তুর্কী সিরিজ রিভিউ : " জান্নাত " ( পর্ব ১৩)
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আমি তুর্কী সিরিজ জান্নাত এর তেরো পর্ব নিয়ে আসলাম। গত পর্বে আমরা দেখেছিলাম মিলিসার মা
সিরিজটির সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| সিরিজটির নাম | " জান্নাত " |
|---|---|
| পর্ব | ১৩ |
| পরিচালনা | সাদুল্লাহ জেলেন |
| বাংলা ডাবিং পরিচালনা | দীপক সুমন |
| লাইন প্রডিউসার | মাহাবুব মারুফ |
| নির্বাহী প্রযোজক | মুসফিকুর রহমান মন্জু। |
| অভিনয়ে | আলমিলা আদা ( জান্নাত), বার্ক আমান (সেলিম), জেহরা ইলমা (মেলিসা), এসরা রোনাবার (আরজু), গুলার ওকতআন (বিলকিস), চিচেক আজার (শারমিন), হাকিম করমুকচু (মাহির), শেরচান গুলায়রিয়ুজ (মেহেদী), ইউসুফ আকগুন (ফারহান), এব্রু দেস্তান (শবনম), আলি ইপিন (রেজা), সুয়েদা চিল (রুনা)। |
| স্টুডিও ডিরেক্টর | শুভ্রা, শম্পা, মারুফ, সঞ্জয়, এলিন। |
| ভিডিও এডিটর | রাকিব হাসান এনি |
| টাইটেল ও প্রমো | অনুপ কুমার বিশ্বাস। |
| প্রধান উপদেষ্টা | নওয়াজাদ আলি খান |
| মূল ভাষা | তুর্কী |
মূল কাহিনী
এ পর্বের শুরুতেই দেখতে পেয়েছি জান্নাত আর তার দাদী বাড়িতে চলে এসেছে। আর তখন জান্নাত তার দাদিকে বোঝাতে শুরু করলো এসব কিছু যেন ভুলে যায়। ওই মহিলাটা তাদের জীবনে আর কেউ ছিলনা পরবর্তীতে ও আর থাকবে না। এইসব কিছু বলে জান্নাত তার দাদিকে ঘুমাতে বলে নিজে ঘুমাতে চলে গেল। অন্যদিকে সেলিম বাড়িতে এসে দেখল তার বাবা সোফায় শুয়ে আছে। তখন সে তার গায়ের চাদরটা ঠিকভাবে গায়ে দিল। পরবর্তীতে সে তার মায়ের কাছে গেল। কিন্তু সেলিমের মা তার রুমে ছিল না। তখন তার ফুফুর সাথে দেখা হলে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলে নিশ্চয়ই আছে তুমি সকালে কথা বলে নিও।
তখন এটা বলে সেলিম নিজের রুমে চলে গেল। তখন তার মায়ের কথা মেলিসার কথা অনেক কিছুই মনে পড়ছিল। আর যখন জান্নাতের কথা মনে পড়তো তখন জান্নাতকে মেসেজ করলে। জান্নাত আসলে তখনও ঘুমায়নি সেও অনেক কথা চিন্তা করছিল। তখন মেসেজের উত্তর দিল। পরবর্তীতে সেলিম সকালে দেখা করবে বলে এখন ঘুমিয়ে যেতে বলল। সবকিছু চিন্তা করতে করতে জান্নাত ঘুমিয়ে গেলো। পরবর্তীতে সকাল হলে দাদির জন্য রুমে চা নিয়ে আসলো। আর খুব সুন্দরভাবে হেসে কথা বলছিল। তখনই জান্নাতের তাকি তাকে বলল হাসিমুখে দেখে খুবই ভালো লেগেছে।
তখন জান আসলে তার দাদীর সাথে আজকে নাস্তা করতে পারবে না বললো। জান্নাত আসলে তাদের প্রতিবেশী রুনা আপার সাথে মাছ বিক্রি করতে যাবে বলেছে। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এটাই করবে। পরবর্তীতে তার দাদিকে বলে সে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে মেলিসার মা সকালে তার রুমে আসে লেবুর জল নিয়ে। তাকে বলছিল যেন আর কখনো এরকম না করে। মেলিসা বলল কখনোই করবে না। তাছাড়া কিভাবে কি হয়েছে কিভাবে এক্সিডেন্ট হয়েছে তার কিছুই মনে নেই। অন্যদিকে সেলিম সকালে উঠে তার বাবা এবং ফুফুর সাথে কথা বলছিল।
