আলু এবং পটল দিয়ে ডিম ভাজি রেসিপি
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে একটা ভাজি রেসিপি শেয়ার করে নেবো। আজকে আমি ডিম ভাজি করেছি। তবে এই ডিম ভাজিটি আমি একটু অন্যরকম ভাবে করেছি। অন্যরকম বলতে ডিম ভাজিটি দুই রকম সবজি দিয়ে তৈরি করেছি। আমরা নরমালি ডিম ভাজি শুধু পেঁয়াজ দিয়েই ভেজে খেয়ে থাকি, সেটা হতে পারে অমলেট করে কিংবা সিদ্ধ ডিম ভাজা করে। আমি সাধারণত প্রায় মাঝে মাঝে ডিম ভাজি করি কিন্তু সেগুলো এমনি শুধু লবন, হলুদ দিয়ে ভেজেই খেয়ে থাকি। এমনি আগে আলু দিয়ে ২ টা ডিমের বড়ো বড়ো অমলেট করে খেয়েছি কিন্তু এইভাবে ভাজাটা আজকে প্রথম করে খেয়ে দেখলাম, অনেক ভালো টেস্ট লাগে খেতে। আমি আজকে যে সবজি দুটি দিয়ে করেছি সেটি হলো আলু আর পটল দিয়ে। আলু দিয়েতো নরমালি অনেক খেয়েছি আর স্বাদও লেগেছিলো কিন্তু পটল দেওয়ার সময় মনে মনে ভাবছিলাম এই যে দিচ্ছি খেতে ভালো লাগবে নাকি কিজানি, তবে আমার কাছে খুবই টেস্টফুল লেগেছিলো। আপনারাও বাড়িতে করে খেয়ে দেখবেন, আশা করি আপনাদের কাছেও খেতে অনেক ভালো লাগবে। যাইহোক এখন রেসিপিটির মূল বিষয়ের দিকে চলে যাবো।
ꕥপ্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ:ꕥ
❦এখন ভাজি রেসিপিটা যেভাবে তৈরি করলাম---
✠প্রস্তুত প্রণালী:✠
➤আলু চারটির খোসা প্রথমে ছালিয়ে নিয়েছিলাম এবং পরে পটলগুলোর খোসা ভালোভাবে ছালিয়ে নিয়েছিলাম।
➤ছালিয়ে রাখা আলুগুলো সব ভালোভাবে কুচি কুচি করে কেটে নিয়েছিলাম এবং পরে জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছিলাম। এরপর পটলগুলোও খুবই ছোট ছোট করে কুচি করার মতো করে কেটে নিয়েছিলাম এবং পরে জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছিলাম।
➤পেঁয়াজ এবং রসুনের খোসা ছাড়িয়ে নেওয়ার পরে পেঁয়াজ কুচি করে নিয়েছিলাম এবং রসুনের কোয়াগুলো আলাদা করে নিয়েছিলাম। কাঁচা লঙ্কাগুলো কেটে নেওয়ার পরে সব ভালোভাবে ধুয়ে নিয়েছিলাম।
➤একটি বাটিতে ডিম তিনটি ফাটিয়ে নিয়ে রেখেছিলাম। এরপর একটি প্যানে তেল দিয়ে তাতে ১ চামচ করে লবন আর হলুদ দিয়ে দিয়েছিলাম।
➤লবন, হলুদ দেওয়ার পরে তাতে ফাটিয়ে রাখা ডিম দিয়ে দিয়েছিলাম এবং একটি অমলেট তৈরি করে নিয়েছিলাম ভালো করে।
➤ডিমের অমলেট তৈরি করে নেওয়ার পরে খুন্তি দিয়ে কেটে কেটে অমলেটটি টুকরো করে নিয়ে একটি পাত্রে তুলে রেখেছিলাম। এরপর ওই তেলেই পেঁয়াজ, রসুন ভাজা হওয়ার জন্য দিয়ে দিয়েছিলাম।
➤পেঁয়াজ, রসুন ভালোভাবে ভাজা হয়ে গেলে তাতে কুচি মতো করে রাখা আলু সব দিয়ে দিয়েছিলাম।
➤আলু দেওয়ার পরে তাতে পটল কুচি দিয়ে দিয়েছিলাম এবং সেই সাথে কাঁচা লঙ্কাগুলোও দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর তাতে স্বাদ মতো ২ চামচ করে লবন আর হলুদ গুঁড়ো দিয়ে দিয়েছিলাম।
➤সবজির সাথে লবন এবং হলুদ ভালোভাবে মিক্স করে নিয়েছিলাম এবং সব ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে আসার জন্য ঢেকে রেখেছিলাম কিছুক্ষন।
