আমার বাংলা ব্লগ //আমার শখের কবুতরের কিছু ফটোগ্রাফি 🕊️
আসসালামুয়ালাইকুম/আদাব 🤝
আমার প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।আমি @mahfuzur888,বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে।
কবুতর আমার একটি শখের প্রাণী। ছোটবেলা থেকে কবুতর পালন আমার খুব শখ ছিল। আমার ছোট চাচ্চু কবুতর পালন করতেন তার দেখে আমার এই সখটা জাগ্রত হয়। কিন্তু ছোটবেলায় পড়াশোনার চাপে এবং পড়াশোনার মাঝেই আমার চাকরি হওয়ার জন্য সেই শখটা আর পূরণ হয়নি। মনের মধ্যে পুষে রাখা সেই ছোটবেলার সখটি অবশেষে চাকরি শেষ করে পূরণ করতে চলেছি। আমি ছোট্ট একটা কবুতরের লফ্ট দিয়েছি। এবং সেখানে আমি কিছু বিদেশি রেসার জাতীয় কবুতর উঠিয়েছি। সেই সাথে কিছু দেশি কবুতরও রয়েছে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে কবুতর পালনের সেই অনুভূতি থেকেই কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করছি।
এটা হলো কালো রেসার কবুতর। এটা একটা নর কবুতর।এটাকে আমরা ব্লাক ডায়মন্ড বলে থাকি এটার ব্লাড লাইন হচ্ছে ডলি লাইনের।এই নর টা প্রচন্ড পরিমাণে রাগী। এ নর টা বেবিদের খুব যত্ন করে।
এখানে ব্লাক ডায়মন্ডের একজোড়া নর এবং মাদি কবুতর এটা আমার খুবই পছন্দের এবং প্রিয় একজোড়া কবুতর। এরা যখন ডিম দেয় তখন অপরিচিত যদি কেউ ডিমে হাত দিতে লাগে তাহলে তার হাতে প্রচন্ড জোরে আঘাত করে। এই লাইনের কবুতরগুলো ৪০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে ছেড়ে দিলে অনায়াসে চলে আসে তার নিজের ঠিকানায়।
এটা একটা কিটেল নর কবুতর। এর ব্লাডলাইনটা হচ্ছে নেদারল্যান্ডের জনসনের। এই নর টাকে যখন আমি খাবার দিতে যাই তখন এই নর টা সুন্দর করে আমার হাতের উপর এসে খাবার খায়। তখন আমার অনেক ভালো লাগে।
এটা একটা মাকসি মাদি কবুতর। এটা নেদারল্যান্ডের পাইথন লাইনের কবুতর। এটাও দূরপাল্লার একটা কবুতর প্রায় ৪০০থেকে ৫০০ মাইল দূরে ছেড়ে দিলে অনায়াসে তার নিজ ঠিকানায় চলে আসে।
এখানে মূলত আমি আমার কিটেল সবজি এর নর এবং পাইথন মাকসি এর মাদি পেয়ার করেছি।ভিন্ন দুই লাইনের কবুতর পেয়ার করলে একটা ভালো মানের বেবি পাওয়া যাবে। যে বেবি দ্বারা রেস করলে অন্তত ১থেকে ১০ এর মাঝে ফলাফল পাওয়া যাবে। আর এই ভালো ফলাফলের আশায় এরকম পেয়ার করেছে।
এটা একটা চকো রেসার নর কবুতর।
এটা একটা চকো রেসার মাদি কবুতর।
এখানে আমি একই লাইনের দুটো কবুতর পেয়ার করেছি। ইরা মূলত মধ্যম দূরত্বের একটা কবুত। ২০০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে ছেড়ে দিলে এরা ভালো রেজাল্ট করে।
- স্থান:সিরাজগঞ্জ ,বাংলাদেশ।
অবস্থান
আজকে আপনাদের মাঝে আমার কবুতরের ফটোগ্রাফি গুলা শেয়ার করতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। এই কবুতরের সাথে আমার প্রতিদিন অনেক সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত পার হয়। সেই মুহূর্তগুলো আমি আনন্দের সাথে উপভোগ করি। পরবর্তীতে আমার লফ্টটে আরো কিছু কবুতর উঠাবো। সেই কবুতরগুলো পরবর্তীতে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ইনশাআল্লাহ। ।আজকে এখানেই শেষ করছি, আবারও আমার কবুতরের আপডেট ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব ইনশাআল্লাহ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | ফটোগ্রাফি। |
