সুরের মাঠের মেলায়
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে সুরের মাঠের মেলার কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
শীত মানেই মনটা ফুরফুরে। শীত মানেই একটা আলাদা আমেজ। একটা আলাদা অনুভূতি। একটা আলাদা গন্ধ। শীতকাল মানেই চারিদিকে মেলা আর মেলা। প্রত্যেকটা মেলারই কিন্তু একটা আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। আর আমাদের কলকাতায় আজ একটা মেলা শেষ হচ্ছে তো কাল আরেকটা মেলা শুরু হচ্ছে। এরকম মেলা প্রায় দুটো মাস জুড়ে হয়ে থাকে। আর আমি আজ যে মেলার কথা বলছি সেই মেলাটি আমাদের দমদমে ১৫ দিন ধরে বসেছে ।সেটি সুরের মাঠের মেলা হিসাবেই পরিচিত ।
অনেকদিন ধরেই শুনছিলাম যে এই মেলাতে অনেক কিছু নতুন নতুন জিনিস পাওয়া যাচ্ছে তাই আমি মেলা শেষের আগের দিনকেই গিয়েছিলাম ।দিনটি ছিল মঙ্গলবার কিন্তু মঙ্গলবার বলে মেলায় যে ভিড় কম থাকবে তা কিন্তু ছিল না,এত পরিমান ভিড় ছিল যে ঠিকমতো দাঁড়ানোর পর্যন্ত জায়গা ছিল না। আমি সচরাচর খুব একটা মেলায় এত ভিড় দেখি না , যতটা এই মেলায় ভিড় ছিল। আর নতুনত্ব জিনিস বলে মেলায় সেরকম কিছু ছিল না তবুও যেটা বুঝলাম সেটা হচ্ছে মেলায় যে পরিমাণ দাম থাকে তুলনামূলক প্রত্যেকটি জিনিসের দাম অনেক কম ছিল ,সেহেতু লোকে এসে অনেক কিছু কেনাকাটা করছিল ।বলতে গেলে তার জন্যই ভিড় অনেকটা বেশি ছিল।
এছাড়া ও নানান ধরনের শীতের পোশাক যেমন উলিকটের জামা এই ধরনের জিনিসপত্রগুলো খুব কম দামে পাওয়া যাচ্ছিল ।যার ফলে এই সকল দোকান দোকানগুলোতে খুব ভিড় ছিল ।এছাড়াও নতুন একটা জিনিস চোখে পড়ল সেটা হচ্ছে মেয়েদের নানান রকমের জুয়েলারি ছিল। সেই দোকানগুলোতে প্রচুর পরিমাণে এই নতুন জুয়েলারি কেনার জন্য অনেক ভিড় ছিল। এছাড়াও খাবার দোকানে তো সবসময় ভিড় লেগেই থাকে আর একটা জিনিস সেটা হচ্ছে নাগরদোলা ছাড়াও যে সকল রাইড গুলো আছে সেই সকল রাইড গুলোর ভাড়া অনেকটা কম হওয়াতে প্রচুর মানুষ সেই বিভিন্ন রাইড গুলোতে চড়ার জন্য ভিড় করেছিল ।তাছাড়াও বাচ্চাদের জন্য অনেক রকমের রাইড ছিল যেগুলো দেখার মত ছিল এবং খুব সুন্দর লাগছিল। তাছাড়াও এখানে কিছু বইয়ের স্টল ছিল এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের বই ছিল যেগুলো ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল ,পুরানো বই ছিল কিন্তু খুব ইউনিক বই রাখা ছিল। এই বইয়ের স্টল থেকে অনেকে বই কিনছিল।
সবশেষে বলবো এই সুরের মাঠের মেলা খুব সুন্দর একটি মেলা ।এই মেলায় আমি এক ঘন্টার বেশি ছিলাম না কিন্তু যতটুকু সময় ছিলাম ততটুকু সময় খুব ভালো লেগেছিল।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


মেলাটা বেশ জমজমাট দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আপনাদের কত সুবিধা। দু মাস ধরে একটার পর একটা মেলা চলতে থাকবে। আপনারা ইচ্ছা হলেই সেখান থেকে ঘুরে আসতে পারবেন। আর আমাদের শহরে মেলা বলতে একটি বড় মেলা হয়। সেটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত হয়। তবে একটা কথা ঠিকই বলেছেন। এখন মেলাগুলোতে তেমন বিশেষ কিছু দেখতে পাই না। সব মেলাতে প্রায় একই ধরনের পণ্য সামগ্রী ওঠে। যদিও সেটাই মেলায় আগত দর্শনার্থীরা অনেক আগ্রহ নিয়ে কিনে থাকে। আপনাদের এই মেলাতে অবশ্য দেখতে পেলাম বাচ্চাদের জন্য বেশ ভালো আয়োজন রয়েছে। এই ধরনের আয়োজন থাকলে সেখানে থেকে বাচ্চারা সহজে নড়তে চায় না। সময়টা বেশ ভালই উপভোগ করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিকই বলেছেন আপু শীত মানে একটি ভিন্নরকম আমেজ শীতের সময় এ ধরনের মেলাগুলোতে যেতে খুব ভালো লাগে। সুরের মাঠের মেলা নামটিও সুন্দর লেগেছে। এটা ঠিক শেষ দিনে মেলায় একটু ভিড় থাকে তবে জিনিসের দাম একটু কমে পাওয়া যায়। মেলায় ঘুরলে এক ঘন্টা কেন অনেক সময় কোথা দিয়ে চলে যায় টেরই পাওয়া যায় না। আপনি যে ভালো ঘুরেছেন সেটা আপনার ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে ছবিগুলো অনেক ভালো তুলেছেন আপু।
