দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন, ব্যস্ততায় দিন কাটান।
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। ইতিমধ্যে লেখালেখির পোস্ট করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে সবার বিভিন্ন ধরনের লেখা নিয়ে পোস্টগুলো পড়তে যেমন ভালো লাগে, তেমনি লেখার পোস্টগুলো লিখতেও ভীষণ ভালো লাগে। এজন্য আমি মনে করি সবার পোস্ট পড়লে অনেক কিছু শেখা যায়। আমরা সবাই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়বস্তু শেয়ার করছি। যদি তাদের পোস্ট না পড়ি তাহলে তো সেই বিষয়গুলো জানতে পারবো না। তাই আমি বলব সবাই প্রত্যেকের পোস্ট পড়ার চেষ্টা করুন। আজকে আপনাদের সাথে একটি বিষয় শেয়ার করবো।
বলতে গেলে এখন আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের দুশ্চিন্তা মাথায় আসে। আসলে বর্তমান পরিস্থিতি আর সবার পারিবারিক অবস্থা নিয়ে চিন্তা সবারই আছে। বিশেষ করে আমরা যে যার মত অবস্থানে রয়েছি, আমি মনে করি প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা রকম ভাবে নিজের পরিবার-পরিজন নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি সকল দুশ্চিন্তা থাকলেও, দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে বসে থাকা যাবে না। কারণ এটা অনেক খারাপ একটি বিষয়। দুশ্চিন্তা মাথায় থাকলে অনেক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এইজন্য যাদের দুশ্চিন্তা বেশি, তাদেরকে বলব বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে বেশি বেশি ব্যস্ত থাকতে হবে।
আমরা অনেকেই আছি দুশ্চিন্তা হলে তখন সব কাজকর্ম ছেড়ে বসে থাকি, আর এটা মাথায় অনেক বড় এফেক্ট ফেলে। যত বেশি বসে থাকে, তত বেশি চিন্তা খারাপ অবস্থার দিকে পৌঁছায়। কিন্তু আমি মনে করি যখন চিন্তা আসবে, তখন কোনভাবেই বসে থাকা যাবে না। যেভাবেই হোক বেশি করে কর্মব্যস্ত থাকতে হবে। যদি কোন একটা কাজের মধ্যে ইনভল্ভ হওয়া যায় তাহলে সেই কাজের দিকেই মন থাকবে। আর সকল ধরনের চিন্তা কিন্তু মাথায় আসবে না। কারণ আমরা যে কোন একটা কাজ মন দিয়ে করলে, সে কাজেই সকল মনোযোগ থাকে। আর এই কাজটা আমি কিন্তু বেশি বেশি ফলো করি। যখনই কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা হয় তখন আমি বেশি বেশি কাজ করার চেষ্টা করি।
আমার হাজব্যান্ড, ওর কিছু নিয়ে একটু যদি চিন্তা হয়, তাহলে কোন ধরনের কাজ করতে পারে না। ও একেবারে ডিপ্রেশনে চলে যায়। কিন্তু তখনও আমি ওকে এ বিষয়টা বেশি বেশি বোঝাই। যে এই চিন্তার মধ্যে কাজ না করে বসে না থাকতে। কারণ তাহলে আমার মনে হয় মাথায় চিন্তা আরও বেশি আসে। আর একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করলে চারদিকের হাজার বিষয়গুলো মাথায় এসে হাজির হয়। তখন কিন্তু একটা মানুষের মাথায় অনেক বেশি চাপ পড়ে। আর তখন বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একটা মানুষের পক্ষে এ ধরনের ইফেক্ট কিন্তু ভীষণ ক্ষতি।
তাই জন্য আমি বলব মাথায় চিন্তা আসলেও সেটাকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন। যত কষ্টই হোক নিজেদের যে কোন কাজের মধ্যে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন। কারণ আমি মনে করি শুধু শুধু বসে না থেকে কাজ করলে তখন কিন্তু মাথা থেকে দুশ্চিন্তা দূরে হয়ে যায়। আর এই বিষয়টা আমি কিন্তু অনেক সময় প্রমাণ পেয়েছি। ব্যস্ত থাকলে কিন্তু অনেক কথা গুলো মাথায় আসেনা। তখন কিন্তু অনেকটাই রিফ্রেস থাকা যায়। এজন্য আমি মনে করি আমাদের প্রত্যেকের এই বিষয়টা মাথায় রাখা উচিত। কারণ বর্তমানে যে পরিস্থিতি শুরু হয়েছে, সবার মাঝে কিছু না কিছু দুশ্চিন্তা রয়েছে। এজন্য প্রত্যেকটা মানুষের রিফ্রেশ থাকাটা প্রয়োজন। না হলে কিন্তু অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আশা করি বিষয়টা ক্লিয়ার বুঝতে পেরেছেন। আজকে পর্যন্তই। পরবর্তীতে আবার নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
🎀 ধন্যবাদ সবাইকে 🎀 |
|---|

https://twitter.com/TASonya5/status/1611932248391159808?t=Beb5o13bEOTZcceNRdPriQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক কেননা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস আর দেশের মতিগতি অবস্থা দেখে না ভাবলেও ভাবনা চলে এসে মাথার ভিতরে।
তবে দুশ্চিন্তা থেকে সব সময় দূরে থাকতে হবে মানসিক ডিপ্রেনশনে ভুগলে আপনি কোন কাজই ঠিকমতো করতে পারবেন না এতে আপনারই ক্ষতি হবে।।
অনেক সুন্দর কিছু তথ্য আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দুশ্চিন্তা নিয়ে খুবই ভালো লাগলো।
একদমই ঠিক বলেছেন বর্তমানে জিনিসপত্রের দামের কারণে বেশি সমস্যা হয়ে যাচ্ছে।
ওয়ালাইকুম আসসালাম আপু। আশাকরি ভাল আছেন। আমি চেষ্টা করি আসলে সবার পোস্ট পড়ার কিন্তু সময় আর হয়ে উঠে না। যাই হোক আপনার আজকের পোস্ট লেখার বিষয়বস্তু আমার খুব ভাল লেগেছে। আপনার মতো আমিও কোন টেনশন হলে কাজের মধ্যে থাকার চেষ্টা করি।ভাইয়ার জন্য আপনি ই যথেষ্ঠ।কারন আমি মনে করি একজন পজিটিভ মানুষের পাশে থাকলে, পাশের মানুষটিও ধীরে ধীরে পজিটিভ হয়ে যাবে। বর্তমান সময়ে সবাই আলাদা আলাদা রকমের টেনশনে আছেন।বসে বসে দুঃচিন্তা করলে শরীরের ক্ষতি হয়।তাই কাজের মাঝে থাকলে সেটা কিছুটা হলেও কম হয়। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করার জন্য। অনেক ধন্যবাদ আপু। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।
জ্বী আপু আমিও এই বিষয়টায় বোঝানোর চেষ্টা করলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
তুমি ঠিক বলেছ দুশ্চিন্তা করলে তার মধ্যে যদি কাজ করা যায়, তাহলে অনেকটাই চিন্তা মুক্ত থাকা যায়। কিন্তু এই বিষয়টা আমি কোনভাবেই করতে পারিনা। আমার ছোটখাটো কোন চিন্তা হলেই বেশি দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। তখন আমি কোন কাজই করতে পারিনা। এমনকি তখন একেবারে ডিপ্রেশনে পড়ে যায়। তবে তুমি সবটাই সামলে নাও এটা ভীষণ ভালো লাগে।
তুমি এরকম যে আমার সেটা জানা আছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।