বাবা মেয়ে মিলে বাইরে ঘোরাফেরা ও হালকা খাওয়া দাওয়ার অভিজ্ঞতা ( শেষ পর্ব)।
যাই হোক যথারীতি সেদিনও একটি খাবার অর্ডার করলে ওয়েটার আমাকে জানালো স্যার এটা তৈরি হতে অনেক সময় লাগবে। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম কত সময় লাগবে? সে জানালো ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় লাগবে। তখন আমি তাকে বললাম আচ্ছা সমস্যা নেই সময় লাগুক। তারপর খাবার অর্ডার করে আমি ওয়েটারকে বলে মেয়েকে নিয়ে নামাজ পড়তে চলে গেলাম। চিন্তা করেছিলাম নামাজ পড়ে ফিরতে ফিরতে অন্তত একটা খাবার তারা পরিবেশন করবে। কিন্তু নামাজ শেষ করে যখন আমাদের নির্ধারিত টেবিলে এসে বসলাম। তখন ওয়েটার এসে আমাকে জানালো তাদের একটা ভুল হয়েছে। আমি যে দুটো খাবার অর্ডার করেছিলাম তার ভেতর একটি খাবার তারা এখন পরিবেশন করতে পারবে না। এই কথা শুনে আমার মেজাজটা খুবই খারাপ হলো। তখন আমি সেই অর্ডারটা ক্যানসেল করে অন্য আরেকটি খাবারের অর্ডার করলাম।
খাবার অর্ডার করা শেষ হলে আমি আর আমার মেয়ে বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আমাদের টেবিলে খাবার এলো। যেহেতু সন্ধ্যার নাস্তা করতে গিয়েছি তাই অল্প খাবার অর্ডার করেছিলাম। প্রথমে তারা পরিবেশন করলো বারবিকিউ চিকেন নাচোজ। রিভেরা লাউঞ্জ এর এই খাবারটা আমাদের বেশ পছন্দের। আমি আর আমার মেয়ে দুজনে বেশ মজা করে খাবারটা শেষ করলাম। সন্ধ্যার সময় আমি ভারী কিছু খাবো না এই জন্য আমার জন্য আর কিছু অর্ডার করিনি। তবে মেয়ের জন্য একটা বারবিকিউ রাইস বোল অর্ডার করেছিলাম।
নাচোজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের ভেতরে রাইস বোলটাও তারা টেবিলে দিয়ে গেলো। তারপর আমার মেয়ে ধীরে সুস্থে সেটা খেতে লাগলো। খাওয়া-দাওয়া শেষ হলে বিল মিটিয়ে আমরা সেদিনের মতো বাড়ি ফিরতে লাগলাম। বাসায় ফেরার পথে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলাম আজকে ঘোরাফেরাটা কেমন লাগলো? সে বলল বাবা খুবই ভালো লেগেছে। তখন আমি তাকে বললাম আর কয়েকদিন পরে তোমার আম্মুকে সাথে নিয়ে আমরা আবার বাইরে ঘুরতে বের হবো। এই কথা শুনে সে খুবই খুশি হোলো। এভাবেই বাপ মেয়ের ঘোরাফেরা শেষ হোলো।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ফরিদপুর |
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
রেস্টুরেন্টে যখন গেলেন তার কিছু সময় পর মাগরিবের আজান হলো।সত্যি ভাইয়া কোন খাবার অর্ডার করলে সেটা না করতে চাইলে খারাপ লাগারই কথা।আমিও কখনও দেখিনি এমন না করতে।যাই হোক নামাজ পড়ে এসে মেয়ের খাবার দিলেন। খেয়ে দুজন বাসায় চলে এলেন।অনুভূতি গুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো। মেয়ে খুব খুশী হয়েছে জেনে ভালো লাগলো।আসলে বাচ্চারা অল্পতেই খুশি হয়ে যায়।
যে খাবার তৈরি করতে সময় বেশি লাগে, কিছু কিছু রেস্টুরেন্টে সেই খাবার অর্ডার করতে তারা নিজেরাই নিষেধ করে। এটা আসলেই খুব খারাপ একটি কাজ। কারণ মেন্যুতে যেহেতু রয়েছে, কাস্টমার অর্ডার দিলে অবশ্যই তৈরি করে দেওয়া উচিত। যাইহোক খাবার অর্ডার দিয়ে নামাজ পড়তে যাওয়ার পর, নামাজ শেষ করে আসার পর এসব কথা শুনলে যে কারোরই মেজাজ খারাপ হবে। কতটা অপেশাদার হলে এমনটা করতে পারে। এসব কারণে রেস্টুরেন্টের সুনাম নষ্ট হয়। যাইহোক ঘুরাঘুরি এবং খাওয়া দাওয়া করে দারুণ সময় কাটিয়েছেন। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া আপনি খাবার অর্ডার করে নামাজে গেলেন কিন্তু ফিরে এসে জানলেন একটি খাবার তারা পরিবেশন করতে পারবেন না।এটা আগে বললেই তো পারতো তারা।যেহেতু এতোটা সময় নিয়েছিল খাবার প্রস্তুত করতে ।এটা আসলেই দুঃখজনক।তারপর আপনি ওই অর্ডার ক্যানসেল করলেন এবং অন্য খাবার অর্ডার করলেন।আপনার মেয়ে খুব খুশি হয়েছে এরপর তার আম্মুকে নিয়ে যাওয়ার কথা শুনে।সব মিলিয়ে সুন্দর সময় ছিল একটু সমস্যায় পড়তে হয়েছিল যদিও।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।