তরমুজের জুস তৈরি করুন খুব সহজেই।
বৈশাখের প্রচন্ড গরমে এক গ্লাস মজাদার তরমুজ জুস হলে কেমন হয় বলুনতো?? অবশ্যই খুব ভালো হয়।
তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তরমুজের জুসের তুলনা নেই। আর এই সময়ের রসালো ফল তরমুজ। দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও অনেক মজাদার।
আর রমজানের ইফতারিতে তরমুজের তুলনা হয়না। সারা দিন রোজা রেখে, দিনশেষে আমাদের গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। আর তখন ইফতারিতে সরবত অথবা জুসের মূল্য অনেক। আমাদের সবার এই তরমুজ কম বেশি পছন্দ।
আর এমন রসালো ফল পছন্দ না করে উপায় আছে।
তরমুজের উপরটা সবুজ শক্ত আবরন ঢাকা থাকে। তরমুজ কাটা হলে ভিতরে লাল টকটকে রসালো ফলের দেখা পাওয়া যায়। যে দেখতে লোভনীয় এবং খেতেও অনেক সুস্বাদু। তরমুজের অনেক গুনাগুন রয়েছে। তরমুজে প্রচুর পরিমান ভিটামিন রয়েছে। এটি আমাদের শরীরের জন্য উপকারি।
আজ আমি আপনাদের সাথে আমার তরমুজের জুসের এই রেসেপিটি শেয়ার করবো। এই তরমুজের জুস তৈরি করা অনেক সহজ। যা আপনি অনায়াসেই পারবেন। আর এটি তৈরই করা একদম ঝামেলাহীন। খুভ অল্প সময় দরকার হয়।
আপনার বাসার একজন মেহমান আসলেও আপনি ঝটপট এই তরমুজের জুস তৈরি করে দিতে পারেন। এমনি দুপুরের করা রোদে এই তরমুজের জুস আপনার প্রানকে করবে সতেজ ও দেহকে করবে চাঙ্গা।
গরমের এই সময়ে রাস্তা ঘাটেও দেখা যায় বিক্রেতার তরমুজের সরবত বিক্রি করে। তা তা অনেক সময় সাস্থকর নাও হতে পারে। তাই বাসায় বানিয়ে নিলে এতে সাস্থঝুকি থাকেনা।
তরমুজের জুস বানাতে যে সব উপাদান দরকার হবে তা আমি বলে দিচ্ছি। এবং কিভাবে প্রস্তুত করবেন তাও বলে দিচ্ছি। আশা করি আপনাদের আমার এই রেসেপিটা ভালো লাগবে।
উপাদানঃ
১। অবশ্যই প্রথমে আপনাকে তরমুজ নিতে হবে। তরমুজ আপনি পরিমাণ মতো নিবেন। আমি এক প্লেট পরিমানে নিয়েছি। যাতে ২ গ্লাস তরমুজের জুস হবে। আমি ২ গ্লাসের পরিমান হিসাবে বলে দিচ্ছি।
২। চিনি( তরমুজের মিষ্টির উপর নির্ভর করে, আবার আপনি যদি চিনি বেশি খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী দিবেন, আর চাইলে নাও দিতে পারেন।)
৩। বিট লবন আধা চা চামচ
৪। ফুটকালার ( এটি আপনার ইচ্ছে যদি তরমুজ কালার লাল না হয় তা হলে সামান্য ব্যবহার করতে পারেন। তবে আমার তরমুজটি অনেক লাল ছিল তাই আর আমার ফুড কালার ব্যবহার করতে হয়নি।)
৫। লেবু ২ টুকরো লেবু দিয়ে দিতে পারেন ১ চা চামচের মতো।
৬। বরফ টুকরো ( এটি আপনার ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারেন,যেহেতু জুস ঠান্ডা পছন্দ বরফতো লাগবেই।)
প্রস্তুত প্রনালীঃ
প্রথমে তরমুজ এর খোসা ছাড়িয়ে একটা পাত্রে রাখুন।
তারপর আপনি চাইলে তরমুজ ব্লান্ডার করে নিতে অথবা হাত দিয়েও রস বের করে নিতে পারেন।
তরমুজের বিজ ফেলে দিতে হবেনা।
ব্লান্ডার করে নেয়ার পরে আপনি একটু সময় নিয়ে ছেকে নিলেই।
ব্লান্ডার করার সময়ে বিট লবন দিয়ে দিন। আর আপনার প্রয়োজন হলে চিনি দিয়ে দিন। আমি ২ চামচ চিনি দিয়ে দিয়েছি। লেবুর রসটাও দিয়ে দিন। আপনি চাইলে ব্লান্ডার করার সময়ে বরফ কুচি দিয়ে দিতে পারেন।
আবার সার্ভ করার সময়ে আপনি বরফ কুচি দিয়ে সার্ভ করতে পারেন।
বেশ ঝটপট হয়ে গেল তরমুজের জুস। দেখলেন কতোটা সহজ।
আশা করি আপনাদের সকলের রেসিপিটা ভালো লাগবে। আর অবশ্যই আমার এই রেসেপিটা আপনারা বাসায় চেষ্টা করবেন। নিম্নে তরমুজ জুসের কিছু আইটেম ফটো দিচ্ছি আপনাদের জন্য।
সবাই ভালো থাকেন, সুস্থ থাকুন।
ঘরে থাকেন সুস্থ থাকেন।
Facebook | Twitter| Discord
E-mail: [email protected]
We would love to hear more from you
wow... Photography gula onek sundor
❤️
Awesome post brother :)
You have been upvoted by @rex-sumon A Country Representative, we are voting with the Steemit Community Curator @steemcurator07 account to support the newcomers coming into steemit.
Follow @steemitblog for the latest update. You can also check out this link which provides the name of the existing community according to specialized subject
There are also various contest is going on in steemit, You just have to enter in this link and then you will find all the contest link, I hope you will also get some interest,
For general information about what is happening on Steem follow @steemitblog.