৮০ টাকার বিরিয়ানি।। মার্চ -৩১/০৩/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
ভালো মানের বিরিয়ানি এবং ভালো রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানি খেতে খেতে এমন অবস্থা হয়ে গেছে, এখন নরমাল জায়গার বিরিয়ানি অনেকটা সাদা ভাতের মত লাগে খেতে। আমার বেশ ভালো রকম একটা ভুল ধারণা ছিল, আমি মনে করতাম শুধুমাত্র ভালো রেস্টুরেন্ট এবং নামকরা বিরিয়ানির দোকানগুলোতেই শুধুমাত্র তারা তাদের কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারে। কিন্তু সেই ধারণা আমার ভেঙ্গে গেছিল গত বছরের ঠিক এই সময়টাতে। আমাদের কলকাতায় দুই জায়গার বিরিয়ানি বেশ নামকরা এবং এই দুই জায়গার বিরিয়ানি নিয়ে সবসময় তর্ক বিতর্ক চলতে থাকে। যেমনটা চলে বাঙালির ইলিশ মাছ এবং চিংড়ি মাছ নিয়ে তর্ক বিতর্ক। তবে আজ সেই দিকে এগোবো না, আজকের টপিক্সেই ফিরে যাই। আমি ভাই একজন বিরিয়ানি প্রেমী মানুষ এবং বিরিয়ানির গন্ধ পেলেই ভরা পেটো কি করে জানি খালি হয়ে যায় বুঝতে পারি না। মোটামুটি কলকাতার বুকে যত নামকরা বিরিয়ানির দোকান রয়েছে সবগুলোর বিরিয়ানি মোটামুটি আমার টেস্ট করা হয়ে গেছে। তার ভিতরে আর্সালান, দাদা-বৌদি এবং ডি.বাপি আমার কাছে সব সময় সেরা লেগেছে।
গত বছরের ঠিক এই সময়টাতে ইউটিউবে একটা জায়গার বিরিয়ানি নিয়ে বেশ তুমুল আলোচনার সৃষ্টি হয়। এই বিরিয়ানির দোকানের মালিক নাকি মাস্টার্স করে কোন চাকরি না পেয়ে বিরিয়ানির দোকান দিয়েছে। প্রথম দিকে তো লোকটা চিলি চিকেন এবং ফ্রাইড রাইস বিক্রি করতো। পরবর্তীতে আলাদা একটা সেকশনে বিরিয়ানির স্টল দেয়। আমি সাধারণত রাস্তার পাশের বিরিয়ানি খুব বেশি একটা খাই না। প্রথমত তারা হাইজিন মেনটেন করে না, অন্যদিকে টেস্টের অনেক পার্থক্য থাকে রেস্টুরেন্টের থেকে। তবে তার থেকেও যেটা বড় কথা সেটা হলো যে এরা মাংসের কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারেনা। মরা মুরগি দিচ্ছে বা খাসির বদলে অন্য কিছু দিচ্ছে কিনা সেই ভয় এসব জায়গার খাবার আমি একদমই খাই না। তবে এই বিরিয়ানির দোকান নিয়ে youtube এবং ফেসবুকে এত পরিমানে আলোচনা চলছিল যে সেখানে একবার যাওয়ার খুব ইচ্ছা হচ্ছিল। সব থেকে বড় কথা এই বিরিয়ানির দোকানটা আমার বাড়ি থেকে হেঁটে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে এবং সেটা আমি নিজেও জানতাম না। অনেকে তো আবার এই বিরিয়ানি খেয়ে বলছিল যে এরা নাকি দাদা বৌদি এবং ডি.বাপি কে টক্কর দিতে পারে। এই কথা শুনে তো আর বসে থাকতে পারলাম না ঘরে। বেরিয়ে গেলাম বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য এবং এটা দেখার জন্য যে আসলেই কি এই বিরিয়ানি বড় বড় রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানি কে টক্কর দিতে পারে কিনা।
