"সায়েন্স সিটির ভিতরে একুরিয়ামের দেশী - বিদেশীর মাছের ফটোগ্রাফি"(পর্ব - ১)
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু। আমি বেশ কিছুদিন আগে সায়েন্স সিটি ঘুরতে গিয়েছিলাম। আমি এবার দিয়ে মোট ৪ বার যাওয়া হয়ে
গিয়েছে। তাই এখন আর ইচ্ছা করে না। তবে এখানে
অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আছে তাই বাবুকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রায়ই। তবে সেদিন আমাদের যেতে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিলো তাই আর তেমন কোথাও যেতে পারিনি। শুধু একটা শো দেখেছিলাম আর আমি বিজ্ঞান ভবনটা ঘুরতে চেয়েছিলাম। কারণ আমার মাছ দেখতে। খুবই ভালো লাগে। যদি ও আমি খুব বেশি মাছ চিনি না। হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি মাছ চিনি। তবে এখন আপনাদের দাদার কারনে অনেক মাছ চিনা হয়। তাহলে চলুন কথা বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
এই মাছ গুলোর নাম Oscar (অস্কার)। এই মাছ গুলো ছোট ছোট হয়ে থাকে।এদের গায়ে কালো দোরা কাটা কাটা হয়ে থাকে। তবে এরা খুব বেশি বড় হয় হয় না। এরা জলের নিচে ডুবে থাকা গাছ ও ডালপালাতে বেশির ভাগ সময় বিশ্রাম নেয়। তাই এরা ধীর গতির জলে থাকতে বেশি পছন্দ করে। এরা অলস প্রকৃতির হয়ে থাকে।এই অস্কার প্রজাতির মাছ গুলো ছোট ছোট মাছ পোকা মাকড় এর লার্ভা খেয়ে থাকে। তবে এরা খুব পেটুক হয়ে থাকে। খাবারে ঘাটতি হলে এরা খুব ই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
তারিখ: ২২ আগস্ট ২০২২
স্থান: সায়েন্স সিটি, কলকাতা
এই প্রজাতির মাছ গুলো হলো এঞ্জেল ফিস। সাধারণত এই মাছ গুলো ১২ সে. মি. এরা অনেকটা গোলাকার দেখতে। এরা পরিস্কার জলের নিচে পাতার উপরে কিংবা হেলে থাকা পাথরের গায়ে ডিম পাড়ে। পুরুষ মাছ ও স্ত্রী মাছ এই ডিমের রক্ষণাবেক্ষণ করে। এদের গায়ের রং কালো ও মাঝে মাঝে। সাদা ছোপ ছোপ দাগ থাকে। পাখনা অনেকটা লম্বা আকৃতির হয়ে থাকে।
তারিখ:২২ আগস্ট ২০২২
স্থান: সায়েন্স সিটি, কলকাতা।
এই মাছ টির নাম albino Shark ( অ্যালবিনো শার্ক )।এরা মিঠা জলের মাছ। এদের গাঁয়ের রং রূপালী সাদা ও পাখনার রং বাদামি ও ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে। এদের চোখ বড় ও থুতনী তে দুটো শুড় রয়েছে। ঠোঁটের ওপরে দুই জোড়া শুর আছে। এরা খুবই শান্তি প্রিয় মাছ। তবে এদেরকে ছোট মাছের সাথে না রেখে অন্যান্য বড় মাছের সাথে রাখতে হবে। এরা সর্বভূক প্রাণী।এরা সাধারণত মাছ ও গাছপালা খেয়ে জীবনধারণ করে।
তারিখ:২২ আগস্ট ২০২২
স্থান: সায়েন্স সিটি, কলকাতা
এই মাছটির নাম Asiatica ( এশিয়াটিকা )। এশিয়াটিকা মাছ জলের একদম তলার দিকে থাকে।
তারিখ: ২২ আগস্ট ২০২২
স্থান: সায়েন্স সিটি, কলকাতা
