নাটক রিভিউ :- ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। ( পর্ব ১০ )
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করব। কিছুদিন ধরে আমি " ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ " এই নাটকটি দেখছিলাম । এই নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সামনে এই নাটকের ১০ পর্ব শেয়ার করব। আশা করি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। |
|---|---|
| পরিচালনা | ঈগল টিম |
| প্রযোজনা | কচি আহমেদ |
| অভিনয়ে | আফজাল সুজন , নুসরাত জাহান অন্তরা , আনোয়ারুল আলম সজল, ইফতেখার ইফতি,স্পর্শিয়া মিম, শেলী আহসান, জাহাঙ্গীর কবির,মোসাদ্দেক শাহীন, লিপু মামা, তুহিন চৌধুরি, সবুজ আহমেদ, রাবিনা, জারা নুর, সুবহা, সাগরিকা ইসলাম মিনহা, সুমন পাটোয়ারী, রেজবিনা মৌসুমী, আকলিমা লিজা, আরো অনেকে। |
| রচনা ও চিত্রনাট্য | সোলায়মান |
| চিত্রগ্রহণ | জহির রায়হান |
| সম্পাদনা | এসে এ সুমন |
| আবহ সংগীত | অংকুর মাহমুদ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই পর্বের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই, মনিদের বাড়ির দারোয়ান তার ভাবিকে এসে জানাচ্ছে মনি নাকি পালিয়ে গিয়েছে। তারপর মনির ভাবি তাকে এগুলো কাউকে বলার জন্য বারণ করে ওখান থেকে পাঠিয়ে দেয়। আর সকাল বেলায় আমরা জেনির ভাবি জেনির বাসায় এসেছে। আর জেনি তো তার ভাবীকে দেখে অনেক বেশি খুশি হয়ে যায়। তারপর জেনির ভাবি তাকে বলে সে যেন রাইসার সাথে কলেজে ভর্তি হয়ে আবারো নতুন করে কলেজে যায়। তারপর তারা মনির বিষয়ে কথা বলে। আর এগুলো শুনে তো জেনিও অনেক চিন্তায় পড়ে যায়।
তারপর তারা এগুলো নিয়ে অনেক কথা বলতে থাকে। কথা বলা শেষ করে জেনির ভাবি তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়। এরপর আমরা মনি আর সোহেলকে দেখতে পাই সোহেল যেখানে থাকে ওখানে এসেছে। আর ওখানে তার এক বন্ধুও ছিল। এরপর ওদের সাথে কথা বলে তার বন্ধু তাদের জন্য কিছু নাস্তা নিয়ে আসার জন্য চলে যায়। ওদিকে নীলাঞ্জনা চৌধুরী অনেক চিন্তা করতে থাকে মনির জন্য। আর মনির ভাবি ও বাসায় ফিরে আসে। তারপর তারা পুলিশকে খবর দেওয়ার কথা বলে। আজ নীলাঞ্জনা চৌধুরী উনার ছেলের বউয়ের সাথে ঝগড়া লেগে যায় এই বিষয়টা নিয়ে।
তারপর রাফি পুলিশকে সবকিছু জানায়। আর পুলিশ তাকে থানায় গিয়ে জিডি করার জন্য বললে সে সাথে সাথে থানায় চলে যায়। এক পর্যায়ে নীলাঞ্জনা চৌধুরী কথা বলতে বলতে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। অন্যদিকে সোহেলের বন্ধু তাদের জন্য খাবার নিয়ে এসে তাদেরকে খেতে দেয়। তারপর তারা খাবারগুলো খেয়ে নেয়। তারপর আমরা নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে দেখতে পাই চুপ করে উনার রুমে বসে রয়েছে। আর ওনার ছেলের বউ খাবার খাওয়ার জন্য ওনাকে বলে। কিন্তু তিনি খাবার খেতে রাজি হন না। অন্যদিকে মিনা এসব বিষয় নিয়ে অনেক বেশি মজা নিতে থাকে।
