স্বরচিত কবিতা : " শীতল অনুভূতি "
হ্যালো বন্ধুরা
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই সুস্থ এবং ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আবারো আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমি সব সময় প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পোস্ট করার চেষ্টা করছি। কারণ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পোস্ট করলে সবার দেখতেও ভীষণ ভালো লাগে। সে অনুসারে আজকে একটি কবিতা লিখতে বেশ ইচ্ছে করছিল। আমি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটা কবিতা লিখেছিলাম। আসলে কবিতা তো লেখা আমার কাছে ভীষণ কঠিন। কারণ আমি মনে করি কবিতা লেখাটা অনেক সময় এবং অনুভূতির প্রয়োজন। যেহেতু আজকে ইচ্ছে করছিল কবিতা লেখার, এইজন্য একটা কবিতা লেখার চেষ্টা করলাম।
আজকে শীতের অনুভূতি নিয়ে লেখার চেষ্টা করলাম। আমি মনে করি শীতকালে আলাদা একটা আমেজের সৃষ্টি হয়। শীতের সকাল টা খুব সুন্দর একটা অনুভূতির সৃষ্টি হয়। শীতের সময় পিঠে পুলির উৎসব পালন করা হয়। বিশেষ করে গ্রামে সকালবেলা নানা ধরনের পিঠে পুলি তৈরি হয়। গ্রামের মানুষেরা নবান্ন উৎসব পালন করে। তাদের জন্য ঈদের আনন্দের মতো সৃষ্টি হয়। শীতের সকালে কুয়াশায় ভেজা ঘাসের উপরে হাঁটতে ভীষণ ভালো লাগে। আমি মনে করি শীতকালে পিঠে খেতে সবাই পছন্দ করে। কিন্তু শহরের মানুষেরা খুব একটা তৈরি করতে পারে না। গ্রামে শীতের অনুভূতি একটু বেশি পাওয়া যায়। সম্পূর্ণ কবিতাটা শীতের আমেজ নিয়ে লেখার চেষ্টা করলাম। আশা করি কবিতাটি আপনাদের ভালো লাগবে।
শীতল অনুভূতি
শীতের সকালে কুয়াশায় ভেজা,
হিমেল হাওয়া বহে।
শিশির পথে হাঁটতে গিয়ে,
শীতল অনুভূতি সহে।
শীতের সকালে ভাপা পিঠার স্বাদে
পাটিসাপটা পিঠার আমেজে।
মন ভরে যায় উল্লাসে।
স্নিগ্ধ হওয়ার অনুভূতি সাজে।
শীতের সকালে মিষ্টির রোদে
গায়ে লাগলে মিষ্টি অনুভূতি।
শিশির ভেজা ঘাসের উপরে,
পা লাগলে শীতল অনুভূতি।
শীতের সকালে রংবেরঙের ফুলে
ছড়িয়ে পড়ে সুন্দর সুঘ্রানে।
শিমুল, পলাশের সৌন্দর্যে
ছড়িয়ে পড়ে সকল মাঠে ঘাটে।
পিঠেপুলি আর নবান্ন ধানে।
গ্রামের সকল মানুষের দ্বারে দ্বারে
মাঠে-ঘাটে শীতল অনুভূতি।
ছড়িয়ে পড়ে সকল ধারে।
শীতের উষ্ণ মৌসুমের অনুভবে।
সকল মানুষের মুখের হাসি।
নবান্ন উৎসব আর পিঠে পুলির ঘ্রাণে
গ্রামের শীতল অনুভূতির খুশি।

পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | কবিতা |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| লেখক | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
তুমি একেবারে ঠিকই বলেছ শীতের সময় আলাদা একটা আমেজের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন রকম পিঠাপুলি নবান্ন উৎসব পালন করা হয়। সকালের মুহূর্তে সেই শিশির ভেজা ঘাসের উপর খালি পায়ে হাঁটতে বেশ ভালো লাগে। পিঠা খেতে কার না ভালো লাগে বিশেষ করে শীতকালে। শীতকাল মানেই তো পিঠাপুলি এবং নবান্নের উৎসব। সত্যি বলেছো গ্রামের মানুষদের জন্য এটি ঈদের মতোই হয়ে থাকে। শীতল অনুভূতি নিয়ে তুমি অসাধারণ একটি কবিতা লিখেছো পড়ে ভীষণ ভালো লেগেছে।কবিতা লেখা যত কঠিনই হোক না কেন যদি আমরা চেষ্টা করি তাহলে অবশ্যই এটি সহজ কাজ হয়ে যাবে। কখনো কোন কাজ থেকে হাল ছেড়ো না দেখবে একদিন অনেক দূর পৌঁছাতে পারবে। ভালো লাগলো তোমার কবিতা পড়ে ধন্যবাদ।