কিন্তু তার মাকে সরি বলার জন্য রাতেও খুজেছে এমনকি সকালে ও খুঁজেছে কোথাও পাইনি। তখন ওর বাবা বলল নিশ্চয়ই হাঁটতে গেছে। পরবর্তীতে দেখা গেছে সেলিমের মা একটা রুমের ভেতর বসেছিল। তখন ওই রুমের মধ্যে সেলিমের বাবা আর তার ফুফু গিয়েছিল। সেখানে আসলে ছোট্ট সেলিমের সব জিনিসপত্রগুলো ছিল। তখন তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে রুমে চলে আসতে বলল। কিন্তু ড্রয়ারের ভেতরে একটা খেলনা দেখে সেলিমের মা সেটা সেলিমের নয় বলে চিৎকার করে বেরিয়ে গেল। দেখা গেল সেলিমের বাবা বলছিল এটা আসলে আলীর ছিল।
তার স্মৃতি হিসেবে রেখে দিয়েছে। আলী বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে। মনে হচ্ছে ও আসলে সে জান্নাতের ছোটবেলার বন্ধু। যাকে এতিমখানা থেকে এডাপ্ট করা হয়েছে। অন্যদিকে মেলিসার সেলিম কে ফোন করেছে কিন্তু সেলিম ফোন ধরে নাই। কিন্তু আবার মেলিসার মা-বাবা এবং দাদা দাদি মিলে কথা বলছিল। তারা বলছিল মিলির সাথে এরকম কখনো করে না কেন করল। তখন মিলিসার মা এবং দাদীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল আসলে তাকে বেশি আদর করে মাথায় তুলেছে এইসব বলে। পরবর্তীতে মিলিসার বাবা বলল মিলিসার রাতে বের হওয়া বন্ধ।
পরবর্তীতে মিলিসার মা এবং তার দাদা বলল এই ধরনের শাস্তি দেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু স্যার বাবা বলল তার নিজের মেয়ে সে যেটা বলবে সেটাই হবে। অন্যদিকে সেলিম অফিসে গেল। ফারহান সেলিমকে বলছিল জান্নাত এখনো আসেনি কেন। এটা নিয়ে কি সে তার সাথে কথা বলবে। কিন্তু সেলিম এ বিষয়ে বরণ করল। অন্যদিকে জান্নাতের প্রতিবেশী রুনাপার ছেলে মাছ ধরে এনেছে। আর তারা দুইজন ওই মাছগুলো রান্না করে বিক্রি করবে। তখন সেলিম জান্নাত কে ফোন করেছিল। কিন্তু জান্নাত কিছুতেই ফোনটা ধরল না।
ব্যক্তিগত মতামত
এ পর্বে মূলত দেখতে পেলাম জান্নাত নিজের অপমানের সবকিছু ভুলে গিয়ে একটা নতুন দিন শুরু করল। তবে সে আর ওই অফিসে কাজ করতে গেল না। কিন্তু এই বিষয়ে আসলে কেউ কিছুই জানে না। অন্যদিকে সেলিম আসলেই কিন্তু সেলিম নয়। মূলত সে মেহেদী আর শারমিনের অ্যাডাপটেড সন্তান। তাকে মূলত একটাই এতিমখানা থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে সেলিম কিছুই জানে না। আর এখন তো মনে হচ্ছে সেলিম আসলে আলী। মানে জান্নাতের ছোটবেলার বন্ধু। তবে এই ব্যাপারটা পরবর্তীতে আরো ক্লিয়ার ভাবে জানা যাবে। অন্যদিকে সেলিম জান্নাতকে আসার জন্য ফোন দিচ্ছিল । কিন্তু জান্নাত ফোন রিসিভ করল না। দেখা যাক পরবর্তীতে কি হয়। এই পর্ব টা দেখে আমার কাছে ভালোই লেগেছিল।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
সিরিজটির ট্রেইলার ভিডিও লিংক
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

https://twitter.com/TASonya5/status/1691149457944182784?s=20
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
দারুন একটি সিরিজ রিভিউ করেছেন আপনি এমনিতেই আমি তুরকি সিরিজ অনেক পছন্দ করি অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করার জন্য।
আপনি তুর্কি সিরিজ পছন্দ করেন জেনে খুশি হলাম।
তুর্কী সিরিজ কখনো মোবাইলে টিভিতে দেখা হয়নি আপু দেখার সুযোগ হয়নি। কিন্তু আপনি রিভিউ শেয়ার করেছেন পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। তুর্কী সিরিজ মোবাইলে দেখতে হবে সরাসরি দেখলে হয়তো আরো বেশি আনন্দ পাবো। অনেক ধন্যবাদ রিভিউটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু সরাসরি দেখলে আরো বেশি ভালো লাগবে আপনার কাছে।