পুরী ভ্রমণ - পর্ব ০৯

in আমার বাংলা ব্লগ2 years ago

আমার পুরী ভ্রমণের আজ নবম পর্বে চলে এসেছি । কোনারকের সূর্য মন্দির মিউজিয়ামের মূর্তির ফটোগ্রাফির শেষ পর্ব এটি । এরপরে শেয়ার করবো সূর্য মন্দির ও তৎসংলগ্ন প্রাঙ্গনের ফোটোগ্রাফি । সময়াভাবে আমরা এবার সেভাবে পুরী ঘুরতে পারিনি । মাত্র একটি দিন পেয়েছিলাম পুরী সাইট ভিউইংয়ের জন্য । তাও শীতকালের বেলা । হোটেল থেকে ব্রেকফাস্ট করে বেরোতে বেরোতে দশটা বেজে গিয়েছিলো । আর কোনারকের সূর্য মন্দির ভ্রমণে আমরা একটু বেশি সময়ই নিয়ে ফেলেছিলাম । ফলে এর পরে ধবলগিরি আর লিঙ্গরাজ মন্দির ছাড়া আর কিছুই দেখা সম্ভবপর হয়নি । আবার ওই দিনটি ছিল ৩১ শে ডিসেম্বর । রাতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে পার্টি ছিল । রাত আটটা থেকে শুরু । তাই বেশি সময় নিয়ে কোথাও দেখা সম্ভব হয়নি ।

কোলকাতায় যখন তীব্র শীত পুরীতে তখন কিন্তু একদমই ঠান্ডা ছিল না । সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে এরকমই আবহাওয়া থাকে । এর আগে যখন আমরা বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়েছিলাম সেবারও ছিল জানুয়ারি মাস । অথচ, কক্সবাজারে তেমনভাবে শীত অনুভূত হয়নি । পুরীতেও ঠিক তেমনই ঘটলো । বেশ আরামদায়ক আবহাওয়া ছিল । ঘোরাঘুরিতে তেমন কষ্ট হয়নি । তবে, খাওয়া-দাওয়ায় হালকা কষ্ট হয়েছিল । পুরীতে সব রেস্টুরেন্টে ভাত, ডাল, মাছের ঝোল পাওয়া যায় । তবে, দু'একটা রেস্টুরেন্ট ছাড়া আর কোথাও রান্না তেমন ভালো নয় ।

কোনার্কের সূর্য মন্দির মিউজিয়াম থেকে বেরিয়েই আমরা হালকা কেনাকাটা করে নিলাম । কয়েকটা টুপি, গোলটুর খেলনা এসব কেনাকেটা শেষে ডাব, লেবুর শরবত এসব খেয়ে একটু জিরিয়ে নিয়ে মন্দির দর্শনে পা বাড়ালুম । সূর্য মন্দিরটি মিউজিয়ামের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত । বিশাল এই প্রস্তর নির্মিত মন্দিরটির চূড়া বহুদূর থেকেও দৃষ্টিগোচর হয় । যেহেতু এই মন্দিরটিতে এখন আর কোনো পুজো অর্চনা হয় না এবং এটি একটি প্রত্নতত্ত্ব স্থাপত্য নিদর্শন তাই মন্দির পরিদর্শনে টিকেট কেটে ঢুকতে হয় ।

আগামী এপিসোডে কোনারকের সূর্য মন্দির পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা এবং ফোটোগ্রাফি শেয়ার করবো ।


হরিনের মূর্তি খোদিত রয়েছে বেলে পাথরের ফলকে ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


ঢোলক বাদ্যরত একজন সুরশিল্পীর প্রস্তরনির্মিত মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


চাকি বাজনারত আরো একজন সংগীতশিল্পী ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


তখনকার দিনে গান-বাজনার সময়, বিশেষ করে পূজার ভক্তিমূলক গানে শাঁখ বাজানোর রেওয়াজ ছিল । অর্থাৎ, শঙ্খ বাদ্য সঙ্গীতশিল্পে তখন অপরিহার্য ছিল । শঙ্খবাদ্যরত একজন শিল্পীর মূর্তি এটি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


বাঁশি ভারতীয় সুরালোকের এক অপরিহার্য বাদ্যযন্ত্র । সুপ্রাচীনকাল থেকে বাঁশি সকল শাস্ত্রীয় ও আধুনিক সকল সংগীত পরিবেশনায় ব্যবহার হয়ে আসছে । বংশীবাজনারত একজন শিল্পীর মূর্তি এটি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


সানাই বাজনারত তৎকালীন সমাজের একজন বাদ্যশিল্পীর প্রস্তর মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


বীণাবাদ্যরত একজন প্রাচীন শিল্পীর মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


বাদ্যবাজনার তালে তালে নাচছে একজন নৃত্যশিল্পী ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