যেখানে দাদা বৌদির বিরিয়ানি ২৪০ টাকা, সেখানে মাত্র ৮০ টাকায় কি করে বিরিয়ানি দিচ্ছে এটা জানার খুব ইচ্ছা হল। সাথে সাথে আমার একজন বন্ধুকে নিয়ে বেরিয়ে গেলাম বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য। গিয়ে তো দেখি সেখানে প্রচন্ড রকম ভিড়। আমার মত এরকম অসংখ্য বিরিয়ানি প্রেমী এবং অনেকে তো কৌতুহলবশত বিরিয়ানি খেতে এসেছে যেমনটা আমি গিয়েছি। আসলে দোকানে এত পরিমানে ভিড় ছিল যে আমার হাতে বিরিয়ানি পৌঁছাতে রীতিমতো কুড়ি মিনিটের মতো লেগে গেছিল। ও আর একটা কথা একটা জিনিস বেশ ভালো লাগছিল এই দোকানে খুব সুন্দর করে হাইজিন মেন্টেন হয় যেটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আচ্ছা আরেকটা কথা এখানে যে ফটোগুলো শেয়ার করেছি সেগুলো খুবই রিসেন্টলি তোলা এবং যে গল্পটা বলছি সেটা আজ থেকে এক বছর আগের। যাই হোক সেখানে যেহেতু খাবার জায়গা ছিল না এবং বসে খাওয়ার মত তেমন বিশেষ কোন ব্যবস্থা ছিল না তাই বিরিয়ানি কিনে নিয়ে বাড়ি চলে আসলাম। বাড়ি এসে বিরিয়ানি খুলতেই বিরিয়ানির থেকে বেশ সুন্দর একটা গন্ধ বেরোচ্ছিল। যে গন্ধটা আমি দাদা বৌদি বিরিয়ানিতে পেয়েছি। এরপর মুখে দিতে একটা আলাদা রকম ভালো লাগে কাজ করছিল। আপনার বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা দাদা বৌদির খুব কাছাকাছি না গেলেও মোটামুটি ৮০ টাকায় এত সুন্দর বিরিয়ানি কখনোই পসিবল না।
পরবর্তীতে ওই লোকটার থেকে আমি আবার একবার বিরিয়ানি নিয়ে এনেছিলাম এবং কোয়ালিটি ঠিক একই রকম । বিগত এক বছর ধরে উনার এত পরিমাণে বিরিয়ানি সেল হয়েছে যেটা একটা ভালো প্রতিষ্ঠিত দোকানেও হয়তো সেল হয়নি। এখন তো মাঝেমধ্যেই সুযোগ পেলে ওখান থেকে বিরিয়ানি খাই। উনার একটা কথা আমার খুব ভালো লেগেছিল। একদিন ওনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, আপনি যে বিরিয়ানির এত সুন্দর কোয়ালিটি দেন তবে এরকম ৮০ টাকায় এত ভালো কোয়ালিটিতো কেউ দেয় না। তাহলে আপনি বিরিয়ানি দাম কিছুটা বাড়ান না কেন। তাহলে তো আপনারও আরো কিছুটা লাভ হয়। এই কথার উত্তর দিয়ে বলেছিলেন যে, আমি মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসি। আমার একটু কম লাভ হোক তাতে আমার ক্ষতি নেই, তবে কেউ যেন বিরিয়ানি কিনতে এসে টাকার জন্য ফিরে না যায়। আরো বলেছেন কোন বাচ্চা যদি বিরিয়ানি কিনতে তাকে ৪০ টাকাও দেয় তাহলেও সে তাকে পরিমাণ মতো বিরিয়ানি দিয়ে দেয়।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @rupaie22 |
| লোকেশন | কলকাতা,ইন্ডিয়া। |
আমাদের এদিকে ও বাহিরের দোকান গুলোর মধ্যে ৮০ টাকার বিরিয়ানি পাওয়া যায়। আমি তো প্রায় সময় বড় বড় হোটেল গুলো থেকে এরকম দোকান গুলোর থেকে বিক্রিয়া নিয়ে অথবা অন্য কিছু নিয়ে খেতে ভালো লাগে। কারন আমার মনে হয় তাদের খাবারগুলো সবচেয়ে বেস্ট হয়। তারা মানুষকে ভালো খাবার দেয় কিন্তু কখনো ঠকায় না। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা নিয়ে আমাদের মাঝে আজকের পোস্টটি শেয়ার করলেন।
এই লোকটার বিরিয়ানি বিক্রি করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো যে কোয়ালিটি ঠিকঠাক রাখা এবং লোককে ভালো জিনিস খাওয়ানো। যদিও এখন কলকাতার রাস্তাঘাটে বিরিয়ানি কমদামে বিক্রি করার কম্পিটিশন চলে। যাতে করে সবাই তার দোকানে খেতে যায় এবং তার নাম ডাক বাড়ে।
