"হঠাৎ দেখা" এই কথাটির মধ্যে কিন্তু অন্যরকম একটি বিষয় লুকিয়ে আছে। শুভ্রার কথা শুনে খুবই খারাপ লাগলো। বাবার শেষ স্মৃতিটুকুও বিক্রি করে দিল শেষ পর্যন্ত। যদিও তার মামার কাছে বিক্রি করেছে কিন্তু কে জানে কখন কি হয়ে যায়। যদিও শুভ্রা চাকরি পাওয়ার মতো এত বেশি বড় হয়নি। তার বড় যদি একটি ভাই থাকতো তাহলে কোন কিছু করে ঘর সংসার চলতো।কিন্তু শুভ্রা বড় মেয়ে হওয়ার কারণে তার মাথায় অনেক চাপ এখন। যাইহোক পরবর্তীতে শুভ্রা শহরে আসার পর কি হয়েছে তা জানার অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভ্রা বড় মেয়ে হওয়ায় তার এই অবস্থা! পরের পর্বটি পড়লে আরও বুঝতে পারবেন আপু 🌼