বাদ্যবাজনার তালে তালে পুজোর বেদীর সামনে নৃত্যের ভঙ্গিতে আরতি করছে পূজারী ও ভক্তবৃন্দ ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


হাতি, পাখি, রাজঁহাস, ঘোড়া আর সিংহের পাথরে খোদাই করা মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ০৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।


ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ


------- ধন্যবাদ -------


পরিশিষ্ট


আজকের টার্গেট : ৫৫৫ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 555 trx)


তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৪

টাস্ক ৪৬৮ : ৫৫৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron


আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx

৫৫৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :

TX ID : b13270bd9c9795cbd09f745e4f9d69de454fd1f2779cfcd92fa1535a6ff3cf91

টাস্ক ৪৬৮ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি


এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তো যে কোনো এমাউন্ট এর টিপস আনন্দের সহিত গ্রহণীয়

Account QR Code

TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx (1).png


VOTE @bangla.witness as witness

witness_proxy_vote.png

OR

SET @rme as your proxy


witness_vote.png


steempro....gif

»»——⍟——««

Sort:  
 2 years ago 

আমার নিজেরই পোস্টের কমেন্ট বক্সে প্রত্যেকদিনের মতো আজকেও হাজির হয়ে গেলুম আরো একটি ইউনিক এনএফটি আর্ট নিয়ে । এই আর্টটিও অরিগামি আর্ট । সমুদ্রের নীল জলে সফেদ ঢেউয়ের মাথায় ডিগবাজি খাচ্ছে বিশাল একটা গ্রেট হোয়াইট শার্ক ।

এটিই এই আর্টের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় । তো চলুন দেখে নেওয়া যাক সমুদ্রের ঢেউয়ে সার্ফিং করা শার্কের অরিগামি আর্টের আরো একটি আর্টের এনএফটি ।


NFT ART


Screenshot 2024-01-15 232113.png

Paper art of a great white shark in sea waves

 2 years ago 

জাস্ট প্রো লেভেলের কাজ দাদা।

 2 years ago 

আমার মনে হয় দাদা আপনারা জায়গা হিসেবে খুব কম সময় নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন।তা না হলে আরো একটু বেশি ঘুরতে পারতেন।তবে কাজ ও থাকে আপনার বেশি,তাই বেশি সময় নেওয়া হয়তো সম্ভব নয়।এই পর্বের মূর্তি গুলোর মধ্যে রাঁজহাসের মূর্তিটা বেশ জটিল মনে হয়েছে।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

It is nice to witness the last stage of the photography of Puri trip, you have carried us very well from the first episode until we got to this level.

I have learnt so many things about the puri trip and I have seen so many ancient articraft.

Thank you very much @rme Dada for sharing this with us 😊❤️❤️❤️

 2 years ago 

এগুলো শুধু দেব-দেবীর মূর্তি নয়, এক একটি ইতিহাস। প্রতিটি ছবিতে লুকিয়ে আছে সে সময়ের প্রতিচ্ছবি। এই পুরাকীর্তি গুলো মহামূল্যবান সম্পদ। দাদা, আপনি আজ পুরী ভ্রমণের ৯ম পর্বে সূর্য মন্দির মিউজিয়ামের মূর্তির অসাধারণ সব ফটোগ্রাফি আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। অনেক ভাল লেগেছে আমার। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা আপনাকে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



এটি একটি খুব বিস্তারিত ভাস্কর্য কাজ এবং সত্যিই সুন্দর প্রতিটি টুকরা. আমি প্রায়ই আশ্চর্য হই যে তারা পাথরের উপর এমন চমত্কার ভাস্কর্য তৈরি করতে কীভাবে ব্যবহার করে, সত্যিই সৃজনশীল।

 2 years ago 

সমুদ্রের পাড়ের অঞ্চলে ঠান্ডা সবসময় কম অনুভূত হয়। দাদা উড়িষ্যার কোনারক মন্দিরের প্রাচীন খোদাই করা বিভিন্ন নিদর্শন গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে বিস্তারিতভাবে শেয়ার করার জন্য।

Posted using SteemPro Mobile

 2 years ago 

হ্যাঁ দাদা সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে শীতকালেও তেমন ঠান্ডা লাগে না। তাইতো শীতকালে সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে ভীষণ ভালো লাগে। যাইহোক পুরী ভ্রমণে অল্প সময়ে বেশ কয়েক জায়গায় ঘুরাঘুরি করেছেন আপনারা। এসব জায়গায় একটু বেশি সময় নিয়ে গেলে মন ভরে ঘুরাঘুরি করা যায়। এই সিরিজের অন্যান্য পর্বগুলোর মতো, এই পর্বের ফটোগ্রাফি গুলোও এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে দাদা। প্রতিটি মূর্তি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে খুবই নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে। যাইহোক আগামী এপিসোডের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

Posted using SteemPro Mobile

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 62083.50
ETH 1658.83
USDT 1.00
SBD 0.41