আসসালামু-আলাইকুম/আদাব।
হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন।হ্যাঁ, আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @mohamad786 🇧🇩 বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলায় বাস করি।আমির সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে অধ্যায়নরত আছি।
গ্রামে ফুটবল খেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে একটা যেন উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। আর সেই উৎসবমুখর পরিবেশের কথা আজও আমার মনে রয়েছে।আসলে গ্রামের মানুষ ফুটবল খেলা খুবই পছন্দ করে। তাই এই ফুটবল খেলা আয়োজন করলেই তারা যেন দেখার জন্য পাগল হয়ে যায়।সত্যিই সেই দিনগুলো কখনো ভুলার নয়। তো বন্ধুরা আজকে আমি আবারও আপনাদের মাঝে গ্রামে ফুটবল খেলার সেই স্মৃতিময় গল্পটির শেষের পর্ব নিয়ে এসেছি। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন, সেই স্মৃতিময় গল্পের ফলাফল কি হয়েছিল। তো বন্ধুরা আশা করছি এই গল্পটি পড়ে আপনাদের ভাল লেগেছে এবং আজকে শেষ পর্ব পড়ে আরো ভালো লাগবে। তো বন্ধুরা চলুন গল্পটি শেষ পর্ব পড়া শুরু করা যাক।

source
গ্রামের এই ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সত্যি আমাদের গ্রামসহ আশেপাশের গ্রামের যেন একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। আর এটি ছিল ফাইনাল খেলা। যার কারণে মানুষের ভিড় ছিল অনেক বেশি। আর আমাদের গ্রামের দলের গোল হচ্ছিল না তাই মনে হচ্ছিল আমরা হেরে যাব। আমাদের গ্রামের মানুষ হতাশ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ ৮৫ মিনিটে মানিক ভাই একটি হেড করে গোল পরিশোধ করে। আর তখন সমান হয়ে যায়,যার কারণে আমাদের তখন খুবই ভালো লাগে। যে আবারো সুযোগ আসলো। তো ৯০ মিনিট পার হয়ে গেল তারপরে কোনো গোল হল না। যার কারণে খেলার সময় শেষ হয়ে গেল।
খেলা ড্র থেকেই শেষ হয়ে গেল। যার কারণে আমাদের গ্রামে অন্য গ্রামের খেলার কমিটির দায়িত্বে যারা ছিলেন। তারা বলল যে যেহেতু আজকে ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে। সময় বাড়িয়ে দেওয়া হলে অনেক রাত হয়ে যাবে। তাই সময় বাড়িয়ে দিলো না। বলল যে পাঁচটা পাঁচটা করে টাইগার শর্ট হবে। আর এই প্লান্টি শর্ট এই যে দল জিতে যাবে। সেই হবে আজকের চ্যাম্পিয়ান। সত্যিই এটি খুবই টেনশনে ছিলাম।কারণ প্লান্টি শর্ট যে কোন দল জিতে যেতে পারে। এটি সত্যি কপালের উপরে নির্ভর করে।আর গোলকিপারের ওপরে।আমাদের গ্রামের দলের গোলকিপারের দায়িত্বে ছিলেন,সুজন ভাই।আর সুজন ভাই খুবই ভালো গোলকিপার থাকে। তাই তার উপর সকল আস্থা দেওয়া হলো। সুজন ভাই বলল আমার জীবন দিয়ে হলেও আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো। সুজন ভাইয়ের কথা শুনে আমাদের গ্রামের চেয়ারম্যান খুবই খুশি হল। সে বলল ঠিক আছে যাও তোমরা খেলা শুরু করে দাও।

source
তারপর প্লানটি শর্ট শুরু হয়ে গেল।আর প্লানটি শর্ট দেখার জন্য অনেক মানুষ ভিড় জমিয়েছে। সত্যি সেই মুহূর্তটি অনেক কষ্টের ছিল। সবসময় টেনশন করতেছিলাম। সত্যিই সেই মুহূর্তটা যেন প্রার্থনার ওপরে ছিলাম। কপাল ভালো আল্লাহর রহমতে আমরা জিতে যাই। প্লান্টটি শর্টে আমাদের দল ৫ টি গোল দিয়েছিলো।আর অন্যরা দিয়েছিল ৪ টি। একটি গোল সুজন ভাই ঠেকিয়েছিলো।সেই মুহূর্তটা খুবি আনন্দের ছিল। যা বলার মতো না। পুরো গ্রামের মানুষ যেন বিশ্ব জয় করেছে, এরকম আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠল। গ্রামের চেয়ারম্যান বলল এখনই ঢাকঢোল পেটানো শুরু করা হোক। আর তোদেরকে আমি আরো টাকা দেব গ্রামের সবাই মিলে একটি পিকনিক করবে। যাই হোক সেই পিকনিকের মুহূর্ত অনেক আনন্দের সাথে উপভোগ করেছিলাম। আসলে গ্রামের এই প্রথম এত বড় একটি ফুটবল প্রতিযোগীতায় বিজয় লাভ করেছে। তাই অনেক আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছিল।
| এই ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রামবাসী অনেক আনন্দে মেতে উঠেছিল। সত্যিই সেই দিনের কথা আজও মনে পড়ে গ্রামের সকল মানুষ যেন একসাথে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছিল এবং চেয়ারম্যান অনেক টাকা দিয়েছিল যার কারণে গ্রামের সবাই মিলে আনন্দময় সাথে পিকনিক করেছিলাম। তো বন্ধুরা আশা করছি আমার এই গল্প পড়ে আপনাদের ভাল লেগেছে।আসলে স্মৃতির পাতায় সেই দিনগুলো আজও রয়ে গেছে। |
আজ এখানেই শেষ করছি। আবারো অন্য কোনদিন ভিন্ন কোনো কন্টেট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন, এই দোয়া রইল। আল্লাহ হাফেজ।🙏🤲🙏
প্রথম পর্ব👇
https://steemit.com/hive-129948/@mohamad786/5djmqv
দ্বিতীয় পর্ব👇
https://steemit.com/hive-129948/@mohamad786/nrahe
তৃতীয় পর্ব👇
https://steemit.com/hive-129948/@mohamad786/4acun3

আমার পরিচয়

আমার নাম মোঃ ফয়সাল আহমেদ ।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবসি ।আমি সর্বদাই গরীব-দুঃখীদের সেবায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং নতুন সৃজনশীলতার মাধ্যমে কিছু তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, আপনারা সবাই আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে উৎসাহিত করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে।

👉বিশেষভাবে ধন্যবাদ সকল বন্ধুদের যারা এই পোস্টকে সমর্থন করছেন🌺🌹🌺
আসলে ভাইয়া ফুটবলকে খেলাকে কেন্দ্র করে এখন আমাদের গ্রাম অঞ্চলে দারুন একটি উৎসব সৃষ্টি হয়। যাহোক, শেষ পর্যন্ত আপনারা আপনাদের গোলকিপার সুজন ভাইয়ের কল্যাণে এক গোলে জিতে গেছেন এটা জেনে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। আসলে ফুটবল খেলার মানেই তো আনন্দ। দারুন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই