ছোটবেলায় স্বপ্নে ভূত দেখার গল্প।প্রথম পর্ব
"আসসালামুআলাইকুম"
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
ছোটবেলায় স্বপ্নে ভূত দেখার গল্প।
বন্ধুরা আমি আজকে আপনাদের মাঝে একটি গল্প নিয়ে এসেছি। আর সেই গল্পটি হচ্ছে স্বপ্নে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ভূতের গল্প।তবে যদিও ভূত নামে কোন অস্তিত্ব নেই। তবে রূপকথায় অনেক কিছুই এ সংক্রান্ত আমরা শুনে থাকি বা পড়ে থাকি।তবুও কথিত কথায় যে প্রচলন রয়েছে সেটাই আজকে আপনাদের মাঝে তুলে ধরবো। তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক।
আমি যখন ক্লাস থ্রি কিংবা ফোর এ ছিলাম তখনকার ঘটনা।সে সময় আমি এবং আমার এক বন্ধু বিভিন্ন জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতাম পাখির বাসা ও পাখির বাচ্চা খোঁজার জন্য।কারণ পাখি পোষার অনেক শখ ছিল তখন থেকেই। পড়াশোনা যতটুকু করতাম তার চাইতে বেশি সময় বাইরে কাটাতাম এবং বেশিরভাগই জঙ্গলে জঙ্গলে কাটাতাম।
সে সময় আমার এক দাদু আমাদেরকে আরবি পড়াতেন।তিনি আরবি পড়াতেন তাই তাকে আমরা হুজুর দাদু বলে ডাকতাম ।আর আমরা তাদের ঘরে গিয়েই আরবি পড়তাম। আমার যে দাদুর ঘরে গিয়ে আমরা আরবি শিখতাম তার ঘরটি আমাদের ঘরের পাশেই ছিলো।তবে দাদুর ঘরের পিছনে গভীর রাত হলে টুং টাং করে হেঁটে যাওয়ার শব্দ শোনা যেত।
এই বিষয়টা দাদুদের ফ্যামিলির সবাই জানে আর আমরাও জানতাম। শুধু যে দাদুদের ঘর থেকে আওয়াজটা শোনা যেত তা কিন্তু নয়। আমাদের ঘরেও সেই টুংটাং আওয়াজটা শোনা যেত।আর বাড়ির অনেকেই নাকি এই আওয়াজ শুনেছে।মাঝে মাঝে গল্প কথার ছলে হোক, বা বাস্তবতা হোক।দাদুর কাছে শুনতাম যে কোন এক গভীর রাতে নাকি তিনি এবনরমাল কিছুর অস্তিত্বকে তাদের ঘরের পিছন দিয়ে টুংটাং শব্দে হেটে যেতে দেখেছে।
সেই অস্তিত্ব গুলো নাকি খাটো এবং নেড়া মাথা।আবার তাদের গায়ে কোন পোশাক নেই। রাত্রিবেলায় দাদুদের ঘরের পিছনে যে জঙ্গলটি রয়েছে সেখান দিয়ে হেঁটে যেত তারা। আর সত্যি বলতে সেই এরিয়াটা বন করা ছিল না।আমাদের সবারই ঘরের এরিয়া বন থাকে। তবে নির্দিষ্ট এরিয়ার বাইরে কেউই বন করে না।
সেই হিসেবে যে এরিয়াতে এবনরমাল কিছুর অস্তিত্ব দেখা বা শোনা যেত কারণ সেখানে বন ছিল না।যাই হোক মাঝে মাঝে এরকম আওয়াজ রাত্রে অনেক শুনতাম। হঠাৎ একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখি আমি একটি জঙ্গলের মধ্যে আটকা পড়া।বাকিটা আগামী পর্বে।
তো বন্ধুরা আজকে এতোটুকুই আশা করি সামনে আরও ভিন্ন কিছু নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হবো। আর যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এই বলে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম।
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনের সাথে নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক

VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আর Nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকোর্ড অ্যাকাউন্ট আছে।বর্তমানে আমার তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, আর সেই তিনটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমি স্টিমিট এ কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি, তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | ছোটবেলায় স্বপ্নে ভূত দেখার গল্প |
| অবস্থান | বাংলাদেশ |
ভাইয়া ভালোই তো। আপনার ভূতের গল্প পরে আমারও ছেলেবেলার কথা মনে হয়ে গেল। না এখানে বলবো না। গল্পে গল্পে বলবো অন্যদিন। তাতে একটা পোস্টও হয়ে যাবে। বেশ ভয় ভয় লাগছে আপনার গল্প পড়ে। ভাবছি আপনারা এত ভয়ের মধ্যে কি করে থাকতেন। আবার নাকি ভয়ংকর স্বপ্নও দেখেছেন। আমি কিন্তু অনেক ভয়ও পেয়েছি।
