ওয়েব সিরিজ রিভিউ: হোমস্টে মার্ডারস- The Banquet ( পর্ব ৪ )
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে 'হোমস্টে মার্ডারস' ওয়েব সিরিজটির চতুর্থ পর্ব রিভিউ দেব। এই পর্বের নাম হলো "The Banquet". গত পর্বের শেষ দেখেছিলাম যে গেস্ট হাউসের সবাই দামিনীকে দোষারোপ করছিলো, কারণ খুনের রাতে তাকেই সবাই দেখতে পেয়েছিলো বিভিন্ন জায়গা থেকে যেতে। আজকে দেখবো গল্পটা কোনদিকে মোড় নিচ্ছে।
✠কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:✠
☀মূল কাহিনী:☀
বৃষ্টির রাতের ঝামেলাটা যাওয়ার পরে সকালে সবাই মোটামুটি একটু বাইরের দিকে যাওয়ার সুযোগ পায়, কারণ দুইদিন প্রায় অঝোরে বৃষ্টি হতে থাকে আর কিঞ্জল এই খুনের ইনভেস্টিগেশন এর মুহূর্তে কাউকে ঘরের বাইরে যেতে মানা করে। কারণ খুনি হয়তো এখানেই কেউ না কেউ এখনো লুকিয়ে আছে। আর একজন একই সূত্র ধরে যেহেতু ৩ জন খুন হয়েছে সেক্ষেত্রে টার্গেট এখনও অন্য কেউ থাকতে পারে। আর এখানে এই খুনগুলো প্রিয়া নামক একটা মহিলার সাথে সম্পর্কিত আছে আর সেই প্রিয়া দামিনীর বোন হতে পারে এইরকম একটা দাবি রয়েছে সবার মধ্যে। jew নামক যে মেয়েটা চুরি করে এই গেস্ট হাউসে এসেছিলো সে তো আরো ভয় পেয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত আর এখান থেকে চলে যেতে চাইছে, কারণ যদি এই খুনের ইনভেস্টিগেশন করতে করতে তাদের চুরির কোনো রহস্য ভেদ না হয়ে যায়। যাইহোক, কিঞ্জল পুলিশ না আসা পর্যন্ত কাউকেই এখান থেকে কোথাও যেতে মানা করে। রাতে তো এক তরফা খাবার খাওয়া নিয়ে মালিকের সাথে ঝামেলা করে। তারপর আবার সকালে দামিনীর দিকে ছুটে আসে যে ওই রাতে সে কোথায় ছিল, আর এই নিয়ে দুইজন আবার কথা কাটাকাটি শুরু করে দেয়। তবে দামিনী jew এর ব্যাপারে কিছু গোপনীয় বিষয় জানে, অর্থাৎ কুহেলির কাছে যে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিল সেটি যে jew আর টনির কাছে আছে সেটি জানে।
এরপরে jew এর মুখের বুলি তো একপ্রকার বন্ধ করে দেয়। এরপর সে যা জানে সেগুলো দামিনীর কাছে খুলে বলতে লাগে। কুহেলি আর মিতা যখন তার যমজ বোন গীতার বিষয়ে কথা বলছিলো তখন আড়ি পেতে সবই শুনে নিয়েছিল আর সেখানে প্রিয়ার মৃত্যুর বিষয়েও শুনে ফেলেছিলো অর্থাৎ প্রিয়ার একটা ভাই ছিল অসীম তার নাম, আর সে এখনো বেঁচে আছে এর মধ্যে। এই কথাটা প্রায় ১৫-১৬ বছরের মতো গোপনই ছিল সবার কাছে, যে জানতো সেটা একটা মিতা কিন্তু সে প্রথম থেকে এখনো কাউকে বলেনি। আর প্রিয়া যে সুইসাইড করেছিল না তাকে খুন করা হয়েছিল সেটা জানা যায়নি অর্থাৎ তখন ইনভেস্টিগেশন-এ সেই কেসটাকে সুইসাইড বলে চালিয়ে দিয়েছিলো। তবে এখানে আরো একটা বিষয় যে তার একটা মনের মানুষ ছিল আর তাদের বিয়ে না হওয়া সত্বেও সে প্রেগনেন্ট ছিল আর তাকে পরবর্তীতে বিয়ে না করে চলে যায়। এখন তাকে খুনটা তার প্রেমিকও করতে পারে এই সমস্যা থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু সেটার কোনো প্রমান নেই, কারণ সুইসাইড কেস বলে সেটা ডিসমিস করে দেওয়া হয়েছিল। যাইহোক, এরপর আসলে প্রিয়ার খুনের ১৫ বছর পরে এইভাবে উঠে উঠে দুইজনকে খুন একটা অদ্ভুত রহস্যময়।
