টেস্টের প্রথম দিনেই ওয়াশিংটন সুন্দরের অসাধারণ বোলিং
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ক একটি সাধারণ লেখা শেয়ার করে নেবো। বাংলাদেশ আর ভারতের সিরিজ শেষে এখন ভারত আর নিউজিল্যান্ড এর মধ্যে টেস্ট সিরিজ খেলা হচ্ছে। তবে এই টেস্ট সিরিজে প্রথমটা একদমই বাজে খেলা হয়েছিল বৃষ্টির কারণে ব্যাঙ্গালুরুতে। ভারত আসলে ওইদিন কি খেললো সেটা আমি আসলে বুঝে উঠতে পারেনি, আমার তো মনে হয় ওরাও বুঝে উঠতে পারেনি আসলে ঘটনা এইরকম ঘটে যাবে। তবে আসলে এখানে সময়েরও একটা ব্যাপার হয়ে গিয়েছিলো। প্রথমদিন আসলে খেলাটাই হয়নি একদমই, তাছাড়া দ্বিতীয় দিনে খেলাটা শুরু হলেও কিন্তু আসলে পিচ কন্ডিশন একটু সমস্যা ছিল, তবে বেশি সমস্যা ছিল না। তবে নিউজিল্যান্ড যে রান করেছিল ৪০০ রানের, তাতে ভারত আবার দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ ভালো খেলে দিয়েছিলো।
রানটা তো তুলেছিল, কিন্তু আসলে এতো রান চেজ করে আবার তাদের টার্গেট দেওয়া একটা অসম্ভব ব্যাপার ছিল, এক্ষেত্রে তবে আবার সময়টাও ছিল না, ৫ দিনের খেলায় বৃষ্টিতেই অর্ধেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। তবে বেশি টার্গেট না দিতে পারলেও মোটামুটি তাও চাপে রেখেছিলো। এখন যেটা যাইহোক, সিরিজ এখন বাকি আছে, খেলায় এটা হতেই পারে। তবে এতো কম রানে অলআউট হওয়ার ব্যাপারটা অনেকদিন বাদে ঘটেছে, এর আগেও কয়েকবার হয়েছিল যেটা ১৯ দশকের দিকে ছিল। তবে দ্বিতীয় টেস্টে পুনেতে প্রথম দিনে একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটিয়েছে কম বয়েসের একজন প্লেয়ার। এক্ষেত্রে প্রথম দিন খেলা হয়েছে আপাতত, তাতে এক দিনে তাদের ধরাশায়ী করে দিয়েছে। আসলে এই পুনের পিচে পুরো ঘটনা ঘটেছে স্পিনের মাধ্যমে।
ওয়াশিংটন সুন্দরকে তো অনেকেই চিনেন, আসলে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিমে সব থেকে কম বয়েসির এই স্পিনার বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটা ম্যাচে। তবে তাকে অনেকদিন টেস্ট সিরিজ থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। যদিও আসলে চান্স পাওয়াটা মুশকিল ছিল, কারণ আরো কয়েকজন বড়ো বড়ো স্পিনার আছে, যাদের টপকে তাকে চান্স দেওয়াটাও সম্ভবপর হয়নি আগে। তারপরেও তাকে এই পুনের সিরিজে খেলানো নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। কিন্তু তারপরেও কোচ আর অধিনায়কের বিশ্বাসের জোরে সে খেলতে পেরেছে। এতো কম বয়েসে অনেক ভালো কৃতিত্ব পেয়েছে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সিরিজে। তবে যাইহোক, সে এই প্রথম দিনেই অনেককে ভুল প্রমাণিত করে দিয়েছে, যে সেও পারে অনেক বড়ো কিছু করতে।
তবে এখানে নিউজিল্যান্ড কিন্তু বেশ ভালো চাপ তৈরি করেছিল, বিশেষ করে রচিন্দ্র, এ নিউজিল্যান্ড এর অনেক বড়ো একজন অলরাউন্ডার বলা যায় এবং ভয়ঙ্কর। টেস্ট বা টি২০ যেকোনো ফরম্যাটে বেশ দারুন খেলে থাকে। যেমন ব্যাটিং, তেমন বোলিং, এক কোথায় অসাধারণ তার পারফরম্যান্স। এই ম্যাচেও শুরুতে যেভাবে শুরু করেছিল, তাতে সেঞ্চুরি করে যাওয়ার পর্যায়ে তৈরি করে ফেলেছিলো। কিন্তু ওখানেই ওয়াশিংটন সুন্দর এর কামাল, সাপের ফোনের মতো যেন একদম মিডিল স্ট্যাম্প এ গিয়ে লাগে। অশ্বিনও এখানে ভালো বোলিং করেছে, কিন্তু খেলার মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে একমাত্র অবদান ওয়াশিংটনের।
তা নাহলে কাহিনী এখনো পর্যন্ত অন্যরকম হতো। তবে দীর্ঘ দিন পরে টেস্টে নেমেই যে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা নিউজিল্যান্ড এর সাথে ঘটাবে এটা সত্যি প্রশংসনীয় ছিল। ৭ উইকেট একাই তুলে নিয়েছে। যে রানটা ৩০০+ হতে পারতো, সেটা ২০০ এর মধ্যে আটকিয়ে দিয়েছে। কারণ নিউজিল্যান্ড যেহেতু প্রথমে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছিলো, সেক্ষেত্রে পরেরদিন দুপুর পর্যন্ত খেলার সুযোগ পেতো, আর তাতেই হিউজ একটা রান গড়ে তুলতো। তবে এখন দেখা যাক এই সিরিজের খেল এখনো বাকি আছে। যদি বৃষ্টি না হয়, তাহলে ভালো একটা খেলা হবে শেষ পর্যন্ত।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ভারত এবং নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ একেবারে জমে উঠেছে। ওয়াশিংটন সুন্দর প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার পর, দ্বিতীয় ইনিংসে ইতিমধ্যেই ৪ উইকেট তুলে নিয়েছে। তবে ম্যাচের ফলাফল শেষ পর্যন্ত কি হবে,সেটা বলা যাচ্ছে না। কিন্তু আমার যতটুকু মনে হয়, এই ম্যাচ নিউজিল্যান্ড জিতে যাবে। এতে করে তারা চলতি সিরিজ জিতে যাবে। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
এটা আমার কাছেও মনে হচ্ছে ভাব লক্ষন সেইরকম , কারণ টার্গেট বেড়ে যাচ্ছে । তবে শেষ পর্যন্ত দেখা যাক কি হয়। তবে ওয়াশিংটন সেরা বল করছে এই সিরিজে।
ওয়াশিংটন সুন্দর প্রথম টি টুয়েন্টি ম্যাচ যেদিন খেলে সেদিন তার খেলা দেখেছিলাম। বেশ ভালো লেগেছিল। বিশেষ করে তার ক্যারাম বলটা ব্যাটসম্যানরা বুঝতে পারে না। যদিও দলে জায়গা হয় কম। তবে নিউজিল্যান্ড টেস্টে বেশ আলো ছড়িয়েছে সে এটা বলাই যায়।
বৃষ্টি আসলেই সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে।যাইহোক মাঝে মাঝেই আপনার মাধ্যমে খেলার পোস্টগুলো পড়তে ভালোই লাগে।কম বয়সেও ওয়াশিংটনের বোলিং এর প্রশংসা শুনে ভালো লাগলো, এটা আমাদের দেশের জন্য গর্বের বিষয়।ধন্যবাদ দাদা।