সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একদিন
11-11-2023
২৭ কার্তিক , ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো ও সুস্থ্য আছেন। আসলে এই সময়টাতে একটু সাবধানে থাকাই ভালো। কারণ হসপিটালগুলাতে গেলেই বুঝা যায় কত ধরনের রোগী আসে সেবা নিতে। দিনশেষে সুস্থ্য থাকাটা সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ! আমি গত কয়েকমাস ধরে অসুস্থ আপনারা হয়তো জানেন। আসলো কম্পোর্টেবলি শুইতে না পারলে কি ভালো লাগে বলেন! সারাদিন ভালো যায় আমার, যখনই রাতে ঘুমাতে যায় তখনই সমস্যাটা বেড়ে যায়। একপাশ হয়ে শুইতে হয়। নাড়াচাড়া একদমই করতে পারি না আসলে। এই পর্যন্ত দুজন ডাক্তার দেখিয়েছি, সে অনুযায়ী টেবলেটও খেয়েছি। কিন্তু কাজের কাজ হলো না। এই বয়সে যদি এমন অবস্থা হয়ে যায়! আরও তো বছর পরে রয়েছে। সামনের দিনগুলো কিভাবে যাবে সেটাই ভাবছি।
আসলে আমরা এখন এতোটাই দূর্বল যে, কোনো একটা অসুখ যদি হয়ে বসে তাহলে সেটা সারতেও সময় লাগে! এখনকার সময়ের তরুণরাও অনেক দূর্বল আসলে। আমার কথায় বলি, আমি আসলে অল্পতেই বেশি টেনশন করে ফেলি। এটা আমার উইক পয়েন্ট বলতে গেলে। অতিরিক্ত টেনশন করা এটা শরীরের জন্য খুবই খারাপ বলতে গেলে। প্রেসার আপ ডাউন করে মাঝে মাঝে। গত শুক্রবারে কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদে গিয়েছিলাম নামাজ আদায় করতে। তারপর সেখান থেকে মামার বাসায়ও গিয়েছিলাম।
শুক্রবারে মামা ও মামী দুজনই বাসায় থাকে। মূলত গিয়েছিলাম মামীর সাথে দেখার করার জন্য! কারণ উনি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের প্রধান হিসাব রক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। সে হিসেবে অনেক ডাক্তার সম্পর্কে জানে। আমার প্রবলেমটা ব্যথাজনিত, মাসলস পেইন! সে হিসেবে নিউরোলজি স্পেশালিষ্ট কাউকে দেখালেই ভালো হবে। মামীর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে ডাঃ হাবিবুর রহমান নামে একজন ডাক্তার আছেন, যিনি নিউরোলজি স্পেশালিষ্ট ! তো গত সপ্তাহেই ডাক্তার দেখানোর কথা ছিল। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আর যাওয়া হয়নি।
এদিকে ব্যথাটা বাড়ে আবার কমে। গত কয়েকমাস ধরেই টেবলেট খাচ্ছি। এ কয়দিন ইচ্ছে করেই টেবলেট খায়নি। কিন্তু পরে দেখি ব্যথাও বাড়ছে। আসলে পেইন কিলার জাতীয় ঔষধ সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলতে গেলে! এজন্য আমি তেমন আগ্রহ দেখায় না পেইন কিলার জাতীয় টেবলেট খেতে। তবে বেশি ব্যথা হলে না খেয়েও থাকা যায়না। কিন্তু এভাবে আর কতদিন খেতে থাকবো। একটা ব্যবস্থা করা দরকার। তাই বাধ্য হয়েই আজ কিশোরগঞ্জ গেলাম। নান্দাইলে অবশ্য এক্সরে করিয়েছিলাম সেগুলোর রিপোর্ট নিয়েই গেলাম।
আমাদের বাড়ি থেকে অটো দিয়ে যাওয়া যায় কিশোরগঞ্জ! আবার বাসা বা সিএনজি দিয়েও যাওয়া যায়। অটো দিয়ে গেলে আসলে গ্রামের আশেপাশের সবুজ শ্যামল প্রকৃতি দেখতে পারি এজন্য ভাড়ার টাকা বেশি হলেও অটো দিয়ে যাতায়াত করতে ভালো লাগে। অটো দিয়ে সোজা চলে গেলাম বাকচান্দা বাজারে সেখান থেকে আরেক অটো করে সোজা কিশোরগঞ্জ বটতলা চলে গেলাম। সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আসলে যশোদল পরেছে। একটু শহর থেকে বাহিরে বলা যায়। এর আগেও কয়েকবার এসেছি এই হসপিটালে! আগে যখন আসতাম তখন মানুষজন তেমন আসতো না। আর এখন এই হসপিটালেই বেশি আসে চিকিৎসা সেবা নিতে।
মামীর অফিস দুতলায়! হাসপাতাল আসলে বিশাল এরিয়া জুড়ে। দুতলায় গিয়ে মামীকে অফিসে পেয়ে গেলাম। গিয়ে দেখতে পেলাম প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করছে। কাজ শেষ হলে তারপর বললাম ডাক্তার দেখানোর কথা! সরকারি হাসপাতালে ১০ টাকার টিকেট সংগ্রহ করে ডাক্তার দেখাতে হয়। মামী যেহেতু এ হাসপাতালেই চাকরি করে সে হিসেবে ফ্রিতেই একটি টিকেট নিয়ে নিলাম। ১০০২ নাম্বার রুমে বসা ছিল ডাঃ হাবিবুর রহমান স্যার! গিয়ে দেখতে পেলাম ভালোই ভীড় সেখানে। আসলে হসপিটালের ভিতরেও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা রয়েছে! ফোন টাকা সবসময় সাবধানে রাখতে হয়। কখন যে আপনার ফোন, টাকা নিয়ে যাবে টেরই পাওয়া যাবে না। এজন্য ফোন আমি আসলে তখন বের করেনি।
আমার সিরিয়াল আসতেই রুমের ভিতরে গেলাম। আমার কি কি সমস্যা হয় সবকিছু খুলে বললাম! আমি বলার আগেই ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখে ফেললো! সাথে বেশ কিছু টেস্ট দিয়েছে। সেগুলো করা হয়নি। তবে যে ঔষধগুলো দিয়েছে সেগুলো খেয়ে দেখি এখন কেমন হয় অবস্থা! তারপর ডাক্তার দেখিয়ে সোজা বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে এলাম।
| Device | Oppo A12 |
|---|---|
| Photogrpher | @haideremtiaz |
| Location | w3w |
10% beneficary for @shyfox ❤️
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। সম্প্রতি আমি ইলেকট্রিক্যাল থেকে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছি। এখন বিএসসি এর জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছি। পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত দু বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। যাক,
নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,ব্লগিং,কুকিং,রিভিউ,ডাই ইত্যাদি করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
twitter share link