আমরা শুধু ভাবি নামকরা রেস্টুরেন্টে গেলে খাবার দাবার ভালো থাকে। আসলে অনেক রেস্টুরেন্ট ভালো থাকি আবার অনেকেই নামের জোরে রেস্টুরেন্ট চালিয়ে যান।তবে যাইহোক অনেক সময় রেস্টুরেন্ট একটু নরমাল হলেও যে ভালো জিনিস পাওয়া যায় তা আমরা অনেকেই বুঝতে চায় না। আসলে ভাইয়া শিক্ষিত মানুষের আচার-আচরণ সব সময় অন্য রকম থাকে।তাহলে আপনি বলা স্বত্তেও লোকটা সুন্দর করে আপনাকে বুঝিয়ে দিয়েছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
নামিদামি রেস্টুরেন্ট এর বিরিয়ানি ভালো হয় এটা ঠিক, তবে তারা দামটাও কিন্তু অনেক বেশি নেয়। তবে এই ক্ষেত্রে দাম কম নিয়েও বিরিয়ানির কোয়ালিটি কিন্তু ঠিক ঠাক রেখেছে।
দোকানীর মন মানষিকতা অনেক ভাল। অনেকেই দেখা যায় ইউটিউবে ভাইরাল হবার পর অহংকারী হয়ে যায়,কিন্তু ইনি ইনার খাবারের কোয়ালিটির মত নিজের মনের কোয়ালিটিও ধরে রেখেছেন।এমন মানুষ গুলোর জন্যই পৃথিবী একটু ভাল আছে কলিযুগেও।তবে দাদা খাবারের ব্যাপারে আমার মতামত হল
"যেখানে দেখিবে ছাই,উড়াইয়া দেখ তাই"
পাইলেও পাইতে পারো অমূল্যরতন"
তবে হাইজিন এর ব্যাপারে আমিও একমত।ধন্যবাদ দাদা দারুন রিভিউটির জন্য।
কিছুদিন আগেও এই লোকটাকে নিয়ে ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখলাম। প্রচুর ফুড ব্লগার আসে এনার দোকানে শুধুমাত্র বিরিয়ানির রিভিউ করতে। সেই হিসেবেই তো আমার এই দোকানির সাথে পরিচয়। তবে লোকটার ব্যবহার খুব ভালো এবং এত ফেমাস হয়ে যাওয়ার পরেও বিরিয়ানির কোয়ালিটি আগের মতই রেখেছে।
আসলে আমাদের এই একটা ভুল ধারণা যে সব সময় ভালো এবং নামি রেস্টুরেন্টে ভালো খাবার দেয়। এখন দেখা যায় যে নামিদামি রেস্টুরেন্ট গুলোতেই এসব মাংসের কোয়ালিটি বেশি খারাপ হয়। এই লোকটার শিক্ষিত জন্যই তার মানবতা এখনো বেঁচে আছে। এজন্য সে লাভের কথা চিন্তা না করে মানুষকে অল্প দামে খাওয়াতে ভালোবাসি। সব সময় যে দাম দিয়ে ভালো খাবার পাওয়া যায় এই লোকের খাবারের মাধ্যমে সেই ভুল ধারণা দূর করে হয়েছে আপনার। আর কলকাতার আরসালানের বিরিয়ানি আমিও খেয়েছি খুবই মজাদার বিরিয়ানি। অনেকদিন আগেকার কথা মনে পড়ে গেল।
কলকাতার আসসালান বিরিয়ানি আসলেই খুব ভালো তবে যদি কখনো দাদা বৌদির বিরিয়ানি খান তাহলে বুঝতে পারবেন যে আসলে বিরিয়ানি কাকে বলে। তবে কম দামের ভিতরে এই বিরিয়ানিটাও অসাধারণ খেতে। আপনাকে এইটুকু গ্যারান্টি দিতে পারি যে এই বিরিয়ানি খাওয়ার সময় আপনার মনেই হবে না যে এটার দাম ৮০ টাকা।
আপনি একেবারে ঠিক বলেছেন বড় বড় রেস্টুরেন্ট থেকে সবাই মনে করে ভালো ভালো খাবার পাওয়া যায়। কিন্তু আমার মনে হয় ওসব রেস্টুরেন্ট থেকে আমাদের আশেপাশে যারা কম দামেই খাবার বিক্রি করে তাদের খাবার গুলোই খুবই উন্নত মানের হয়। কিন্তু সবাই কেন জানে বড় কিছুর পিছনে ছুটে। সবাই হয়তো এটা ভুলে যায় ছোট থেকেই একদিন আমরা অল্প অল্প করে বড়র পথে এগিয়ে যাই। দোকানে বসে খাবার মজাটাই আমার কাছে আলাদা মনে হয়। আপনি বাড়িতে নিয়ে খেয়েছেন দেখে তাও ভালো লাগলো।
আমার চিন্তা ধারাও এরকম ছিল যে, বড় রেস্টুরেন্ট এই শুধুমাত্র খাবারের কোয়ালিটি ধরে রাখে তারা। তবে কলকাতায় বর্তমানে কিছু কিছু বিরিয়ানির দোকান খুলেছে, তারা শুধুমাত্র পাবলিসিটির জন্য ভালো মানের বিরিয়ানি বিক্রি করছে।