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সাইন্স সিটিতে মোট চার বার গিয়েছেন বৌদি।এখানে শিক্ষামূলক ব্যপার আছে বলেছেন,নাম শুনে তাই মনে হলো।আপনি মাছ না চিনলে কি দাদা তো সব মাছ ই চিনেন।তাই আর আপনার সমস্যা হওয়ার কথা না।আর একুরিয়াম মাছ গুলো দেখতে আসলেই অনেক ভালো লাগে।অস্কার মাছ ভালো লেগেছে।এই মাছগুলোর নাম আজকেই প্রথম শুনলাম।আমিও তেমন একটা মাছ চিনিনা।ধন্যবাদ বৌদি সাইন্স সিটির ভিতরে একুরিয়াম থেকে এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
মাছের ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে দিদি। আমার কাছেও একুরিনিয়াম এর মাছ গুলো দেখতে অনেক ভালো লাগে। অস্কার ফিসগুলো দেখতে অনেক কিউট লাগছিল। অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি আপনাকে।
বৌদি এটা সত্যি যে, দাদার মাছের প্রতি ভীষণ দুর্বলতা আছে। তা মোটামুটি কক্সবাজারের মেরিন অ্যাকুরিয়াম সিরিজের মাধ্যমেই জানতে পেরেছিলাম। এঞ্জেল ফিসের তথ্যটা জেনে বেশ উপকৃত হলাম। মাছটাকে দেখতে আসলেই বেশ ভালো লাগে।
সায়েন্স সিটি ভ্রমণ করে একুরিয়ামের দেশী - বিদেশী অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর মাছের ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি।অ্যালবিনো শার্ক মাছের ফটোগ্রাফিটি দেখতে অনেকটা পাঙ্গাস মাছের মত মনে হচ্ছে। দারুন একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আহা দিদিভাই দাদার সাথে যেদিন সাইন্স সিটি ঘুরছিলাম সেই দিনের কথা একদম মনে পড়ে গেল। আমরা ভীষণ মজা করেছিলাম মাছের একুরিয়ামের সামনে । আর সত্যি বলতে রীতিমতো অবাক করা ছিল এক এক ধরনের প্রজাতি। আজকে এঞ্জেল ফিসটা সবথেকে বেশি মন কেড়ে নিল।
একুরিয়ামের দেশী বিদেশী মাছের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম বৌদি। এই ধরনের মাছ দেখতে খুব ভালো লাগে। প্রতিটি ফটোগ্রাফি জাস্ট অসাধারণ হয়েছে। এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বিজ্ঞান ভবনে গিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর মাছ দেখার সাথে সাথে আমাদেরকেও দেখার সুযোগ করে দিলেন বৌদি। এত মাছের নাম আমিও জানিনা ।কখনো দেখিই নি সামনে থেকে আর জানবো কি করে? অলস আর পেটুক অস্কার মাছের ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে। মিঠা জলের মাছ অ্যালবিনো সার্কের ফটোও খুব সুন্দর হয়েছে বৌদি। আপনার এই পোস্টটি থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম, এতগুলি মাছের সম্পর্কে জানাই ছিল না।
৪ বার সায়েন্স সিটিতে গিয়েছেন বৌদি জেনে ভালো লাগলো।আসলে ভালো জায়গায় যতবারই যাওয়া হোক না কেন মন ভরতেই চায় না যেন।তাছাড়া আপনার তোলা প্রত্যেকটি দেশি-বিদেশি রঙিন মাছগুলো অসাধারণ ছিল।আমিও বিদেশী এইসব মাছ বেশি চিনি না।ধন্যবাদ আপনাকে।
দারুণ ফটোগ্রাফি বৌদি, বিশেষ করে মাছগুলোর নিচে তার সম্পর্কে ছোট একটা ব্যাখ্যা বেশ ভালো লেগেছে কারন দৃশ্যগুলো দেখার সাথে সাথে সে সম্পর্কে একটু আইডিয়া নেয়ার সুযোগ পেয়েছি। ধন্যবাদ