আবারো দিন পেরিয়ে রাত হয়ে যায় কিন্তু পুলিশ সেখানে এখনো এসে পৌঁছাতে পারেনি। আর দামিনীর একটা শারীরিক সমস্যা আছে যেটা ঔষধের উপর নির্ভরশীল না হলে অদ্ভুত আচরণ করতে লাগে। কিঞ্জলের সাথে কথা বলার পরে রুমে চলে যায় এবং সে থর থর করে কাঁপতে থাকে আর অন্যরকম একটা আচরণ করতে লাগে। অনিমেষ পরে তার রুমে তাকে ডাকতে যায় এবং গিয়ে দেখে ওই অবস্থা, এরপর তাকে ঔষধ এনে দেয় আর দিলে মোটামুটি ঠিক হয়। যাইহোক এরপর আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে গেলে অনিমেষকে অসীম ভাবতে শুরু করে আর তাকে মানে মোটামুটি বিভিন্নভাবে দোষী করার একটা ধান্দায় থাকে। অনিমেষ যে গল্পের প্লট লিখেছিলো সেই ডায়েরিটা দামিনীকে পড়তে দেয় আর দুই পাতা উল্টানোর পরেই সেখানে নিচে লেখা থাকে যে একজন কর্মচারীকে বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেটা ও লিখেছে না কে লিখেছে সেটাও একটা বিষয়, কারণ ও নিজেই দেখে চমকে ওঠে। এরপর সবাই এক জায়গায় জড়ো হয় কিন্তু সবাই অস্থির হয়ে যায় আর পুলিশ কখন আসবে সেই আশায় সময় দেখতে থাকে, কারণ ঘরে একটা লাশ দুইদিন ধরে পড়ে আছে যেটা ভালো কোনো বিষয় নয়, একটা মনের মধ্যে অস্বস্তি বোধই হয়ে থাকে । আর এমনিতেই পাহাড়ি এলাকার রাস্তা খারাপ তার মধ্যে বৃষ্টিতে রাস্তার কোথায় ভেঙে গেছে ফলে পুলিশ এর আসতে দেরি হচ্ছে।
আর এই পরিস্থিতিতে যেহেতু সবারই মন খারাপ তাই রান্নারও কোনো ব্যবস্থা আর করা হয়নি, যা ছিল তাই দিয়েই কয়েকদিন সবাই চলতে থাকে। এর মধ্যে মিতা কুনালকে বলে সবার কিছু খাবার জন্য আনতে। কুনাল যায় আর নিয়ে আসে ঠিকই কিন্তু সবাই খাওয়া দাওয়া করলো, কোনো সমস্যা হয়নি। তবে মিতা যখন খেলো তখন তার গলা জ্বালা করতে লাগলো আর সাথে সাথে ওখানে কাশতে কাশতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলো। সবাই তাকে মুখে জল দিয়ে ওঠানোর চেষ্টা করলো, কিন্তু কিছুক্ষনের মধ্যে মারা যায়। গল্পে আরো একটা নতুন মোড় নিলো এখানে। এরপর সবাই বাইরে চলে আসে আর কিছুক্ষন বাদে সেখানকার লোকাল পুলিশ চলে আসে। আর তাদের সব বিষয় খুলে বলে, এরপর তারা লাশ উদ্ধারের জন্য রুমের দিকে যায়। তবে এখানে কুহেলির লাশটা তারা খুঁজে পেলেও মিতার লাশ মিসিং হয়ে যায় সাথে সাথে। যেটা সবার কাছেই একটা আশ্চর্যজনক বিষয় , আর মেইন কথা হলো যে মানুষ মরেছে কিছুক্ষন আগে তার লাশ কিভাবে মিসিং হতে পারে সবার নাকের নিচে দিয়ে। অদ্ভুত একটা বিষয়।
☀ব্যক্তিগত মতামত:☀
এখানে খুনের রহস্য হিসেবে প্রথমত প্রিয়ার ভাই অসীমের দিকে যাচ্ছে, কারণ প্রিয়ার যখন মৃত্যু হয়েছিল তখন তার ভাই অনেক ছোট ছিল আর তার খুনের সাথে অনন্যা হাউসের এদের সাথে কোনো না কোনো সম্পর্ক ছিল। আর এর ফলস্বরূপ এটা হতে পারে যে এই ১৫ বছর পরে এসে সেই এইসব কিছু করছে। তবে তাকে কিন্তু কেউ দেখিনি প্রথম থেকে, শুধু জানতো যে তার একটা ভাই ছিল আর এখন সে আপনাদের মতোই বয়েসের হয়েছে। তাই তারা ভাবছে যে মনীষা আর কুহেলি এই দুইজনকে অনিমেষ খুন করেছে আর অনিমেষ রূপে অন্য কোনো নামে আমাদের মাঝেই আছে। আর এখন গল্পে আরো