তারপর নীলাঞ্জনা চৌধুরী মিনাকে আর তার ভাবীকে পাঠিয়ে দেয়। এরপর আমরা মনির যার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে তার মাকে দেখতে পাই। আর তিনি উনার ডাক্তারকে প্রেসার চেক করার জন্য বলে। আর ওনারা এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে থাকে। তারপরে আমরা মনির ভাবিকে দেখতে পাই মনিকে কল দেয়। আর তারা এসব বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলে। এরপর আমরা রাশেদকে দেখতে পাই অফিসে যাচ্ছিল। আর বাজারের বিষয়ে জেনিকে জিজ্ঞেস করে। তারপর জেনি বাজারের কথা বললে, রাশেদ বাজারগুলো নিয়ে আসবে বলে।
এরপর জেনি মনের বিষয়টা রাশেদকে জানায়। আর জেনি বাড়িতে যেতে চায়, কিন্তু বারণ করে কারণ গেলে ঝামেলা হবে। আর রাশেদ তাকে জানাই সে ভাবির কাছ থেকে সবকিছু যেন জেনে নেয় কল দিয়ে। এরপর আমরা মনির হবু শাশুড়িকে দেখি নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে কল দিয়ে কথা বলে। আর মনির বিষয়েও জিজ্ঞেস করে। তখন নীলাঞ্জনা চৌধুরী ওনাকে কিছু একটা বুঝ দিয়ে কল রেখে দেন। তারপর সকাল বেলায় আমরা দেখি, সোহেল তার বন্ধু আর মনি বিয়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে রওনা দেয়। আর তারা যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন পুলিশ তাদেরকে ধরে নেয়। আর পুলিশের সাথে ওদেরকে থানায় যাওয়ার জন্য বলে।
ব্যক্তিগত মতামত
এই পর্বটা অনেক সুন্দর ছিল। তবে গল্পের মোড় ঘুরে গিয়েছে অন্যদিকে। কারণ মনিকে যেহেতু তার মা জোর করে বিয়ে দিচ্ছে তাই সে সোহেলের সাথে পালিয়ে যায়। ওইদিকে আবার তার পালিয়ে যাওয়ার পর তার বড় ভাই রাফি পুলিশকে খবর দেয়। এমনকি থানায় গিয়ে জিডি করে। মনে আর সোহেল সবকিছুই ঠিক করে নিয়েছিল, শুধুমাত্র কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করবে। কিন্তু তারা যখন কাজী অফিসে যাচ্ছিল, তখন পুলিশ তাদেরকে মাঝপথে ধরে নেয়। এখন দেখা যাক পুলিশ তাদেরকে ধরে নীলাঞ্জনা চৌধুরীর কাছে নিয়ে যায় কিনা। আর মনিকে কি অন্য ছেলের সাথে জোর করে বিয়ে দেয় কিনা এগুলো দেখতে পাবো। নাকি মনি জোর করে আবার সোহেলের সাথে চলে আসবে। আমি চেষ্টা করবো খুব শীঘ্রই সবার মাঝে পরবর্তী পর্বের রিভিউ শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনারা সবাই সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবেন।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

https://x.com/TASonya5/status/1920305522714292692?t=ef0GKVTRyRXMNf4GSHQuSw&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এই নাটকটার এই পর্বের কাহিনী অনেক বেশি সুন্দর ছিল। পুরোটার মধ্যে অনেক সুন্দর একটা বিষয়কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আর এটা দেখে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। খুব সুন্দর করে তুমি নাটকটার এই পর্বের রিভিউ পোস্টের মাধ্যমে কাহিনী টাকে সবার মাঝে উপস্থাপন করেছ। এজন্য তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এই নাটকের কাহিনীটা সত্যি অনেক সুন্দর।
https://x.com/TASonya5/status/1920401986861871140?t=o9Kfk9A87dFwHDNmku6WxA&s=19
https://x.com/TASonya5/status/1920476657594273880?t=b8Dkp2R0DaqfUFkHCwpTzg&s=19