পুরী ভ্রমণ - পর্ব ১২
গত পর্বে কোনারক সূর্য মন্দিরের ঠিক সামনে অবস্থিত ধ্বংসপ্রাপ্ত বিশাল নাট মন্দির নিয়ে লিখেছিলাম প্লাস ফোটোগ্রাফিও শেয়ার করেছিলাম । আজকে মূল মন্দির সম্পর্কে দু'য়েক কথা লিখবো এবং সেই সাথে কিছু ফোটোগ্রাফি শেয়ার করবো । নাট মন্দিরের ভগ্নস্তুপ থেকে বেরিয়ে মূল মন্দিরের ঠিক সামনে দাঁড়ালুম । কী বিশাল প্রস্তর নির্মিত মন্দির । মন্দিরের দেওয়ালের প্রতি ইঞ্চিতে কারুকার্য আর দেব-দেবীর মূর্তি খোদাই করা ।
এই মন্দিরটিও কিন্তু সূর্যদেবের মূল মন্দির নয় । এটি মূল মন্দিরের ঠিক পাশে অবস্থিত, একদম মন্দির সংলগ্ন প্রধান নাটমন্দির । এই নাটমন্দিরে ভোগ-আরতি আর সূর্য বন্দনা হতো । এই মন্দিরের ভেতর দিয়ে মূল সূর্য মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করা যেত । ওখানেই ছিল সূর্যদেবের প্রকান্ড মূর্তি । মূল সূর্যদেবের মন্দিরটির ৯০ ভাগই ধ্বংসপ্রাপ্ত । নিচের ছবিটি দেখুন -
এখানে হলুদ অংশটি যেটা দেখছেন সেটা মূল মন্দির সংলগ্ন প্রধান নাট মন্দির । এটি এখনো বর্তমানে টিকে আছে । আর কালো রঙের যে অংশটির স্কেচ দেখছেন সেটি ছিল মূল সূর্য মন্দির যেটির বর্তমানে ৯০ শতাংশই বিলুপ্ত ।
মন্দিরের সামনে সাতটি প্রকান্ড প্রস্তর নির্মিত অশ্বের মূর্তি রয়েছে যার মধ্যে ৪ টি মূর্তিই ভেঙে একদম টুকরোটাকরা হয়ে গিয়েছে । আর মন্দিরের দেয়ালের নিম্ন প্রান্তে মোট ১২টি স্থানে বারোটি বিশাল প্রস্তরনির্মিত রথচক্র রয়েছে । অসাধারণ কারুকার্যময় এই সব রথচক্রগুলি । এই রথচক্রই হলো কোনারকের বিখ্যাত চক্র । এক একটি রথচক্র আবার এক একটি সূর্য ঘড়ি । ১৪০০ বছর পূর্বে নির্মিত এই সূর্য ঘড়ি এখনো একদম নিখুঁত সময় বলে দিতে পারে ।
আসলে সূর্য মন্দিরটি সূর্যদেবের রথের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে । তাই মন্দিরের নিম্নগাত্রের বারোটি স্থানে মোট বারোটি প্রকান্ড রথচক্র রয়েছে । মন্দিরের সামনে সাতটি প্রস্তরনির্মিত অশ্ব সূর্যদেবের রথের ঘোড়া । এই ৭ টি ঘোড়া সপ্তাহের সাতটি ভিন্ন ভিন্ন দিন আর সূর্যরশ্মির সাতটি রঙের প্রতিনিধিত্ত্ব করে । বারোটি রথের চাকা বছরের বারো মাসের প্রতিনিধিত্ব করে । আর রথচক্রের ২৪ টি কাঁটা একদিনের চব্বিশ ঘন্টার প্রতিনিধিত্ব করে ।
কোনারকের সূর্যমন্দির ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৪০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
প্রকান্ড প্রকান্ড চওড়া পাথরের সিঁড়ি দিয়ে মন্দিরের উপরে উঠতে লাগলাম ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৪০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া প্রকান্ড একটি প্রস্তর নির্মিত অশ্ব মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
মন্দির গর্ভগৃহে ঢোকা সর্বসাধারণের জন্য নিষিদ্ধ বর্তমানে ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
অনেকটা দূরে মন্দির প্রাঙ্গনের প্রান্তসীমায় প্রকান্ড দু'টি প্রস্তরনির্মিত হস্তী মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৫০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
মন্দিরের সাইড ভিউ ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৫০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
এই অশ্ব মূর্তিটি প্রায় আস্ত রয়েছে ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৫৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
কোনারক সূর্য মন্দিরের সুবিখ্যাত চক্র ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০২ টা ০০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