একটা নতুন মোড় নিলো অনিমেষের শেষ পাতায় লেখা অনুযায়ী, যেখানে সেই হিসেবে মিতাকে বিষ দিয়ে মারা হয়েছে। তবে এই সন্দেহটা এইবার দামিনীর দিকে সবাই ছুড়ে দিয়েছে। কারণ যে পায়েস সবার জন্য নিয়ে এসেছিলো সেটাতে কেউ বিষ মিশিয়ে রেখেছিলো। আর কিচেনে jew দামিনীকে দেখেছিলো পায়েসের মধ্যে কিছু একটা দিতে। তাই পুরোপুরিভাবে ধাক্কাটা তার দিকেই যাচ্ছে এখন। এখন সব থেকে যে বিষয়টা ঘটেছে সেটা হলো লাশ মিসিং হলো কিভাবে। অদ্ভুত রহস্যের মধ্যে সবাই এখন।
☀ব্যক্তিগত রেটিং:☀
৮.৪/১০
☀ট্রেইলার লিঙ্ক:☀



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
'হোমস্টে মার্ডারস' ওয়েব সিরিজটির চতুর্থ পর্ব রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লাগলো দাদা। অনেক নতুন নতুন তথ্য সামনে চলে এলো। প্রথম থেকেই সবাই দামিনীকেই দোষারোপ করছিল। খুনের জন্য সবাই মনে করছিল দামিনী এর পেছনে রয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে রহস্য আরও জটিল হচ্ছে। প্রিয়ার ভাই এই খুনের সাথে হয়তো জড়িত। অনেক বছর পর সে সবকিছুর বদলা নিতে চাইছে। হয়তো সেজন্যই আড়াল থেকে খুন করে যাচ্ছে। মনীষা আর কুহেলি এই দুইজনকে রহস্যজনকভাবে মারা হয়েছে। তবে এদের দুজনের মাঝে যোগসূত্র আছে এটা বোঝাই যাচ্ছে। লাশ মিসিং হওয়ার ব্যাপারটি সত্যি বেশ অদ্ভুত লেগেছে। মনে হচ্ছে আরো অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে। সময়ের সাথে সাথে রহস্যের জট খুলতে শুরু করবে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম দাদা। আশা করছি পরবর্তী পর্বে নতুন কিছু জানতে পারবো।
হোমস্টে মার্ডারস ওয়েব সিরিজের চতুর্থ পর্বটা পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। বিশেষ করে এই পর্ব থেকে অনেক রহস্য বেরিয়ে এসেছে। আসলে সবাই যাকে দোষী ভাবে পরে দেখা যায় যে সে দোষ করে না। তেমনি এখানে দামিনীকে সবাই দোষী ভেবে নিয়েছিল। আর সবাই তো দেখছি দামিনীর পেছনেই পড়েছিল। এদিকে আবার মনীষা আর কুহেলি দুইজনের মৃত্যুর রহস্যটাই একরকম দেখছি। সবকিছু দেখে বুঝতে পারছি যে এদের দুজনের মৃত্যুর সাথে অনেক যোগসূত্রই রয়েছে। তবে এখানে মনে হচ্ছে যে অনেক বছর আগের মৃত্যুর বদলা নিচ্ছে। এখন তো মনে হচ্ছে আরো অনেকগুলো রহস্য রয়েছে। পরবর্তী পর্বে আরো অনেক কিছুই নিশ্চয়ই জানতে পারবো। পরের পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম
আসলে ব্যস্ততার কারণে এই ওয়েব সিরিজেরর প্রথম পর্বগুলো পড়া হয়নি। কিন্তু আজকের পর্ব করে বুঝতে পেরেছি যে এখানে অনেক রহস্যই লুকিয়ে আছে। আর এখানে অনেক বছর আগের ঘটনা কে কেন্দ্র করেই এত কিছু ঘটছে। তবে খুনি হিসেবে দামিনীকে সন্দেহ করা হয়েছিল কিন্তু আসলে সে খুনি নয়। এখন তো দেখছি খুনের সন্দেহটা প্রিয়ার ভাই অসীমের দিকেই যাচ্ছে। পরবর্তীতে কোন দিকে যায় সেটা অবশ্যই দেখতে পাবো। অন্যদিকে আবার মনীষা আর কুহেলি দুইজনের মৃত্যুর রহস্য দেখছি এক দিকেই কেন্দ্র করেছে। কারণ ওদের মধ্যে অনেক কিছুই মিল পাওয়া গেছে। তবে এই পর্বটা পড়ে অন্তত এটা বুঝতে পেরেছি যে এখানে আরো অনেকগুলো রহস্য লুকিয়ে আছে। যেটা পরবর্তী পর্বগুলোতে আমরা নিশ্চয়ই জানতে পারবো।