➤ভালোভাবে সিদ্ধ মতো হয়ে আসলে ঢাকনাটা তুলে নিয়েছিলাম এবং কয়েকবার নেড়েচেড়ে হাফ ভাজা মতো করে নিয়েছিলাম।
➤হাফ ভাজা হয়ে আসলে তাতে টুকরো টুকরো করে রাখা ডিমের অংশটা সব দিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর সবজির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়েছিলাম এবং আরো কিছুক্ষন ধরে নেড়েচেড়ে ভালোভাবে ভাজা তৈরি করে নিয়েছিলাম।
➤আলু এবং পটল দিয়ে ডিম ভাজি রেসিপিটা আমার তৈরি হয়ে গেছিলো এবং আমি এটি পরিবেশনের জন্য একটি পাত্রে তুলে নিয়েছিলাম।
রেসিপি বাই, @winkles
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
একটু আগেই ডিমভেজে এরপর রান্না করলাম। এবার আপনার ডিম ভাজার রেসিপি দেখে তো এভাবে রান্না করতে ইচ্ছে করছে। আলু দিয়ে ডিম ভেজে খেয়েছি অনেক। তবে পটল দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি। মাঝে মাঝে যদি খাবারের স্বাদে ভিন্নতা আনা যায় তাহলে অনেক ভালো লাগে খেতে। দাদা আপনি সবসময় ভিন্ন ধরনের রেসিপি গুলো তৈরি করেন। যদিও এই রেসিপিটি একেবারে ইউনিক হয়েছে। তবে আমার কাছে ভালই লেগেছে। মনে হয় খেতেও বেশ ভালো লাগবে। আমি ট্রাই করে দেখব দাদা। এছাড়া ডিম আমার খুবই প্রিয়। ডিম যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন খেতে আমার কাছে দারুন লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে দাদা আপনার রন্ধন প্রণালী আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
দাদা আজকের রেসিপিটা আমার কাছে একদম নতুন লেগেছে কারণ আমরা সাধারণত কমবেশি সবাই ডিম ভাজি খায়। কিন্তু ডিম ভাজি পটল দিয়ে তৈরি করা যায় এটা আমি কখনো মাথায় আনিনি। আজকে আপনার রেসিপি দেখে মনে হল এটি একটি নতুন ধারণা। আমিও এই ধারণাটি অবলম্বন করে আলু পটল দিয়ে ডিম ভাজি রেসিপি তৈরি করবো। দেখবো কতটা খেয়েছে মজাদার হয়। সত্যি দাদা আজকে আপনার রেসিপিটা আমার কাছে ইউনিক লেগেছে। আর এই রেসিপিটি তৈরি করার খুব ইচ্ছা জাগছে। আমি আজকেই রেসিপি তৈরি করে দেখবো কতটা মজা হয়। আশা করছি অনেক মজা লেগেছে।
ডিম আমার নিজেরও খুব পছন্দনীয় একটি খাবার। ডিমের তৈরি যেকোনো আইটেম খেতে আমি খুব ভালোবাসি। পেঁয়াজ দিয়ে ডিম ভেজে খেতে আমার কাছে খুব বেশি ভালো লাগে। কিন্তু আমি কখনো এভাবে আলু ও পটল দিয়ে ডিম ভাজি করে খাইনি। ডিম দিয়ে আলু ও পটল ভাজি করাতে খেতে নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। দাদা আপনার রেসিপির মধ্যে ভিন্নতা গুলো আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। অসাধারণ রেসিপিটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাইয়া আজ আপনি একটি নতুন ইউনিক রেসিপি শেয়ার করলেন ৷ভালো ছিল যদিও সচরাচর আমরা পেয়াজ দিয়ে তৈরি করে খাই ৷তবে আপনি একটু ভিন্ন করে রেসেপি করেছেন ৷বেশ ভালোই ছিল ধাপগুলো দেখলাম ৷অবশ্যই একদিন নিজ হাতে তৈরি করা যাবে ৷সেদিন বুঝবো কতটা টেস্ট হয়েছে ৷
