ফোটোগ্রাফি সিরিজ : "কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শন" - পর্ব ০২
দেখতে দেখতে এসে গেলো আমার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শনের দ্বিতীয় পর্ব । কক্সবাজার সী বীচের থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের হাঁটা পথ এই অ্যাকোয়ারিয়ামটি । প্রায় দু'শো প্রজাতির বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণী রাখা আছে এই অ্যাকোয়ারিয়ামে । আমাদের পুরোটা ঘুরে দেখতে এক ঘন্টারও বেশি সময় লেগে গিয়েছিলো ।
দুপুরের খাওয়ার সময় হয়ে যাচ্ছিলো বলেই খুব দ্রুত আমরা অ্যাকোয়ারিয়ামটি ঘুরে দেখেছিলাম । হাতে সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে দেখতে পারিনি । শুধু দৌড়ের ওপর ছিলাম । এক একটা অ্যাকোয়ারিয়ামের সামনে বড়জোর আট-দশ সেকেন্ড ছিলাম । ওই টুকু সময়ের মধ্যে দেখা, ওই টুকু সময়ের মধ্যেই ছবি তোলা ।
তবে, বেশি আকর্ষণীয় অ্যাকোয়ারিয়ামের সামনে রেয়ার কোনো ক্রিয়েচার দেখতে পেলে একটু বেশি সময় কাটাচ্ছিলাম তার সামনে । এই অ্যাকোয়ারিয়ামে অসংখ্য ক্ষুদে সামুদ্রিক জলজ প্রাণী থেকে শুরু করে বিশালকায় পূর্ণ বয়ষ্ক হাঙর, কচ্ছপ এবং স্টিং রে ছিল ।
এক ধরণের ক্ষুদে কচ্ছপ দেখে দারুন ভালো লেগেছিলো আমার । সামুদ্রিক এই কচ্ছপ প্রজাতিটি এতটাই খুদে হয় যে একটা পূর্ণবয়স্ক পুরুষ কচ্ছপের আকার একটি পাঁচ টাকার কয়েনের সমান ।
আর দেখেছিলাম কোরাল এট্যাল (প্রবাল) আর অসংখ্য সামুদ্রিক রঙিন মাছ যারা এই প্রবালের রাজ্যে বাস করে ।ছোটবেলায় কত দেখেছি এদের ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে তার ইয়ত্তা নেই । আজ একদম সামনে থেকে খালি চোখে দেখার অনুভূতিটা মারাত্মক রকম সুন্দর ছিল ।
রঙিন মাছের চৌবাচ্চা । এখানে দর্শনার্থীরা মাছেদের খাবার খাওয়াতে পারে ।
তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩
সময় : সকাল ১১ টা ২৫ মিনিট
স্থান : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, বাংলাদেশ ।
এই মাছ দু'টিকে আমি খাবারের লোভ দেখিয়েছিলাম । হা : হা: । পরে অবশ্য তাদের খাবার দিয়েছিলাম । বাট, আগে লোভ দেখিয়েছিলাম কিছুক্ষন ধরে ।
তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩
সময় : সকাল ১১ টা ২৫ মিনিট
স্থান : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, বাংলাদেশ ।
ছবি ওঠার জন্য পোজ দিচ্ছে মনে হলো ।
তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩
সময় : সকাল ১১ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, বাংলাদেশ ।
এটি একটি চিতল মাছ । এটি মূলত ফ্রেশ ওয়াটার মাছ, তবে সমুদ্র ও নদীর সংযোগস্থলেও (মোহনায়) এটি মেলে ।
তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩
সময় : সকাল ১১ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, বাংলাদেশ ।
রক লবস্টার । বিশাল আকৃতির এই চিংড়ি পাওয়া যায় সমুদ্রে । এরা লবনাক্ত জলের প্রাণী ।
তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩
সময় : সকাল ১১ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, বাংলাদেশ ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
পরিশিষ্ট
আজকের টার্গেট : ৫১০ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 510 trx)
তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৩
টাস্ক ২২৩ : ৫১০ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫১০ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : 39e6786db2fb68b1933e63dc66bc5efd55f0dbd4b51f0c806c19c27b789771a2
টাস্ক ২২৩ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR












