কক্সবাজারে প্রথমদিন সন্ধ্যায় কাটানো কিছু মূহুর্ত।
♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করেই আজকের পোস্টটি শুরু করতে যাচ্ছি।
সেদিন সুগন্ধা বিচ থেকে হেটে হেটে চলে গেলাম লাবনী বিচের কাছে। সেখানে যেতে যেতেই সন্ধ্যা হয়ে গেল। আর আমাদের পরিচিত সেই ভাইয়া সেখানেই ছিল।পরিচিত বলতে আমার হাজব্যন্ডের ফ্রেন্ড হয়।আমরা যাওয়ার পরপরই তার সাথে দেখা করলাম।সেখানে তার কয়েকটা ব্যবসা আছে।কোথাও সানগ্লাস, কোথাও জামাকাপড়, আবার বিভিন্নরকম চকলেট আচারেরও দোকান আছে।তবে সেটা সুগন্ধা পয়েন্টে।যাইহোক আমরা যাওয়ার পরপরই ভাইয়া আমাদের সানগ্লাস দেখতে বলল।তখন আমরা দুই বোন ২টা নিলাম ভাইয়া সেগুলা গিফট করলো,আবার নিভৃতকেও ভাইয়া সানগ্লাস গিফট করলো।যদিও সে এখনো একবারও পরেনি।
যাইহোক তার পাশেই ছিল আচারের দোকান। তখন ঐ ভাইয়া এবং আমার হাজব্যন্ড জিজ্ঞেস করলো আচারের কথা।তখন ভাইয়া বললো এগুলো ভালো হবে খেয়ে দেখতে পারেন। আচার বলে কথা না খেয়ে কি থাকা যায়। সেজন্যই প্রথমে গিয়ে আচার দেখতে লাগলাম।আচার দেখতে ভালোই লাগছিল।আমরা প্রথমে জিজ্ঞেস করলাম কোনটা বেশি ভালো হতে পারে,তখন দোকানদার বলল জলপাই,বড়ই, আমসত্ত্ব এগুলা নিতে পারেন। তখন দেখলাম চালতার আচারও আছে,তাই এই ৪টাই দিতে বললাম।সেগুলো প্যাক করে নিয়ে নিলাম যেহেতু আমরা নাস্তা করবো তখন আর খাইনি।
এরপর ভাইয়াসহই আমরা একটা রেস্টুরেন্টে গেলাম।যেহেতু বিকেল থেকে শুধু চা বা হালকা কিছু খেয়েছি তাই সন্ধ্যায় একটু অন্যকিছু নাস্তা করব ভেবেছি।তাছাড়া ট্রেনের মধ্যে সেই ২টা বাজে তেহেরী খেয়েছিলাম।যাইহোক আমরা সেখানেই একটা রেস্টুরেন্টে গিয়েছি। সেখানে পরোটা,ভাজি আর ডিমের অমলেট খেয়েছি।সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে খাওয়া দাওয়া করে কিছু ছবি তুলে নিলাম।
নিভৃত তো খুবই খুশি। একে তো সে বিচের বালিতে হেটেছে তার পাশাপাশি আবার রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছে। সবাই মিলে বাইরে ঘুরাঘুরি করছি এটাই সে বেশি এনজয় করতেছিল। আমরা খাবার অর্ডার দিয়ে বসলাম। আর তখন নিভৃত কত যে দুষ্টুমি করছিল।মাঝেমাঝে সে টেবিলের উপরেই উঠে বসে পড়ে।সেই ভাইয়াটাও চাইছে নিভৃতের সাথে ভাব করতে। এভাবে কিছুক্ষণ সময় পরই খাবার চলে আসলো।তখন আমরা খাওয়া স্টার্ট করলাম।
খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমরা আবার চলে গেলাম বাইরে।তখন আবার আমরা চা খেয়েছিলাম।সেটা শেয়ার করব অন্য একদিন। কারণ পোস্ট অনেক বড় হয়ে যাবে। তবে সেই নিয়ে বেশ কিছু ছবি এবং গল্প শেয়ার করব।আজকের মত এখানেই শেষ করছি।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
|---|
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
|---|
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
