হর্টিকালচার সেন্টারে ঘুরতে গিয়ে তোলা কিছু ছবি।

কেমন আছেন আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও ভালো আছেন।


গত পরশুদিন গিয়েছিলাম ফরিদপুর হর্টিকালচার সেন্টারে। সেখানে গিয়েছিলাম মূলত কয়েকটি আম গাছের চারা কেনার জন্য। সেখানে গিয়ে প্রচুর ছবি তুলেছিলাম। জায়গাটা আমার কাছে এমনিতেও বেশ ভালো লাগে। আমি এর আগেও অনেকবার সেখানে গিয়েছি ঘোরাফেরা করতে। কারণ এই হর্টিকালচার সেন্টারের ভিতরে প্রচুর গাছপালা রয়েছে। অনেক গাছপালা দিয়ে সাজানো জায়গাটা আমার কাছে বরাবরই বেশ ভালো লাগে। সেখানে যে শুধু আমি একা যেতাম তা নয়। মাঝে মাঝে আমার স্ত্রী কেও সাথে করে নিয়ে যেতাম। সে সেখান থেকে নানারকম ফুল গাছের চারা কিনতো। যাইহোক এবার হর্টিকালচার সেন্টারে গিয়ে যে ছবি তুলেছি সেখান থেকে কিছু ছবি আজ এই পোস্টে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশা করি ছবিগুলো আপনাদের ভালো লাগবে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে দেখে নেয়া যাক আজকের ছবিগুলো।

IMG_20240821_103733.jpg

উপরের ছবিতে আপনারা সাড়ি সাড়ি নারকেল গাছ দেখতে পাচ্ছেন। হর্টিকালচার সেন্টারের ভেতর দিয়ে বেশ খানিকটা হাঁটার পর এই নারকেল গাছ গুলো দেখতে পেয়েছিলাম। খেয়াল করে দেখি নারকেল গাছ গুলোতে কোন নারকেল নেই। পরবর্তীতে তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তারা নারকেল গাছ থেকে পেড়ে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে ফেলে। আর বিক্রির সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়। তবে আসলে কি পরিমান ফল তারা বিক্রি করে আর কি পরিমান টাকা সরকার পায় সেটা দিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

IMG_20240821_103424.jpg

IMG_20240821_103413.jpg

উপরের ছবিতে আপনারা হর্টিকালচার সেন্টারের ভিতরে একটি রাস্তা দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তার দুপাশ দিয়ে এমন গাছ থাকলে সেই সমস্ত রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে আমার কাছে দারুন লাগে। রাস্তার দুপাশ দিয়ে যখন সবুজের সমারোহ থাকে তখন সেখানে এক ভিন্ন রকমের পরিবেশ তৈরি হয়। অবশ্য শুধু আমি না সম্ভবত সকলেই এই ধরনের জায়গা পছন্দ করেন।

IMG_20240821_102718.jpg

উপরের এই ফুলগাছটি হয়তো আপনাদের অনেকের কাছেই পরিচিত। তবে এই মুহূর্তে আমার এই ফুল গাছটির নাম মনে পড়ছে না। তবে ফুল গাছটি দেখতে আসলেই দারুন লাগছিলো। সেই জন্য এই ফুল গাছের ছবি তুলেছিলাম। ফুল গাছটার নাম আপনাদের কারো জানা থাকলে কমেন্টে অনুগ্রহপূর্বক আমাকে জানাবেন। কারণ অনেকক্ষণ চেষ্টা করেও ফুল গাছটার নাম আমি মনে করতে পারিনি।

IMG_20240821_102703.jpg

উপরের ছবির এই গাছটির নাম আমি জানিনা। তবে দেখতে কিছুটা ব্যতিক্রমধর্মী লাগায় আমি এই গাছের ছবি তুলেছিলাম। যদিও ছবিতে এটার সৌন্দর্য খুব একটা বেশি বোঝা যাচ্ছে না। গাছটা সামনাসামনি দেখতে আরো সুন্দর লাগছিলো। হর্টিকালচার সেন্টারে গেলে এই ধরনের বেশ কিছু ব্যতিক্রমধর্মী নাম না জানা গাছ দেখতে পাওয়া যায়। যদিও এর আগে গিয়ে দেখেছি এই সমস্ত গাছের গায়ে নাম লেখা থাকতো। কিন্তু এবার গিয়ে আর সেটা খুজে পাইনি।

আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।


ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসহুয়াই নোভা 2i
ফটোগ্রাফার@rupok
স্থানফরিদপুর

logo.png

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

standard_Discord_Zip.gif


break .png

Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote


VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png



🇧🇩🇧🇩ধন্যবাদ🇧🇩🇧🇩


@rupok

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 2 years ago 

সাদা রঙের ফুলটিকে মুসান্ডা বলে। তবে এর একটা সুন্দর নাম আছে৷ পত্রলেখা।

হটিকালচার সেন্টারে যেতে আমারও খুব ভালো লাগে। গাছ প্রিয় সবারই ভালো লাগবে৷ কিন্তু বড় কিছুর তো উপায় নেই। ব্যালকনিতে যতটুকু হয় ওই টুকুই আছে। আপনার ছবিগুলি বেশ সুন্দর।

পত্রলেখা নামটি কিন্তু চমৎকার। ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য।

 2 years ago 

হর্টিকালচার সেন্টারে গিয়ে দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ভাই। এমন জায়গায় ঘুরাঘুরি করতে ভীষণ ভালো লাগে। সাদা রঙের এই ফুলটিকে মুসেন্ডা ফুল বলে। মুসেন্ডা ফুল গোলাপি এবং লাল রঙেরও হয়ে থাকে। গোলাপি রঙের মুসেন্ডা ফুল আমি অনেকবার দেখেছি। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.081
BTC 61409.26
ETH 1609.40
USDT 1.00
SBD 0.47