গানের আড্ডা
যেহেতু দীর্ঘ প্রায় দু সপ্তাহ পরে বাসায় ফিরেছি, তাই বাসায় এসেই খুব একটা ঘরের ভিতরে মন টিক ছিল না। সন্ধ্যাবেলার পরে চেষ্টা করেছিলাম বৃষ্টিচাকী বৌদির বাসায় যাওয়ার জন্য। হয়তো সেটা আন্তরিকতার জন্য। তাছাড়া কিছুটা দুর্বলতা তো আছেই।
বহুদিন থেকেই ভাবছিলাম যাব, তবে সেভাবে যাওয়া হয়ে উঠছিল না। অতঃপর সেদিন সন্ধ্যা বেলার দিকে সদ্য কেনা উকুলেলে ঘাড়ে নিয়ে চলে গেলাম তার বাসায়। তার মেয়ে দুটো বড্ড লক্ষ্মী, ভারী সুন্দর গান গায়।
আমি হয়তো ঠিকঠাক মতো গানটা শিখে উঠতে পারিনি, তবে দুর্বলতা বড্ড কাজ করে। গুনগুন করে গান গাওয়ার স্বভাব বড্ড পুরনো। যদিও আমার আগেই হীরা গিয়েছিল সেখানে, তবে আমাকে হঠাৎই যখন তারা দেখেছে, তখন তারাও বেশ খুশি হয়ে গিয়েছিল।
আমি ইচ্ছে করেই সবার মাঝে দূরত্ব বজায় রাখি, কেননা চাই সম্পর্ক গুলো যাতে মলিন না হয়। প্রাণবন্ত থাকুক প্রতিনিয়ত এই প্রত্যাশাই ব্যক্ত করি আমার জায়গা থেকে। আমি এটা বিশ্বাস করি, দূরত্বই বাঁচিয়ে রাখে সম্পর্কের আসল গুরুত্ব।
আমার খুব স্বল্প আবদার, এক কাপ দুধ চা। পেয়েও গেলাম তা, চেষ্টা করছিলাম সবার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য। বৌদির জন্য সর্বদাই শ্রদ্ধা জাগ্রত হয়, ভদ্রমহিলা শুধুমাত্র নিজের মেয়েদের পড়াশোনার জন্য এখনো এই জায়গাটায় রয়ে গিয়েছে। হয়তো আর কিছুদিন পরেই তার বড় মেয়ের পরীক্ষা শেষ হলেই, বৌদি নিজেও এখান থেকে চলে যাবে। তবে যেখানেই যাক না কেন, ভুলে না গেলেই হবে।
যেহেতু নতুন উকুলেলে নিয়েছি, তাই সেটা বাজানোর জন্য হাতটা আমার কেমন কেমন করছিল। অতঃপর নিজের মতো করে গাইতে শুরু করলাম, আর মুহূর্তেই গলা মিলালো হীরা আর বৌদির দুই মেয়ে। আড্ডাটা যেন জমে গেল মুহূর্তেই, এই শীতের সন্ধ্যেতে ভালোই চলছিল আমাদের আড্ডাটা।
নিজের কাছে নিজেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, এমন একটা মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে। কেননা নিজে উকুলেলে বাজাচ্ছিলাম আর সঙ্গে গলা মেলাচ্ছিল শায়ানের আম্মু। এর থেকে বড্ড প্রশান্তির আর কি হতে পারে। সব মিলিয়ে সেদিনের সন্ধ্যাটা ছিল আসলেই মনে রাখার মত।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1749012735860621640?t=uIoLk3_twm-5cKtsjWbWAQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বৃষ্টি চাকী দিদির বাসায় আপনারা স্বপরিবারে উপস্থিত হয়ে দারুণ একটি সন্ধ্যা কাটিয়েছেন যেনে ভালো লাগলো। এভাবে পরিবারের সাথে পরিবারের সম্পর্কগুলো আরো দৃঢ় হোক। আপনাদের দু"পরিবারের সবার জন্য শুভ কামনা।আপনার উকুলেলে বাজানোর সঙ্গে গলা মেলিয়েছেন শায়ানের আম্মু, আমদের আপু, আসলেই বড্ড প্রশান্তির। ধন্যবাদ ভাইয়া, পোস্টটি শেয়ার দেয়ার জন্য।
এটা ঠিক বলেছেন আপু, আসলেই প্রশান্তির ব্যাপারটা একটু অন্যরকম, যখন নিজের মানুষ সঙ্গে গান গায়।
শুভ দাদা আপনি মানুষটা বড় মিশুক ৷ সবার সাথে এতো সহজে মিশে যান সত্যি আমার কাছে ভালো লাগে বিষয়টা ৷ যা হোক বৃষ্টি চাকি বৌদিদের বাসায় গানের আড্ডা টা দারুন ছিল দেখে বোঝা যাচ্ছে ৷ আর ভাবিও গান এখন ভালোই পারে ৷
সর্বোপরি সবার জন্য শুভকামনা অবিরাম ৷
অসংখ্য ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ৷
তোমাদের ভালোবাসায় সিক্ত ভাই আমি, শুভেচ্ছা রইল।
ভাইয়া আমরা দারুণ একটি মুহূর্তের সাক্ষী হলাম। সত্যি ভাইয়া এই দারুন মুহূর্তটা দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল। আসলে সবাই মিলে এভাবে গান করা সত্যি অনেক আনন্দের। যদিও গান গাইতে পারি না তবে আপনাদের গান গাওয়ার মুহূর্ত গুলো দেখে অনেক ভালো লেগেছে ভাইয়া। 😍😍
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আপু, আপনার মন্তব্যের জন্য। শুভেচ্ছা রইল ।
পুরো জমে গিয়েছিল আসরটা দেখছি! বর্ষাচাকির গানই বরাবরই দারুণ হয়। সবাই মিলে সুন্দর করেই গেয়েছেন। বর্ষাচাকির সামনে এস এস সি পরীক্ষা, তার জন্য দোয়া রইল। তবে বৃষ্টিচাকি আপুরা বাসা পরিবর্তন করলে হয়তো সেভাবে আর চাইলেই যাওয়া হবে না আপনার। কিন্তু কাটানো মুহূর্ত গুলো ঠিকই রয়ে যাবে।
বর্ষা আসলেই ভালো ফলাফল করুক, এমনটা প্রত্যাশা আমিও ব্যক্ত করছি।
এই শীতের সন্ধ্যায় চারজন চমৎকার শিল্পী একসাথে হলে যে আড্ডাটা জমে পুরো ক্ষীর হয়ে যাবে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গান গাওয়ার সময় কেউ যদি গলা মেলায় তাহলে ভীষণ ভালো লাগে এবং গান গাওয়ার আগ্রহ অনেকাংশে বেড়ে যায়। তখন গলা ছেড়ে গান গাইতে ইচ্ছে করে। নতুন উকুলেলে হাতে থাকলে তো বাজাতে ইচ্ছে করবেই ভাই। নিঃসন্দেহে আপনারা দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন। সবমিলিয়ে পোস্টটি বেশ উপভোগ করলাম ভাই। যাইহোক এতো চমৎকার মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
একদম ঠিক বলেছেন ভাই, যে চারজন মিলে আমরা বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছি সেদিন সন্ধ্যাবেলাতে।