ধন্যবাদ ভাইয়া৷
আপনার এই কথাটা অনেকটা ফানি ছিল। অনেক হাসলাম এই লেখাটা পড়ে। আমিও এই ভাবে কখনো আলু ও পটল দিয়ে ডিম ভাজি রেসিপি তৈরি করে খাইনি। আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ মজাদার হয়েছে। তবে দাদা আলু আর পটল গুলো আরেকটু কুচি করে কাটলে দেখতে আরো ভালো লাগতো।
নরমালি পেয়াজ দিয়েই ডিম ভাজি করে খাওয়া হয়। আর সহজভাবে রান্নাও হয়ে যায়। তবে ডিমের সাথে আলু ও পটল দিয়ে খাওয়া হয়নি। ভিন্ন রকমের স্বাদ মনে হচ্ছে দাদা। ডিম আর আলু ভেজে তারপর ডিম ভাজা দিয়ে দিয়েছেন। খেতেও মজা হয়েছে নিশ্চয়।
দাদাভাই আমি আপনার রেসিপি পোস্টগুলো দেখি আর ভাবি যে আপনি প্রতিদিন এত মজার মজার খাবার খান। আলু,পটল ও ডিম দিয়ে এভাবে ভাজি করে আমিও একবার খেয়েছিলাম। এটি সত্যিই খেতে অসম্ভব মজাদার হয়। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে লেবু মাখিয়ে এই ভাজিটি দিয়ে ভাত খাওয়ার মজাই আলাদা। প্রতিবার এমন চমৎকার এবং সুস্বাদু রেসিপি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদাভাই। অনেক ভালোবাসা রইলো আপনার জন্য।
দাদা আপনি তো রান্নার কারিগর রান্নায় কিভাবে নতুনত্ব ফুটিয়ে তোলা যায় তা আপনার কাছেই জানা সম্ভব। নইলে টিম সাধারণত আমরা এমনিতেই ভাজি করে খায় অথবা মাঝে মাঝে আদর করে দেই কিন্তু পটল দেয়ার চিন্তা তো মাথায় কখনো আসেনি। আসলে দাদা আপনি যে রান্নার গুরু এটা মানতেই হবে। অনেকগুলো পটল কুচি করে দিয়েছেন।ডিম আমার অনেক ভালো লাগে। ডিমের মাঝে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন রয়েছে আরো আছে প্রোটিণ।তাই একেকদিন একেক ভাবে ডিম খেলে মজাটা আরো ভালোভাবে পাওয়া যাবে । ঠিক যেমনটি আজ আপনি করে দেখালেন আমি তো অবাক হয়ে গেলাম। 👍🏼👍🏼
ডিমের অমলেট করতে শুনেছি এবং আলু দিয়ে ডিম ভাজি করতে ও দেখেছি।কিন্তু পটল ও আলু একসঙ্গে ডিম দিয়ে ভাজি করতে প্রথম দেখলাম, মনে হচ্ছে সেই টেস্টি হয়েছে।যদিও এটি প্রোটিনের সঙ্গে সঙ্গে খুবই পুষ্টিকর খাবার ও বটে।আমার কাছে বেশ লেগেছে ডিমের লাল লাল অমলেটটি।যেহেতু আপনি আলু ও পটলগুলি কুচি করে নিয়েছেন সেহেতু এটি ডিমের সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশে গেছে।সুন্দর ও লোভনীয় হয়েছে রেসিপিটা,ধন্যবাদ দাদা।
ওরে বাবা এটা তো এই প্রথম দেখলাম। টাইটেল দেখে আমি ভেবেছিলাম আলু এবং পটল হয়তো বা ছোট ছোট করে কেটে ডিমের ভেতরে গুলিয়ে নিয়ে ভাজি করেছেন। কিন্তু ভেতরে এসে তো ধারণা পুরোই পাল্টে গেল। তবে আমার কাছে রেসিপিটা বিন্দাস লেগেছে দাদা। অনেকটা নুডুলস রান্না করার মত 😅। একদিন অবশ্যই চেষ্টা করব। মেস লাইফে ডিম ছাড়া আর আছে কি! সেই ডিমটাই যদি একটু নতুন রেসিপিতে খাওয়া যায় তাহলে তো ভালোই হয়।