ভ্রমণ : বিনোদন পার্কে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আসলে ঈদ উপলক্ষে কয়েকটা জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। আসলে আমরা সবাই পছন্দ করি। বিশেষ করে যখন আমাদের উৎসবগুলো আসে তখন কিন্তু আমরা ঘুরতে যেতে সবথেকে বেশি পছন্দ করি। আমার কাছে কিন্তু ভীষণ ভালো লাগে ঘোরাঘুরি করতে। তাই জন্য ঈদ উপলক্ষে আমরাও ঘুরতে গিয়েছিলাম। আমাদের এখানে একটা ছিল পার্কের মত। পার্কের নাম হচ্ছে মনপুরা কাবাব হাউস এন্ড বিনোদন পার্ক।
আমাদের এলাকাতে এটা অনেক জনপ্রিয়। বিশেষ করে এখানে বাচ্চাদের খেলার জন্য অনেক রকমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের এখানে বাচ্চাদের খেলার জন্য কোন পার্কের ব্যবস্থা নেই।আশেপাশেও ঘোরার তেমন একটা প্লেস নেই বললেই চলে। যদি ওটা আগে কাবাব হাউস ছিল, কিন্তু এখন যত দিন যাচ্ছে তত উন্নত করছে। বিশেষ করে বাচ্চাদের খেলার অনেকগুলো ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর তাই জন্য এখন অনেক দূর থেকেও মানুষজন ভিড় করে। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে অনেক বেশি মানুষজন ছিল। ঈদের ৩-৪ দিন পর আমরা যাওয়ার কথা ভেবেছিলাম।
বিশেষ করে যেহেতু ছোটদের খেলার ব্যবস্থা রয়েছে তাই মেয়েটা যেন কিছুটা আনন্দ পায় তাই জন্যই যাওয়া। পরবর্তীতে আমরা সেখানে গেলে দেখি অনেকগুলো খেলনার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু আমার মেয়েটা এখনো অনেক ছোট তাই জন্য সবকিছুতে ওঠাও সম্ভব না। তবে ও আবার খেলনার গাড়িগুলোতে উঠতে চাইছিল। পরবর্তীতে আমরা ওর ওঠার জন্য টিকেট নিলাম। ভেতরে যাওয়ার পর মেয়েটা ভীষণ খুশি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছিলাম আসলে ও পড়ে যায় যদি। তবে এইসব খেলার আনন্দ কিন্তু বাচ্চাদের জন্য অনেক ভালো একটা প্রভাব পড়ে।
তো আমরা সেখানে ভেতরে গিয়ে কিছুক্ষণ থাকলাম। আর সেখানে ভেতরে একটা বড় স্লিপার ছিল ওইটাতে উঠেছিল। ওর সাথে অনেক বড় বড় ছেলেমেয়েরা উঠছিল, আমি ভয় পাচ্ছিলাম আসলে ও ঠিকমতো উঠতে পারবে কিনা। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে উঠলো এমনকি কিছুক্ষণ খেলা করলো। স্লিপারের সাথে আবার একটা জাম্প দেওয়ার খেলনা ছিল। সেখানে ও উঠে অনেকক্ষণ ধরে খেলেছিল। আসলে অনেক বেশি আনন্দ পেয়েছিল। মেয়ের আনন্দ দেখে আমারও ভীষণ ভালো লেগেছিল। আমরা প্রায় অনেকক্ষণ সময় ধরে সেখানে ছিলাম। যখন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে আসছিল তখন ভাবলাম ভেতর থেকে বেরিয়ে আসি।
পরবর্তীতে বাইরে আসলে আরো অনেকগুলো খেলনার ব্যবস্থা ছিল। যদিও সেখানে ওঠা সম্ভব ছিল না কারণ মেয়েটা এখনো খুবই ছোট। কিন্তু তারপরেও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমরা অনেকক্ষণ উপভোগ করছিলাম। আসলে আমাদের এলাকাতে এই পার্কটা হওয়ার পর থেকে অনেকেই ছোট বাচ্চাদের কে নিয়ে আসে। আমি মনে করি এই ধরনের পার্ক প্রত্যেকটা এলাকাতে হওয়া উচিত। পরবর্তীতে একটু সন্ধ্যা হয়ে গেলে আমরা ভাবছি খাওয়া দাওয়া করে যাব। আমরা মূলত খাওয়া-দাওয়া করার উদ্দেশ্যেই সেখানে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে গিয়ে কি কি খেয়েছিলাম, তা আপনাদের সাথে পরবর্তীতে শেয়ার করব। আজকে এ পর্যন্তই। পরবর্তীতে ভালোবাসবো নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
device : Redme note 9
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
🎀 ধন্যবাদ সবাইকে 🎀 |
|---|

Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
https://twitter.com/TASonya5/status/1658328858767294466?t=7KNqEITku_zBtq_6m_185g&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
কাবাব হাউস থেকে পরে পরিবর্তন করে বেশ সুন্দর একটি পার্ক তৈরি করেছে দেখছি। বাচ্চাদের খেলার চমৎকার ব্যবস্থা দেখছি। এরকম জায়গায় গেলে বাচ্চারা খুবই খুশি হয়। এজন্যইতো আপনার বাচ্চা এত খুশি হয়েছে। বাচ্চাদের আনন্দ দেখে নিজেদের ভালো লাগে। পার্কে ঘোরাঘুরি শেষে আপনারা আবার খাওয়া দাওয়াও করেছেন দেখছি। বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন বোঝাই যাচ্ছে।
একদম ঠিক বলেছেন আপনি খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছিলাম। মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ঈদ উপলক্ষে ঘুরতে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো আপু। মামনিকে দেখতে কিন্তু বেশ মিষ্টি লাগছে। মামনির হাসি মাখা মুখ দেখে হৃদয় জুড়িয়ে গেল আপু। অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন সবার সাথে দেখে ভালো লেগেছে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য এবং আপনার পরিবারের জন্য।
আমার মেয়েটাও অনেক বেশি খুশি হয়েছিল সেদিন। সময় করে আবার যেতে হবে। পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
আপু ঈদের উৎসব গুলোতে আমরা একটু ঘুরতেই যেন বেশি পছন্দ করি।তাই আপনারা পরিবারসহ ঈদের ৩-৪ দিন পর আপনারা পার্ক টি তে গিয়েছিলেন।আপনার মেয়ে অনেক আনন্দ করেছে পার্কে,ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে।যেহেতু বাচ্চাদের জন্য বেশ খেলাধুলার ব্যবস্থা রয়েছে,তাই আরও ভালো লেগেছে আপনাদের।ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর গোছালো মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
করতে গেছেন বিনোদনের জন্য তাও আবার বিনোদন পার্কে নামটা কিন্তু দারুণ হয়েছে। আপনি ঠিক বলছেন বাচ্চারা খেলাধুলা পেলে সেখান থেকে আর নিয়ে আসা বেশ মুশকিল হয়ে যায়। অনেক সুন্দর পার্ক দেখতে বিনোদনের জন্য অনেক ভালো হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে বিনোদন পার্কে বেশ বিনোদন করেছেন দেখে বুঝা যাচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ আপু মুহূর্তটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ঈদ উপলক্ষে গিয়েছিলাম ইতিমধ্যে আর যাওয়া হয় নাই। সময় করে বাবুকে নিয়ে আবার যাওয়া দরকার। মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।