দাদা নমস্কার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শনে দ্বিতীয় পর্ব৷ আগের পর্ব টিও দেখেছিলাম ৷ তবে আজকের পর্বেও নানা প্রজাতির মাছ দেখলাম ৷ তবে অবাক হলাম অ্যাকোয়ারিয়ামে প্রায় দুই-শো প্রজাতির মাছ যা আপনি খুব অল্প সময়ের মাঝে দেখেছেন ৷ যা হোক অনেক ভালো লাগলো বিভিন্ন রকম মাছের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ৷ তবে সামুদ্রিক চিংড়ি মাছের ছবিটি অন্য রকম মনে আমাদের সাধারন চিংড়ি মতো নয় ৷
সর্বোপরি পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা ৷
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
পর্ব ০২: মেরিন অ্যাকোয়ারিয়ামের পরিদর্শন
কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের একটি জনপ্রিয় আকর্ষণ হলো মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম। এটি একটি সমুদ্র প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির সমুদ্র জীবন দেখা যায়। মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম সমুদ্র প্রাণী ও সমুদ্র বাসবাসিন্দরা সংক্রান্ত জ্ঞান ও সচেতনতা বাড়ানোর জন্য একটি শিক্ষামুলক স্থান।
মেরিন অ্যাকোয়ারিয়ামে এসে পরিদর্শন শুরু হলে মিঠু অবাক হয়ে গেল। সে পরদিন থেকে সমুদ্র প্রাণীদের সাথে আবদ্ধ হয়ে যেতে পারল না। সে আশ্চর্যজনক দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গেল। মেরিন অ্যাকোয়ারিয়ামে বিভিন্ন রঙের সমুদ্র প্রাণী ছিল, যারা পানিতে মধুর চল নিয়ে পূর্ণিমার চাঁদের মত দেখতে ছিলেন। এর মধ্যে বান্দার, সিংহ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শন" - পর্ব ০২ খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। অবশ্য ইতি মধ্যে এর প্রথম পর্ব ও আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার পোস্টটি পড়ে জানতে পারলাম যে এই এ্যাকুরিয়ামে প্রায় ২০০ প্রজাতির নানা রং এর মাছ রয়েছে। আর এখানের মাছ গুলো ভিন্ন প্রজাতির দেখেই বুঝা যাচ্ছে। ধন্যবাদ দাদা।
কক্সবাজার সী বীচের থেকে মাত্র ৫ মিনিটের পথ এই অ্যাকোয়ারিয়ামটি। জেনে অবাক হলাম দাদা প্রায় দুইশত প্রজাতির বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণী রাখা হয়েছে এখানে। ভাবা যায় দেখতে এক ঘন্টার উপরে সময় লেগেছে আপনাদের। আপনি যে খুব মজার একটা মানুষ তা আবারো প্রমাণ করলেন। সেটা হল মাছকে মিছে মিছে খাবারের লোভ দেখানো দেখে। এত কম সময়ের মধ্যে এগুলো অ্যাকোয়ারিয়াম টি দেখা এবং ছবি তোলা অনেক কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার ছিল। তবে মাছগুলো দেখতে খুবই সুন্দর ছিল।
কথাটা আপনি ঠিকই বলেছেন দাদা এই মাছটির ভাব দেখে তেমনটাই মনে হচ্ছিল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ দাদা, না দেখা জিনিস গুলো আপনার ফটোগ্রাফির মধ্য দিয়ে দেখতে পেলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শুভকামনা রইল।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
বেশ উপভোগ করলাম ভাই, মেরিন অ্যাকোয়ারিয়ামের রঙ্গিন মাছের ছবি গুলো। তবে ক্ষুদ্র কচ্ছপ এখন পর্যন্ত দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার, তবে আগ্রহ জন্মালো দেখার।
বেশ কয়েকবার কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছি কিন্তু এই জায়গাটি আমার এখনো ভ্রমণ করা হয়নি।।
জেনে অবাক হলাম যে এখানে প্রায় 200 প্রজাতির মাছ রয়েছে।।
আপনার ফটোগুলো থেকে আজকে বেশ কয়েক প্রজাতির মাছের দৃশ্য দেখলাম খুবই ভালো লাগলো।।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শন ও খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। এখানে আমিও ভ্রমণ করেছে, সত্যি কক্সবাজার গেলে এই মাছের দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে আমার। আপনি খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন চিতল মাছ ও চিংড়ি মাছের ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। এত সুন্দর ভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.