পাঙ্গাস মাছের মজার রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে আপনাদের আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি পাঙ্গাস মাছের মজার একটি রেসিপি নিয়ে।পাঙ্গাস মাছ বেশি খাওয়া হয় না, আর আমার হাজবেন্ডও অতটা পছন্দ করে না।সেদিন শপিং এ গিয়ে পাঙ্গাস মাছের প্যাকেটটি চোখে পড়ল।ভাবলাম অনেকদিন খাওয়া হয় না, তাই প্যাকেটটি নিয়ে যাই।একটি প্যাকেটে মাত্র তিন পিস মাছ ছিল।কিন্তু মাছের সাইজ গুলো অনেক বড় বড় ছিল।যাইহোক আজকে পাঙ্গাস মাছটি রান্না করে ফেললাম একটু ভুনা ভুনা করে। খেতে কিন্তু দারুন স্বাদের হয়েছিল।আশা করি আমার এই রেসিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| মাছ | ৩ পিস |
| পিঁয়াজ কুচি | ২ কাপ |
| কাঁচা মরিচ | ৪/৫ টি |
| আদা রসুন পেস্ট | হাফ টেবিল চামচ |
| হলুদ গুড়া | ২ চা চামচ |
| কারিপাউডার | ২ টেবিল চামচ |
| মরিচ গুঁড়া | ১ টেবিল চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ২ চা চামচ |
| ধনে গুঁড়া | ২ চা চামচ |
| তেজপাতা, দারচিনি | ১ পিস করে |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমেই পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কেটে নিয়েছি।এরপর মাছগুলোর বরফ ছাড়িয়ে নিয়েছি।
এরপর মাছগুলো ছোট ছোট পিস পিস করে কেটে ভালোভাবে ধুয়ে হলুদ ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে তেলে ভেজে নিয়েছি।
এরপর একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে আদা রসুন পেস্ট দিয়ে দিয়েছি।
এরপর পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে অল্প আঁচে রেখে দিয়েছি পেঁয়াজ গলে যাওয়ার জন্য।এরপর পেঁয়াজগুলো গলে গেলে তাতে তেজপাতা ও দারচিনি দিয়ে দিয়েছি।
এরপর সকল গুড়া মসলাগুলো দিয়ে অল্প আঁচে কষিয়ে নিয়েছি।
এরপর কষানো হলে ভাজা মাছ গুলো দিয়ে দিয়েছি।
এরপর এক কাপ পানি অ্যাড করে ফুল আঁচে রেখে দিয়েছি ৩/৪ মিনিটের জন্য।
ব্যাস হয়ে গেল আমার মজাদার পাঙ্গাস মাছের রেসিপি।
পরিবেশন এর জন্য রেডি
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
পাঙ্গাস মাছটি আমার খুবই পছন্দের একটি মাছ।পাঙ্গাস মাছ খেতে আমার খুবই ভালো লাগে।ছোট বাচ্চারাও এই মাছটি খেতে পারে।কারণ এই মাছের কাটা খুবই কম হয়ে থাকে।আর পাঙ্গাস মাছের যে কোন রান্নাই আমার খুব ভালো লাগে।
পাঙ্গাশ মাছ কিন্তু একেবারেই মাংসাশী মাছ। আমাদের দেশের বাড়িতে পুকুরে প্রচুর হয়। আসলে বাড়িতে বড় মুরগির ফার্ম থাকার কারণে এ মাছটি চাষ করা হয়েছে। যত মুরগি মরে যায় সবকে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় দিলে ওরা গপগপ করে খেয়ে নেয়। আমরাও এই ভাবেই পাঙ্গাশ করে থাকি। একদম মাংসের মত কষিয়ে লাল লাল ঝোল। আপনার রান্নাটা বেশ ভালো লেগেছে দেখে আজ ঝোল টা দেখেই কেমন একটা জিভে জল আসছে ।
পাঙ্গাস মাছ আমি নিজেও আসলে খুব বেশি একটা পছন্দ করি না। বিশেষ করে এই মাছে প্রচুর পরিমাণে তেল থাকার জন্য। তবে এই মাছ ভালো করে মসলা দিয়ে কষিয়ে রান্না করলে খেতে মোটামুটি খারাপ লাগে না। আপনি এখানে যে ধরনের মসলা ব্যবহার করেছেন, সেগুলো কমন ছিল শুধুমাত্র কারিপাউডার বাদে। তবে আপনার রান্না করা পাঙ্গাস মাছের রেসিপি টা দেখে কিন্তু সত্যিই লোভ লেগে গেল। আপনার উপস্থাপনাও অনেক সুন্দর ছিল আপু।
আসলে বড় সাইজের পাঙ্গাস মাছ খেতে কিন্তু ভালোই লাগে। তাছাড়া এভাবে ভুনা করলে তো খেতে আরও বেশি সুস্বাদু লাগে। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে পাঙ্গাস মাছ খাওয়া হয় না। কারণ আমাদের বাসায় পাঙ্গাস মাছ কেউ খেতে চায় না। তাই পাঙ্গাস মাছ একেবারেই কেনা হয় না। যাইহোক রেসিপিটা দারুণ হয়েছে আপু। এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।