দাদা আমারও বিরিয়ানির ঘ্রাণ নাকে আসলে ক্ষুধা বেড়ে যায় । আপনার পোস্টের মাধ্যমে কোলকাতার কয়েকটি ভাল বিরিয়ানির দোকানের নাম জানতে পেরেছি। স্ট্রিট ফুড হাইজিন একটু কম মেনটেইন করে কিন্তু চলেও খুব বেশি। আপনার ৮০ টাকার বিরিয়ানির টাইটেল পড়ে প্রথমে ভেবেছি সাধারণ কোন বিরিয়ানি কিন্তু পোস্ট পড়ে জন্যে পেরেছি কোয়ালিটি এবং কয়ান্টিটি দুটোই ভাল। আর বিরিয়ানি বিক্রেতার কথাগুলো আমার খুব ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ দাদা ।
ভাই বিশ্বাস করেন এটা মোটেই সাধারন কোন বিরিয়ানি না, ৮০ টাকায় আমরা যেরকম বিরিয়ানি এক্সপেক্ট করি তার থেকে অনেক গুনে ভালো খেতে। আমি তো কত জায়গার বিরিয়ানি খেয়েছি, তবে এত কম দামে এত ভালো কোয়ালিটি কেউ ধরে রাখতে পারে না।
কলকাতা গেলে তাহলে এই বিরিয়ানি খেতেই হবে।
খাওয়া তো উচিত। এত কম দামে বিরিয়ানির এত সুন্দর কোয়ালিটি অন্য কোথাও দেয় বলে আমার মনে হয় না।
দাদা আমি অনেক ক্ষন ধরে আপনার পোস্টটি পড়ছিলাম। আসলে আমি অনেক ছেলে বেলা থেকেই স্ট্রিট ফুড ক্ষেতে বেশ পছন্দ করি। আমি জানিনা আপনার কলকাতার দাদা বউদির রেসিপি কতটুকু সুস্বাদু হয়। তবে আামাদের ঢাকায়ও কিন্তু অনেক ভাল ভাল খাবার হোটেল আছে তথাপিও কেন জানি রাস্তার ধারে খেতে বেশ ভাল লাগে। তবে এখনও অনেক ছোট দোকানদার আছে যারা মানুষকে ভাল খাইয়ে নিজে কম লাভ করতে বেশ পছন্দ করেন। ও আর একটি কথা আমার মনে হয় খাবার টা আপনি বাসায় না খেয়ে দোকানে বসে খেলে মনে হয় আরও অন্য রকম মজা পেতেন। হি হি হি
দাদা বৌদির বিরিয়ানি কলকাতার বিখ্যাত বিরিয়ানির দোকান। যদি কখনো কলকাতা আসেন তাহলে দাদা বৌদির বিরিয়ানি না খেয়ে যাবেন না, তাহলে হয়তো অনেক বড় কিছু মিস করে ফেলতে পারেন। আমি তো মাসে অন্তত একবার সেখানে যাই বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য। তবে এই লোকটার বিরিয়ানি দাম হিসেবে যথেষ্ট ভালো।
আপনার মত এরকমই একটি অভিজ্ঞতা আমার কয়েকদিন আগে হয়েছে। আমিও একজন বিরিয়ানি প্রেমী মানুষ। আর রাস্তার পাশের বিরিয়ানি গুলো তেমন একটা খাওয়াও হয় না। প্রায় 2 সপ্তাহ আগেই আমিও এরকম ৮০ টাকার বিরিয়ানির খোঁজ পেয়েছিলাম। প্রথমে যখন শুনি তখন ভেবেছিলাম ৮০ টাকায় আসলেই কি বিরিয়ানি পাওয়া যায় নাকি সেটা শুধুমাত্র সাদা ভাত হবে। কিন্তু কিনে যখন টেস্ট করি তখন অনেক বেশি ভালো লেগেছিল খেতে। আসলে সেদিন আশাও করি নি যে ৮০ টাকায় এত মজার বিরিয়ানি পাওয়া যায়। আপনার পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
দেখেন টাকাটা বড় কথা নয়, তবে যদি খেতে ভালো হয় আবার টাকাটাও কম নেয় সে ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। তবে এই দোকানের মালিকটা বেশ ভালো, তিনি লোককে খাওয়াতে খুব পছন্দ করেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পোস্টটা পড়ার জন্য।
পুরো পোস্টটি পড়লাম বেশ মন দিয়ে আর আপনার পোস্টের শেষে লোকটার কথাগুলো হৃদয় দিয়ে অনুভব করলাম। যে মানুষটার মন এতো বড় তার বিরিয়ানি ভালো না হয়ে যায় কোথায়।
দারুন লেগেছে পোস্টটি দাদা।
এই লোকটার ব্যবহারও যেমন ভালো, তেমনি তার দোকানের বিরিয়ানিও অসাধারণ খেতে। আমি তো সময় সুযোগ পেলেই এই দোকানে বিরিয়ানি খাই।