| মডেল | এম ৬২ |
| ক্যাপচার | @mahfuzur888 |
| অবস্থান | রাজশাহী- বাংলাদেশ |

ভাই আপনার কবুতর পালন করার দৃশ্যগুলো দেখতে পেয়ে সত্যিই আমার খুবই ভালো লাগছে। আসলে আমিও কবুতর পালন করছি, আপনার কবুতরগুলোর ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো। বিশেষ করে চকো রেসার কবিতার গুলো দেখে আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। আশা করছি আপনার এই কবুতর পালন করার দৃশ্য আবারো আপনাদের মাঝে আপডেট শেয়ার করবেন।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
পাখি পালন করা আসলেই খুবই বড় ধরনের একটা শখের বিষয়। যদিও আমার কবুতর নেই তারপরও পাখি পালন করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আপনার কবুতর গুলো দেখে ভালো লাগলো আর সব থেকে বেশি ভালো লাগলো এটা জেনে যে এগুলো এত দূরে ছেড়ে দেবার পরেও নিজের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়।
আপনার শখের কবুতরের ফটোগ্রাফি গুলো বেশ চমৎকার হয়েছে। প্রতিটি কবুতরের সৌন্দর্য আপনি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপনার শখের কবুতরের কিছু ফটোগ্রাফি। আপনার শেয়ার করা কবুতরের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার কাছে বেশ অসাধারণ লেগেছে। আসলে আমিও বেশ কবুতর প্রেমে একজন মানুষ। আমি অনেক ছোটবেলা থেকেই অনেক ধরনের কবুতর পালন করছি। আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লাগে সিরাজি কবিতার গুলো দেখতে। আপনার শেয়ার করা ইট কালারের কবুতরগুলো আমার কাছে বেশ অসাধারণ লেগেছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
যাক ছোটবেলার শখ তাহলে না বড় হয়ে পূরণ করতে পেরেছেন দেখে ভালো লাগলো। আর বড় হওয়ার পর যে সেই সব আপনার রয়ে গেছে তাই তো অনেক। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের কবুতরের সংগ্রহ করেছেন দেখছি। কবুতর খুব দ্রুত পোষ মানে। কিন্তু এত দূরে ছেড়ে দিলেও ফিরে আসতে পারে জেনে অবাক হলাম। ভালো লাগলো গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পেয়ে।
আপনার চাচার কবুতর পালন দেখে কবুতর পালনের ইচ্ছে এবং পালন শুরু করেছেন চাকুরি শেষে।আসলেই কবুতর মানুষের শখের প্রানী।আমারও ভীষণ সখ কবুতর পোষার।আপনার দেখছি অনেক প্রকারের কবুতর রয়েছে। সব থেকে ভালো লেগেছে ব্লক ডায়মন নামটি।ধন্যবাদ ভাইয়া নানান প্রজাতির কবুতরের ফটোগ্রাফি ও বিবরণ দিয়ে আজকের পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
খুবই চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে আপনার সখের কবুতরের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। কবুতর পোষা আমার অনেকটাই শখ ছিল কিন্তু বাসায় না থাকার কারণে সেটা আর পূরণ করা হয়নি। খুবই সুন্দর কিছু কবুতরের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখছি কবুতরগুলো মনে হচ্ছে অনেক মোটা তাজা। ধন্যবাদ আমাদের মাঝে চমৎকারভাবে শেয়ার করার জন্য।
কবুতর আমার খুব পছন্দের। কবুতর পালন করা আমারও বেশ শখের। আমার আট জোড়া কবুতর রয়েছে। কবুতর দেখতে খুবই ভালো লাগে। আপনার কবুতরের ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো। বিভিন্ন রকমের কবুতর সংগ্রহ করেছেন বেশ ভালো হলো। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই ।