঝে মাঝে হচ্ছিল ভালোই। আমি গ্যাসে পানিটা চকলেট গুলো নরম করছিলাম এই সময় আমার ফোনে একটা কল আসছিল আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের জানিনি তো বেস্ট ফ্রেন্ড মানে কি মজা করা ও আমার সাথে ইয়ার্কি মারছিল সাথে সাথে আমিও এদিকে আমার খেয়াল নেই যে চুলায় চকলেট বসিয়ে রেখে এসেছি, যখন পোড়া পোড়া ভাব পুড়ে গেছে প্রায় তখন নাকে উড়ার গন্ধ লাগছে। আম্মু এদিক থেকে বলতেছে যা তোর সব কেক বানানো শেষ 🤣সেখান থেকে মাতব্বরি করে কিছু তৈরি করি না যেটা খেতে মন চায় আম্মুকে বলি ধন্যবাদ আপু
আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে টি টাইম কেক বানানোর রেসিপিটা শেয়ার করেছেন। আসলে আপনার পোস্টে যে কেউ ফলো করলে আপনার মত এরকম সুন্দর কেক বানাতে পারবে। প্রতিটা জিনিসের শেখার ইচ্ছাটাই থাকে । এটি দেখতেও যেরকম খেতে সেরকম সুস্বাদু।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি রেসিপি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন থ্যাঙ্ক ইউ।
আসলে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। আপনি যদি চান তাহলে এই কেক বানানো কোন ব্যাপারই না। ঘরে থাকা উপকরণ গুলোই লাগে আর বানাতেও খুব কম সময় লাগে। তাই একবার চেষ্টা করে দেখুন। এরপরে বারবারই এই কেক বানাবেন। অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আজকে আপনার পোস্ট পড়ে অনেক বেশি আনন্দিত। আমি নিজেও এভাবে কেক তৈরি করে থাকি। কিন্তু আজকে দেখলাম আপনি খুব সুন্দর ভাবেই টি টাইম কেক তৈরি করার পদ্ধতি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। আমার মনে হয় কেকের মধ্যে বাদাম বা জেলি জাতীয় কিছু ব্যবহার করলে অনেক বেশি ভালো হয়। ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার কেক তৈরি করার পদ্ধতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
জী আপু বাড়িতে অবশ্যই চেষ্টা করে দেখবেন। এই কেক কয়লার আগুনে খুব ভালো হয়। আর বাকি সব পদ্ধতি একদমই সেম। যদি কখনো সময় পান অবশ্যই তৈরি করবেন। আশা করি হতাশ হবেন না। খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যটি পড়ে।
টি টাইম কেক খায় না এমন মানুষ পাওয়া খুব কষ্টকর।এই কেক টা খেতে আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগে।আমি জানি না বাড়িতে বানালে কেমন লাগবে কিন্তু আপনার টা দেখে অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আপনি আজকে অনেক সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
বাড়িতে এই কেক বানানোর সুবিধা এই যে এতে কি কি উপাদান আছে তা আপনি জানছেন। আপনার শরীরের ক্ষতি করে এমন উপাদান দিয়ে এটা আপনি বানাবেন ও না। তবে বেকারি গুলোতে ডালডা, বনস্পতি, ঘনচিনি ,পাম অয়েল এছাড়া অনেক সময় এমনকি উপাদান দিয়ে বানায় যা আমরা চিনি ও না। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই যদি কখনো সুযোগ হয় কে ঘরে বানিয়ে দেখবেন।নিশ্চয়ই ভালো লাগবে।
আপনি একদম সঠিক কথা বলেছেন যে বাসায় তৈরি করলে এটার কোন ও সাইড এফেক্ট থাকে না।আর বাহিরে গুলো খেলে শরীরের অনেক বড় ক্ষতি হয়। আমার কমেন্ট এর রিপ্লাই করার জন্য ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
বাহিরের কেকগুলোতে এত অস্বাস্থ্যকর উপাদান থাকে তা যদি আমরা একবার নিজের চোখে বানাতে দেখতাম জীবনেও আর খেতাম না। অধিকাংশ সময় এগুলো বানানোর পরিবেশ ও উপকরণ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। তাই আমাদের উচিত অল্প খাওয়া কিন্তু ভালো খাওয়া। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপনি একদম সঠিক কথা বলেছেন বাহিরের কেক গুলো এতো পরিমাণে অস্বাস্থ্যক উপাদান মিশায় যা বলার বাহিরে। আমাদের সকলের উচিত ওই সব থেকে দূরে থাকা আর বাসা বসে বানিয়ে নেওয়া। আর বাসায় বসে বানালে আপনার পোস্ট টি অনেক উপকৃত করবে।
ওয়াও,আপনার কেকটা তো দেখতে দারুণ হয়েছে। বাজারে যেসব কেক পাওয়া যায় তার থেকেও ভাল।খেতেও নিশ্চয়ই ভাল হয়েছে।
আমি করোনা কালীন সময়ে এটা ওটা তৈরি করেছি ইউটিউব দেখে।আপনার রেসিপিটি অসাধারণ লেগেছে। আমার বানানো কেক এক পাশ ফুলেছিল কিন্তু আরেক পাশ বিস্কুটের মতো ফ্রাই হয়ে গিয়েছিল।
আপনি বেকিং পাউডার ভাল/মন্দ টেস্ট এর সুন্দর একটা বুদ্ধি দিয়েছেন। ভাল লাগল আপনার রেসিপি। নেক্সট এটা বানালে অবশ্যই আপনার রেসিপি ফলো করব।ধন্যবাদ আপনাকে।
কেক বানানোর সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো উপকরণগুলো মাপ মতো নেওয়া। আপনি যদি উপকরণ এ রকমফের করেন তাহলে কেকের বারোটা বেজে যায়। আপনি হয়তো কোন ট্রিক্স মিস করেছেন তাই আপনার কেক এমন হয়েছিল। তবে আবার চেষ্টা করবেন নিশ্চয়ই পারবেন। কেক বানানো এমন কোন কঠিন কাজ নয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
তাই হয়তো হবে, তা না হলে আমার কেক এমন বিস্কুট হয়ে গেল কেন! কেকটা যখন আমি তৈরি করেছিলাম তখন বিটার ছিল না।চামচ দিয়ে বিট করেছিলাম।
মাপ মতো সব উপাদান আর সঠিক ভাবে বিট করলে ভালো কিছু হবে হয়তো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
অসম্ভব সুন্দর হয়েছে ,, টি টাইম কেক টি।
কমেন্ট পড়ছিলাম এবং হাসতে ছিলাম কারণ কি জানেন, সন্ধ্যার নাস্তা হিসেবে টি টাইম কেক খেতে ছিলাম এবং আপনার পোস্টের নিচে কমেন্ট করতে ছিলাম, তবে আপনি আলতো হাতে খুব সুন্দর করে বানিয়েছেন এবং উপকরণ সহ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
কিন্তুু আমার এই কেক টা ছিল বাহির থেকে কেনে আনা তাই সাধের দিক দিয়ে আপনার টা পারফেক্ট হয়েছে আমার মনে হয়। তাছাড়া দেখতেই তো অনেক লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আসলেই মজার কাকতালীয় ঘটনা এটা। বাজারের কেনা টি-টাইম কেক সুস্বাদু হয় বটে তবে স্বাস্থ্যকর হয় না। এটাই হলো ঘরে তৈরি কেক এর তফাৎ। আমি জানি আপনি যে কোন নতুন জিনিস চেষ্টা করতে ভয় পান না। এবং আশা করছি এই একটিও আপনি বাড়িতে বানাবেন। আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।