আজকে আমি আপনাদের সামনে একটা নতুন কবিতা নিয়ে আসলাম।এখন আমার কবিতা লিখতে ভালই লাগে মন ভাল হয়।এই কবিতাটি মূলত সেই হারিয়ে যাওয়া পুরোনো দিনের প্রেমকে ঘিরে লেখা, যেখানে ভালোবাসা ছিলো একান্তই হৃদয়ের অনুভব, কোনো রকম বাহুল্য বা স্বার্থ ছাড়াই। তখন প্রেম শুরু হতো একটুখানি চোখে চোখ পড়া দিয়ে, চিঠির মাধ্যমে মনের কথা বলা হতো, আর কদম বা জবা ফুল দিয়ে প্রকাশ পেতো অনুভূতির গভীরতা। স্কুল পালিয়ে দেখা করা, প্রাইভেটের নাম করে দেখা করার মাঝেও ছিলো লুকানো ভালোবাসার রোমাঞ্চ। বাদাম খাওয়ানো কিংবা লাজুক হাসির মধ্যেও ফুটে উঠতো নিঃস্বার্থ টান। সেই সময় একজনকেই সারাজীবন ভালোবাসার অঙ্গীকার করা হতো, ছিলো না আজকের মতো দ্বিমুখিতা, অবিশ্বাস বা কৃত্রিমতা। এই কবিতার মাধ্যমে সেই সুন্দর, সরল, স্নিগ্ধ প্রেমের দিনগুলোকে ফিরে দেখা হয়েছে — যা আজও অনেকের মনে রয়ে গেছে এক টুকরো মধুর স্মৃতি হয়ে।
পুরোনো দিনের প্রেম
জান্নাতুল ফেরদৌস শেলী
আজকে তোমাদের শোনাবো,
সেই পুরোনো দিনের গল্প,
যখন প্রেম ছিলো পবিত্র,
ছিল না আজকের মতো ছল।
চিঠি দিয়ে শুরু হতো কথা,
কখনো পায়ের কাছে গড়িয়ে পড়তো,
স্কুলে যাওয়ার পথে
দূর থেকে একটুখানি চোখ রাখা যেতো।
কখনো পালিয়ে যাওয়া স্কুল থেকে,
শুধু একটুখানি দেখা পেতে,
গোপনে প্রাইভেটের নাম করে,
সেই চেনা রাস্তায় হেঁটে যেতে।
কদম ফুল এনে হাতে দিতো,
ভালোবাসা যেন জবা ফুলের মতো,
কখনো বাদাম কিনে খাওয়াতো,
তৃপ্তি মিলতো ছোট্ট সেই সুখে যত।
একটাকে ভালোবাসতো সারাজীবন,
নতুন কারো খোঁজে চোখ যেত না,
সেই প্রেমে ছিলো ভরসা,
ছিলো না ফাঁকি কিংবা দুনমুনা।
আজ নেই সেই চিঠি, নেই সেই ফুল,
নেই সেই লাজুক চোখের ভুলভাল ভুল,
তবু মনে পড়ে সেই দিন,
যেখানে প্রেম মানে ছিলো নিঃস্বার্থ চিন।
আজকের এই কবিতায় পুরোনো দিনের সেই সরল, সুন্দর আর নিঃস্বার্থ প্রেমের কথা তুলে ধরা হয়েছে যেখানে ভালোবাসা হতো চোখের ইশারায়, চিঠির মাধ্যমে, ফুল দিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে।স্কুল পালিয়ে দেখা, প্রাইভেটের নাম করে সময় কাটানো, কদম আর জবা ফুলের মতো পবিত্র প্রেম—সবকিছুতেই ছিলো আন্তরিকতা ও একাগ্রতা।সেই সময় প্রেম মানে ছিলো একজনকেই ভালোবাসা, সারাজীবনের জন্য।আজকের প্রেমের মতো ছিলো না অসভ্যতা, দ্বিমুখিতা বা অবিশ্বাস।এই কবিতার মাধ্যমে সেই হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার স্মৃতিই তুলে ধরা হয়েছে সহজ ভাষায় ও আবেগ দিয়ে।
এতক্ষণ আমার পোষ্ট মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আজ এখানেই শেষ করছি আবার অন্য কোনদিন নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে উন্মোচিত হব। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

ধন্যবাদ সকলকে✨💖


ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | Redmi note 9 |
| ক্যামেরা.মডেল | note9 |
| কভার ডিজাইন | ক্যানভা |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ। |


আমার পরিচয়
আমি শেলি। আমি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুরে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ে সি এস ই তে অধ্যায়নরত আছি। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকতে ভালোবাসি। নতুন কিছু শিখতে এবং জানতে ভালোলাগে।ঘুরতে আর খেতে খুব ভালোবাসি।অবসর সময় পেলেই ছবি আঁকি। এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, আপনারা সবাই আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে উৎসাহিত করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে। 🌼💖🌼 |
👉সবার প্রতি শুভেচ্ছা এবং পোস্টটি সমর্থনকারী সকল বন্ধুদের বিশেষ ধন্যবাদ।

Posted using SteemX
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
@tipu curate
;) Holisss...
--
This is a manual curation from the @tipU Curation Project.
Upvoted 👌 (Mana: 2/9) Get profit votes with @tipU :)
🎉 Congratulations!
Your post has been manually upvoted by the SteemX Team! 🚀
SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem ecosystem.
🔗 Visit us: www.steemx.org
✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5
https://x.com/JannatulF57996/status/1948813011675980258

https://x.com/JannatulF57996/status/1948813599167914450
https://x.com/JannatulF57996/status/1948814331757691156
বাহ আপনি তো খুব সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন।পুরোনো দিনের প্রেম কবিতাটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। কবিতার মাধ্যমে নিজের সুন্দর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। আর এ ধরনের কবিতা গুলো পড়তে কিন্তু অন্যরকম ভালো লাগে। ধন্যবাদ সুন্দর অনুভূতি দিয়ে কবিতাটি লিখে শেয়ার করার জন্য।
আপনার শেয়ার করা আজকের এই পুরানো দিনের প্রেম নিয়ে এই কবিতা খুবই সুন্দর হয়েছে৷ যেভাবে আপনি আজকের সুন্দর কবিতা তৈরি করে আমাদের শেয়ার করেছেন তা পড়ে অনেক বেশি ভালো লাগছে৷ এখানে এই কবিতা শেয়ার করার মধ্য দিয়ে আপনার কাছ থেকে চমৎকার একটি কবিতা সম্পর্কে জানতে পারলাম৷ এখানে কবিতার মধ্যে আপনি এত চমৎকার কিছু লাইন ফুটিয়ে তুলেছেন যা পড়ে অনেক বেশি ভালো লাগছে এবং এটি পড়ে যেন একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করছে৷