কাশি দিতে দিতে বুকের ভেতরেও ব্যাথা শুরু হয়ে গেছে🥲,তাই শীত আর আমার কাছে উপভোগ্য নয়।
সুরের মেলা,নামটা সুন্দর।মেলার পরিবেশটাও ভালোই ছিল।আর মেলা হলে ভীড় থাকবে,স্বাভাবিক।
আমার শীত আর বসন্ত অনেক পছন্দের ঋতু। শীতের সময়ে চারদিকে পিঠাপুলির ঘ্রাণে মন ভরে যায় আর বসন্তকালে ফুরফুরে বাতাস আর ফুলের ঘ্রাণে ঘরে থাকা যায় না। শীতের সময় সবচেয়ে মজা আর আনন্দ হয় বিভিন্ন জায়গায় মেলা বসার জন্য। আমার কাছেও মেলায় যেতে অনেক ভালো লাগে। কিন্তু আমাদের এখানে এবার একটাও মেলা হয়নি তারজন্য আমার অনেক কষ্ট। তবে দিদি আপনার মেলার নাম সুরের মাঠে দমদম মেলা বাহ খুব সুন্দর নাম।মেলার নাম যেমন সুন্দর তেমনি মেলার ভিতরেও খুব সুন্দর। সব জিনিসের দাম কম হওয়াতে এমন উপচে পড়া ভিড়। ধন্যবাদ দিদি মেলায় কাটানো সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
মেলার নামটি শুনেই অনেক ভালো লাগলো ৷ সুরের মেলা তো দেখি অনেক রকমের দোকান বসেছে ৷ যদিও লোক সংখ্যা বেশ কমই ছিল ৷
যা হোক সব শীতের পোশাখের দোকান ৷ আর লাইব্রেরী দোকান সব মিলিয়ে মেলার পরিবেশ খুবই চমৎকার ছিল৷
ধন্যবাদ দিদি এতো চমৎকার একটি ব্লগ তুলে ধরার জন্য ৷
সুরের মাঠের মেলার ফটোগ্রাফি গুলো খুবই ভালো লাগলো। আসলে মেলার শেষ দিনে ভিড়ের পরিমাণ একটু বেশি হয়। কারণ অনেক কিছুই কম দামের মধ্যে পাওয়া যায়। মেয়েদের জুয়েলারির শপগুলোতে সবসময় ভিড় লেগেই থাকে। আর বিভিন্ন রকমের ইউনিট সব বইগুলো পাওয়া গেছে জেনে ভালো লাগলো দিদি। মেলায় গেলে ভালোই লাগে।
শীতকালীন মানেই ভিন্ন অনুভূতির সাথে পরিচিত হওয়া। শীতের মাঝে নিজেকে বিচরণ করে সেই অনুভূতিগুলো অনুভব করা। যাইহোক, দিদি আজকে দারুন সময় অতিবাহিত করেছেন। অনেকদিন হলো এই ধরনের মেলায় সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করা হয় না ।মেলা বাজার এমনই একটা জিনিস যেখানে গেলে খুব ভালো সময় কাটে নতুন নতুন জিনিস এসেছে যেন ভালো লাগলো।
আপনার এই পোস্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে সুরের মাঠের মেলায় অনেক চমৎকার একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন যদিও সেখানে বেশি সময় এসেছিলেন না মাত্র ১ ঘন্টা। তবুও যতটুকু সময় ছিলেন খুবই সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন বোঝাই যাচ্ছে। মেলা মানেই যেন এক অন্যরকম অনুভূতি কিন্তু মেলাতে ভিড় থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমার মনে হয় যখন কোন মেলা হয় সেই মেলাতে সবসময়ই জিনিসপত্রের দাম অনেকটাই কম থাকে কারণ প্রচুর লোকজন আসে এবং বিক্রিও অনেক বেশি হয় সেজন্যই হয়তোবা সব কিছুর দাম কম রাখা হয়। যাইহোক আপনার এই সুন্দর মুহূর্তটা দেখে খুবই ভালো লাগলো।
শীত মানেই ভিন্ন রকমের আমেজ।সুরের মাঠের মেলা নামটি দারন লাগলো।মেলায় ভিড় হবে এটািই স্বাভাবিক।তবে দাম কিছুটা কম এবং অনেক ধরনের জিনিস পাওয়া যায় বলেই এত ভিড় থাকে এই মেলাগুলোতে। আপনি ঘন্টা খানেক ছিলেন, আপনার বেশ ভাল লেগেছে।আপনি বেশকিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন, দেখে ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ দিদি।