পরিশিষ্ট
আজকের টার্গেট : ৫৫৫ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 555 trx)
তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৪
টাস্ক ৪৭৬ : ৫৫৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫৫৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : dd0d71855f20eb0d5934ab0182876a39b599951103c334cef2486cd9f661824d
টাস্ক ৪৭৬ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR
















প্রতিদিনকার মতন আজকেও এসে গেলুম একটি NFT আর্ট নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আমার আজকের NFT আর্টটি গতকালকের মতো একটি সানরাইজ এর ডিজিটাল আর্ট ।
সূর্যোদয়ের ঠিক মুহূর্তে আকাশ, সূর্য আর প্রকৃতি এক অপরূপ বর্ণ ধারণ করে । এখানে সূর্যের আর্টটিতে একটু ম্যান্ডেলা আর্টের ছোঁয়া দেওয়ার চেষ্টা করেছি । মূলতঃ সূর্যোদয়ের মুহূর্তে আকাশ আর প্রকৃতিতে যে বিভিন্ন রঙের খেলা হয় সেটাই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি এই আর্টে ।
NFT ART
magical sunrise in vibrant colors
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
দাদা পুরী ভ্রমণ বারোতম পর্ব দেখে রীতিমত অবাক হচ্ছি। দেয়ালের কারুকার্য সবাইকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। ঐ সময় এত সুন্দর নিখুঁত কাজ কিভাবে করা হয়েছে। আর কত সময় লেগেছে। জায়গাটাতে অনেক পর্যটক দেখা যায়। এসব জায়গাতে ঘুরলে অনেক তথ্য জানা যায়। ধন্যবাদ দাদ।
দাদা মন্দিরের দেয়ালে এমন নিখুঁত কারুকাজ এবং দেব-দেবীর মূর্তি খোদাই করা দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। কতো নিখুঁতভাবে কাজ করেছেন আগের দিনের শিল্পীরা,সেটা ভাবতেই অবাক লাগে। ফটোগ্রাফিতে দেখেই বুঝা যাচ্ছে মন্দির কতো বড়,সামনাসামনি তো আরও অনেক বড় লেগেছিল তাহলে। কালো রঙের স্কেচ এর মূল সূর্য মন্দিরের ৯০ শতাংশ বিলুপ্ত না হলে,পর্যটকরা আরও বেশি উপভোগ করতে পারতেন।
এতো পুরনো সূর্য ঘড়ি এতো নিখুঁত সময় বলে দিতে পারে, এটা শুনে যে কেউ অবাক হয়ে যাবে। প্রতিটি ফটোগ্রাফি চমৎকার ভাবে ক্যাপচার করেছেন দাদা। সবমিলিয়ে পোস্টটি বেশ উপভোগ করলাম। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
Que increíble lugar para ir de vacaciones.
Excelentes fotos.
Gracias por compartir
এত পুরনো একটি মন্দির দেখে সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে দাদা। নিখুঁত কারুকার্য আর ডিজাইন সবকিছুই একেবারে মনোমুগ্ধকর। এত সুন্দর কোন জায়গায় ঘুরতে গিয়ে ফটোগ্রাফি করতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। আর পুরনো দিনের সব ভাস্কর্যগুলো দেখেও অনেক ভালো লাগে। দাদা আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লেগেছে।
This is another quality post you have made @rme Dada of the puri trip.
The puri trip is contained with so many fascinating things, thank you for sharing with us Dada ❤️❤️
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
কোনারক সূর্য্য মন্দিরের ভাস্কর্য আমাকে যেমন অবাক করেছে তেমনি আরেকটা বিষয় আমাকে খুব অবাক করেছে সেটা হলো সেই সময়ের বুদ্ধিমত্তা। সপ্তাহের সাত দিন, বারো মাস, চব্বিশ ঘন্টার কথা মাথায় রেখে মন্দির বানানো, জাস্ট অসাধারণ।
Picture gulo onk informative and nostalgic dada. History somporke onk kisu janlam. Thanks Dada.