দাদা রহস্যে ভরা একটি সিরিজ শেয়ার করছেন। প্রথম থেকে না পড়লে বা ঠিক ভাবে না বুঝলে গল্পটা এলোমেলো করে ফেলবে। এখন গল্পে একটা নতুন মোড় নিলো অনিমেষের শেষ পাতায় লেখা অনুযায়ী, যেখানে সেই হিসেবে মিতাকে বিষ দিয়ে মারা হয়েছে। তবে এই সন্দেহটা এইবার দামিনীর দিকে সবাই ছুড়ে দিয়েছে। কারণ যে পায়েস সবার জন্য নিয়ে এসেছিলো সেটাতে কেউ বিষ মিশিয়ে রেখেছিলো। আর কিচেনে জেও দামিনীকে দেখেছিলো পায়েসের মধ্যে কিছু একটা দিতে। তাই পুরোপুরিভাবে ধাক্কাটা তার দিকেই যাচ্ছে এখন। এখন সব থেকে যে বিষয়টা ঘটেছে সেটা হলো লাশ মিসিং হলো কিভাবে..? কি একটা অদ্ভুত রহস্যের মধ্যে সবাই এখন আছে,চিন্তা করলে মাথা নষ্ট হয়ে যায়। দেখা যাক পরের পর্বে কি হয়। ধন্যবাদ দাদা।
আজকের পর্ব টা পড়ে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। বিশেষ করে এই পর্বের মাধ্যমে অনেক রহস্য বেরিয়ে এসেছে। এখন তো দেখছি খুনের সন্দেহের দিকটা প্রিয়ার ভাই অসীমের দিকে যাচ্ছে। মনীষা আর কুহেলির খুনের রহস্য দেখছি একই দিকে যাচ্ছে। এখন তো দেখছি ঘটনাটা অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। তবে লাশ মিসিং হয়েছে কিভাবে এই বিষয়টা এখনো বুঝতে পারছি না। পরবর্তী পর্বে অবশ্যই বিষয় হতে পারব।
হোমস্টে মার্ডারস এই ওয়েব সিরিজের চতুর্থ পর্বটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম দাদা। আমার কাছে এই ধরনের ওয়েব সিরিজ গুলো দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। তবে আজকের পর্বটা পড়ে রহস্যটা অনেক কিছু জানতে পারলাম। বিশেষ করে এখন তো দেখছি প্রিয়ার ভাই অসীমের দিকে গিয়ে পড়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত লাশ কিভাবে মিসিং হয়েছে এই বিষয়টা জানা গেল না। পরবর্তী পর্বে কি হবে সেটা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
হোমস্টে মার্ডারস ওয়েব সিরিজের চতুর্থ পর্বের রিভিউতে পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আসলে এ ধরনের ওয়েব সিরিজ গুলো আমি দেখার সুযোগ পাইনা। তবে আপনার এই ওয়েব সিরিজের রিভিউটি পড়ে মনে হচ্ছে ওয়েব সিরিজটি অত্যন্ত রহস্যময়। চমৎকার একটি ওয়েব সিরিজের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য প্রিয় দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সময়ের জন্য আগের পর্বগুলো পড়া হয় নি।তাই এখন ঝটপট পড়ে আসলাম কারন প্রথম পর্বগুলো না পড়ে আসলে এখন কিছুই বোঝা যাবে না।ওয়েব সিরিজটি অনেক রহস্যে ভরা।অনিমেষের লেখা গল্পের প্লটে যেটা দামিনী পড়েছিল একজন কর্মচারীকে বিষ দিয়ে হত্যা করার কথা।সেটা আসলেই সত্যি ছিল নাকি শুধুই লেখনী! তাছাড়া আমার মনে হচ্ছে কুনাল যেহেতু বাইরে থেকে খাবার এনেছে তাহলে নিশ্চয়ই প্ল্যান করে মিতার খাবারে কিছু মিক্সট করে দিয়েছিল।কিন্তু সবার সামনে থেকে মিতার লাশ কোথায় মিসিং হয়ে গেল আর কেই বা মিসিং করে দিল দাদা?পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম, ধন্যবাদ আপনাকে।