জি আপু তাতে একটা পোস্টও হয়ে যাবে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
🙏🙏❤▶
https://twitter.com/Nevlu123/status/1693454713352761680?s=20
বন করা মানে কি ভাইয়া বুঝলাম না। যাইহোক এরকম ঘটনা শুনে তো আমারই ভয় লাগছে। আপনারা কিভাবে ওই এলাকায় থাকতেন। রাতের বেলায় তো বাইরে বের হওয়াই মুশকিল হতো মনে হয়। তাছাড়া যে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখেছেন। পরবর্তী পর্বের এর অপেক্ষায় রইলাম স্বপ্নে কি হয়েছিল আপনার সাথে জানার জন্য। ধন্যবাদ আপনাকে।
@tania69 অশুভ কিছু যাতে ঘরে প্রবেশ না করতে পারে, সে জন্য ঘর দেওয়ার পরে হুজুর ডেকে মিলাদ পড়িয়ে, আজান দিয়ে ও তাবিজ মাটির নিছে পুতে বন করা হয় আপু।
ভাই আপনি তখন ক্লাস থ্রি পড়েন। তার মানে এটি অনেক বছর আগের কথা। আসলে সেই সময় বন জঙ্গল বেশি ছিল। আর সে সময় মানুষের মুখে ভূতের গল্পগুলো বেশি শুনতাম। দাদার ঘরের পেছনে অ্যাবনর্মাল কিছু ঘুরে বেড়াতো। মাথা ন্যাড়া গায়ে কিছু ছিল না এটা শুনে তো গায়ের লোম শিউরে উঠলে ভাই। আপনার লেখা ছোটবেলার স্বপ্নের ভূতের দেখার গল্পটা প্রথম পর্ব পড়ে বেশ ভালো লাগলো পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
জি ভাই সেই সময় বন জঙ্গল বেশি ছিল।
সাপোর্ট করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে🙏।।
আপনার ভূতের গল্পটি পড়ে আমার খুব ভয় লাগছে। এধরনের গল্পগুলো কারো মুখের শুনলে রাতে আমার বারবার মনে পড়ে এবং খুব ভয় লাগে। আসলে এরকম বাড়ির পাশে বন জঙ্গল থাকলে রাত্রে বের হওয়া খুবই মুশকিল। আবার আপনি স্বপ্নে ভূত দেখেছেন। পরবর্তীতে কি হলো তা জানার অপেক্ষায় রইলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
ঠিক আপু আসলে এরকম বাড়ির পাশে বন জঙ্গল থাকলে রাত্রে বের হওয়া খুবই মুশকিল।
কিছুদিন ধরে ভাবছি আপনাদের মাঝে স্বপ্ন দেখা বেশি বড় অদ্ভুত কিছু বিষয় গুলো শেয়ার করব তবে তার পূর্বে আপনার পোষ্টের মধ্যে পেয়ে গেলাম। আসলে আমরা যখন ঘুমাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু ঘুমের ঘরে দেখে থাকি এবং তা থেকে ভয় পাই। আসলে ছোটবেলায় আমরা ভয়ে থাকতাম আর আশেপাশের মানুষের যে বিষয় গল্প করতো সেগুলো যেন বারবার চিন্তা করতাম তাই রাতে স্বপ্নেও দেখে বসতাম।
জি ভাই আমরা যখন ঘুমাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু ঘুমের মাঝে দেখে থাকি এবং তা দেখে ভয় পাই।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে ছোটবেলার দারুন একটি ঘটনা শেয়ার করেছেন। আসলে ছোটবেলায় স্বপ্নের মাঝে এরকম ঘটনা অনেক মানুষের রয়েছে। আপনি যে তখন ক্লাস থ্রিতে পড়তেন অনেক ছোটই তো ছিলেন ভাই। আসলে ভাই ভূতের মাথা নাড়া এবং গায়ে কিছু ছিল না সত্যিই এই বিষয়টি শোনার পরে এমনিতেই আমার কেমন যেন করছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক ভাই স্বপ্নের মাঝে এরকম ঘটনা অনেক মানুষের রয়েছে।
ছোটবেলায় স্বপ্নে ভূত দেখার গল্পের পর্বটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। তবে এখন মানুষ ভূত বলে কিছু বিশ্বাস করে না। তবে আমার দাদিদের কাছ থেকে অনেক ভূরের গল্প শুনেছি। আজো আমি নিজে কখনো ভূত দেখিনি। তবে আপনার গল্পে হুজুর দাদার বাড়ির পেছনে যে টুইন টুইন আওয়াজ হতো সেটা কিসের আওয়াজ জানি না। গল্পটি শুনে আমার তো রাতে ঘুরে বেড়ানো টাই মুশকিল হয়ে গেল। রাতে আপনার স্বপ্নে দেখা বাকি অংশ টার জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
এটা ঠিক ভাই এখন মানুষ ভূত বলে কিছু বিশ্বাস করে না