শীতের পিঠা খেতে সবথেকে বেশি ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
অসাধারণ একটি কবিতা লিখেছেন আপু। শীতের সব ধরনের অনুভূতি আপনি তুলে ধরেছেন আপনার কবিতার মাধ্যমে। সত্যি তাই, শীতের সব ধরনের আমেজ নিয়ে লিখার চেষ্টায় আপনি সফল হয়েছেন। ঠিকই বলেছেন আপু, গ্রামের মানুষেরা নবান্ন উৎসব খুব আনন্দের সাথে উদযাপন করে। এই শীতের সকালে আপনার "শীতল অনুভূতি" কবিতা টি পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু চমৎকার একটি কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জ্বী আপু গ্রামের মানুষেরা নবান্ন উৎসব খুব আনন্দের সাথে উদযাপন করে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
কবিতার মাধ্যমে শীতকালের সব দারুন অনুভূতি গুলো তুলে ধরেছেন সেই সাথে প্রতিটা লাইনে ছন্দের মিল রেখেছেন। সকালে ঠান্ডা আবহাওয়ার কথা বলেন আর শীতকালের পিঠার কথা বলেন সবগুলোই তো ভালো লাগে। তবে সব শেষে বলতে চাই কবিতাটা অনেক সুন্দর ছিল এক কথায় আমার মন ছুঁয়ে গিয়েছে।
ঠিক বলেছেন শীতকালে সবকিছুই ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শীত কাল আসলেই পরিবেশের রূপটাই যেন পরিবর্তন হয়ে যায়। শীতের সকালটা অনুভব করা যায় গ্রামে বেশি। গ্রামে এখন অনেক শীত। ঘাসের উপরে জমে থাকা কুয়াশা দেখলে অন্যরকম অনুভূতি জাগে। কবিতার লাইনগুলো ভালো হয়েছে। সুন্দর করে আপনার শীতল অনুভূতি ফুটিয়ে তুলেছেন!
আমারও শীতের সকালের কুয়াশাটা ভীষণ ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
https://twitter.com/TASonya5/status/1608688871142993920?t=3cJSNbnEiAmB-LZ8X414ow&s=19
আপনি কবিতা লিখতে লিখতে খুব ভাল একজন কবি হয়ে যাচ্ছেন। আজও শীত নিয়ে খুব সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন। শীতের সকালের পিঠা, ফুল, অনুভূতি আপনার কবিতায় ফুটে উঠেছে। আমার খুব ভাল লেগেছে কবিতা পড়ে। ধন্যবাদ আপু।
চেষ্টা করছি কবিতা লেখার। আপনার প্রশংসা পেয়ে আরো আগ্রহ বেড়ে গেল।
শীত উপলক্ষে দারুণ একটি কবিতা লিখেছেন। শিতের সকালে মিষ্টি রোদের আলোই বসে পিঠা খেতে দারুণ মজালাগে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের মাঝে শেয়ার করার জন্য।আশা করছি সামনে আরো ভালো ভালো কবিতা উপহার পাবো আপনার কাছথেকে।
আমারও শীতের সকালের রোদে বসে পিঠা খেতে বেশি ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার এই কবিতাটি পড়েই বুঝতে পারলাম যে আপনি শীতের এই উষ্ণ অনুভূতি নিয়ে আমাদের মাঝে এই কবিতাটি শেয়ার করেছেন করে আমার খুবই ভালো লাগলো। শীতকাল মানে যেন এক একজনের কাছে একেক রকম কেউ কেউ শীতকাল অনেক বেশি পছন্দ করে আবার কেউ শীতকালের থেকে গরমকাল অনেক বেশি পছন্দ করে। শীতের সময়টা আসলেই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর হয়ে থাকে কারণ এই সময়ে অনেক মজাদার মজাদার পিঠাপোলের রেসিপি খাওয়া যায়। সেই সাথে সকালবেলা সকলে রোদ্দুরে বসে গল্প করতে করতে অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়ে যায় কিন্তু বোঝাই যায় না যে কখন সময় চলে গেল। এত সুন্দর একটি কবিতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন একেকজনের পছন্দ তো একেক রকম হতে পারে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।