রেসিপিঃ নিম পাতা পিঠা।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
উপকরণ
| নং | উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | শুকনো চালের গুড়া | ২ কাপ |
| ২ | পানি | ১কাপ |
| ৩ | লবন | পরিমাণ মতো |
| ৪ | গুড়- | ১০০ গ্রাম |
| ৫ | চিনি | ১/২ কাপ |
| ৬ | সাদা তেল | পরিমাণ মতো |
| ৭ | তেজপাতা | ১-২টি |
| ৮ | দারুচিনি | ১/২ '' |
| ৯ | খেজুর কাটা/টুথ পিক | ১টি |
১ম ধাপ
২য় ধাপ
এরপর কাইটিকে ভাল্ভাবে মেখে একটি ডো তৈরি করে নিতে হবে। এবং সে ডো থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিয়ে নিচের ছবির মতো শেপ দিতে হবে।
৩য় ধাপ
এরপর চিকন করে লম্বা শেপ দেয়া অংশটিকে খেজুর কাটার মতো ডিজাইন করে নিতে হবে। নিচের ছবির মতো
করে। এভাবে সব পিঠা তৈরি করে নিতে হবে।
৪র্থ ধাপ
এরপর একটি কড়াইয়ে পরিমাণ মতো তেল দিতে হবে। তেল কিছুটা গরম হলে পিঠাগুলো তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে তেল যেন বেশি গরম না হয় । তাহলে পিঠাগুলো তাড়াতাড়ি লাল হয়ে যাবে কিন্তু ভিতরে ভাজা হবে না। আর ভালোভাবে ভাজা না হলে পিঠা মচমচে হবে না । যা এই পিঠার বিশেষত্ব।
৫ম ধাপ
পিঠা বানানোর মাঝেই গুড় ও চিনি দিয়ে শিরা তৈরি করে নিতে হবে। শিরা পাতলা হবে ঘন হবে না আবার একতারেরও হবে না।
৬ষ্ঠ ধাপ
পিঠাগুলো ভেজে নিয়ে সাথে সাথেই হাল্কা গরম শিরায় দিয়ে দিতে হবে । কিছুক্ষন শিরায় রেখে তা উঠিয়ে নিতে হবে। আর এভাবে তৈরি করা সকল পিঠা ভেজে শিরায় ভিজিয়ে তুলে নিলাই তৈরি হয়ে যাবে নীম পাতা ফুল পিঠা।
খেতে কিন্তু অনেক স্বাদের ও মচমচে। ট্রাই করে দেখতে পারেন। আশাকরি ব্লগটি আপনাদের ভালো লেগেছে।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
মোবাইল ফটোগ্রাফিঃ স্যামসং এ ১০
ওয়াও আপনি অনেক সুন্দর ভাবে খেজুরের কাঁটা দিয়ে নিম পাতা পিঠা তৈরি করেছেন । আসলেই এমন ধরনের আইডিয়া আগে কখনো মনে পড়েনি ।আপনার পিঠা বানানো দেখে য এটা মনে পরল । পিঠাটাও দেখতে অনেক চমৎকার লাগছে । একদিন তৈরি করে খেয়ে দেখব।
অবশ্যই আপু একদিন তৈরি করে খেয়ে দেখেন । আশা করি ভাল লাগবে। ধন্যবাদ আপু।
শীতকাল আমার প্রচন্ড রকম ভালো লাগে। একদিকে গরমের হাত থেকে রেহাই পেয়ে স্বস্তির জীবন যাপন করা যায়। অন্যদিকে শীতকাল মানেই চারিদিকে পিঠে খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। সেই সাথে রয়েছে টাটকা টাটকা শাকসবজি। যাইহোক আপু, শীতের আগমনে নতুন ধানের আয়োজনে আপনি যে নিম পাতা পীঠা তৈরি করেছেন তা খেতে খুব মজার হবে, রেসিপিটি দেখে বুঝতে পেরেছি। এই পিঠা আগে কখনো খাওয়া হয়নি, তাই একদম নতুন একটি পিঠার রেসিপি দেখে সত্যিই অনেক অনেক ভালো লাগলো। নিম পাতা পিঠা তৈরির প্রতিটি ধাপ সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
জি ভাই খেতে বেশ মজা । আমি চেস্টা করেছি প্রতিটি ধাপ সুন্দর ও সহজ করে দেখাতে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন আপু শীতকাল মানেই পিঠা খাওয়ার ধুম। ভালো করেছেন একটা পিঠার রেসিপি দিয়ে। আমি তেমন পিঠা বানাতে পারি না। আপনার কাছ থেকে নতুন একটা পিঠা শিখে নিলাম। এই পিঠা আমার কাছে একেবারে নতুন লেগেছে। কিন্তু বানানোর পদ্ধতি দেখে মনে হলো খেতে খুব মজা হয়েছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক মুচমুচে হয়েছে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
জি আপু খেতে বেশ মজা। একদিন ট্রাই করেন ।আশা করি ভাল লাগবে।
আমি আগে কখনো এমন পিঠা রেসিপি দেখিনি। আমার কাছে আপনার এই পিঠা অনেক ইউনিক লেগেছে। যেহেতু এই পিঠা শিরায় দেওয়া হয়েছে তারমানে খেতে নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। রেসিপির ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার পিঠা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আমি চেস্টা করেছি ধাপগুলো সহজ করে দেখাতে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
সত্যি বলেছেন আপু শীতকাল মানে হচ্ছে পিঠা পুলির উৎসব। আপনি খেজুরের কাঁটা দিয়ে নিম পাতা পিঠা তৈরি করেছেন,দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে।প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর ভাবে দেখিয়েছেন। দেখি একদিন সময় করে তৈরি করবো। ধন্যবাদ আপনাকে মজার একটি পিঠা তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
একদিন ট্রাই করেন ।আশা করি ভাল লাগবে। ধন্যবাদ আপু।
শীতকাল মানে বাহারি রকম পিঠার উৎসব। নতুন চালের গুড়ো দিয়ে, মিষ্টি মিষ্টি বিভিন্ন রকম পিঠা বানানো হয়। গ্রামের বাড়ি বলতে শীতেরের সময়টাতে বেশ উপভোগ করা যায় সবকিছু। আপনারা নিম পাতার পিঠা দেখে আমার কাছে বেশ লোভনীয় লাগছে। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম নিম পাতা দিয়ে পিঠা বানিয়েছেন, পরে অবশ্য দেখে বুঝতে পারলাম যে নিম পাতার মতো করে পিঠা বানিয়েছে।।
জি আপু গ্রামেই শীতের আমেজ অনুভব করা যায়। ঢাকায়তো এখনো মাঝে মাঝে ফ্যান চালাতে হয়। ধন্যবাদ আপু।
এখন গ্রাম বাংলার প্রতিটি কৃষকের পরিবারের নতুন ধানের বেশ সমাগম আর এই নতুন ধরনের পাশাপাশি শুরু হয়ে যাবে নবান্ন উৎসব। যেহেতু এখন শীতকাল আর এই শীতের সময় নবান্ন উৎসবটা অনেক বেশি জমে যায়। আপনি খুবই চমৎকারভাবে আমাদের মাঝে নিম পাতার পিঠার রেসিপি শেয়ার করেছেন দেখেই চমকে উঠলাম কারণ এ ধরনের পিঠা আগে কখনোই দেখিনি। মজাদার এই পিঠা রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মন্তব্যের জন্য।