কক্সবাজার আমিও ঘুরতে গিয়েছিলাম আমার কাছে শীতকালের সময় থেকে গরমকালে বেশি ভালো লেগেছিল। কারণ আমি দুইটা সময় গিয়েছিলাম বিশেষ করে সন্ধ্যাকালীন সময় অনেক ভালো লাগে। বীচের পাশে অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস পরিপূর্ণ দোকানগুলো দেখতে অনেক ভালো লাগে। আচারের দোকানে গেলে শুধু তাকিয়ে থাকতে মন চায় । যেমনটা আপনি দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন অনেক ভালো লেগেছে আপনাদের কাটানো মুহূর্তের দৃশ্য দেখে।
আচার দেখলে সবার লোভ লেগে যায়। আর কক্সবাজারের আচারগুলো সেই মজা ছিল।
বেশ ভালোই তো সময় পার করলেন। ঘুরলেন ফিরলেন আবার খাওয়া দাওয়াও করলেন। আবার নাকি সবাই মিলে সানগ্লাস ও কিলনে। তাহলে তো দেখছি কক্সবাজারের প্রথম দিন বেশ ভালোই কাটিয়েছেন। আসলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে এমন জায়গায় ঘুরতে গেলে কিন্তু খারাপ লাগে না।
হ্যা,আপু কক্সবাজারের মুহূর্ত গুলো খুব সুন্দর কেটেছিল, ধন্যবাদ।
কক্সবাজারে যাওয়ার খুব ইচ্ছা কিন্তু সেই সৌভাগ্য এখনো হয় নাই কিন্তু আপনারা কক্সবাজার গিয়েছেন। সকলে দেখতেছি বেশ সুন্দর মুহূর্ত উদযাপন করেছেন। আচারের দোকানে গিয়েছেন দারুন লাগতেছে তারপর আপনারা সকলে মিলে খাওয়া দাওয়া করলেন ও বিজয় ভাইকে দেখতে পারতেছি আপনাদের সাথে বেশি ভালো লাগলো।
আমরা দুইবার কক্সবাজারে গিয়েছি, ২০২১ সালে গিয়েছিলাম আর এই বছরের শুরুতে গিয়েছিলাম। বেশ ভালো মুহূর্ত কাটিয়েছে ভাইয়া, ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে সেদিনের আচার গুলো সত্যি অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। আর এ ধরনের আচার যদিও শরীরের জন্য ক্ষতিকর তবে খেতে ভালই লাগে। যাইহোক সর্বোপরি নাস্তা করে সবাই বাসায় ফিরে গেলাম,কারণ সবাই অনেকটাই ক্লান্ত ছিলাম । ধন্যবাদ সবার সাথে এই অনুভূতি ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য।
ক্ষতিকর তো সবকিছুই,কিন্তু মন চাইলে না খেয়ে থাকা যায় নাকি?হিহিহি
বেশ কয়েক ধরনের আচার কিনেছেন আপনি। আচার খেতে ভালই লাগে। আর চোখের সামনে দেখলেও লোভ সামলানো যায় না। সবাই মিলে হোটেলে নাস্তা করেছেন দেখে ভালো লাগলো। সুন্দর কিছু সময় কাটিয়েছেন সেখানে। মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
তৎক্ষণাৎ আচারগুলো খেতে ভালোই মজা লেগেছিল।ধন্যবাদ আপু।
আপনার আজকের ব্লগিংটা পড়ে খুবই ভালো লেগেছে আপু। যখন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় তখন পরিচিত লোক জন থাকলে সুবিধা হয়। তবে সুন্দর সুন্দর সানগ্লাস কিনে দিলেন সেই ভাইয়া। আর সন্ধ্যাবেলায় অনেক সুন্দর সময় কাটালেন। তাছাড়া দারুন খাওয়া-দাওয়া হলো বেশ ভালোই খেলেন খাওয়া দাওয়া। যেখানে খাওয়া দাওয়া আমিও সেখানে। খাওয়ার প্রতি আমার অনেক আকর্ষন আপু হি হি হি। আপনাদের সবার খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত ছিল।
ধন্যবাদ আপু,খুব ভালো লাগলো মন্তব্য দেখে।