পেঁয়াজকলি -আলুর তরকারি রেসিপি
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে পেঁয়াজকলি -আলুর তরকারি রেসিপি তৈরি করে দেখালাম।আশা করি সকলের ভাল লাগবে।
শীতকালের একটি অন্যতম সবজি হল পেঁয়াজ কলি।পেঁয়াজকলি অনেক অনেক ঔষুধি গুনে ভরা। আসল কথাটা হলো আমাদের খাদ্য হিসাবে পরিচিত সমস্ত শাক সবজিই কোনো না কোনো খাদ্যগুনে ভরা|শুধু আমাদের গ্রহণ করতে হবে । প্রকৃতি সব সাজিয়েই রেখেছে , শুধু আমাদের নেওয়ার অপেক্ষা । পেঁয়াজকলি শরীরের প্রদাহ কমাতে ,অন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো রাখতে , অরুচি মুখের রুচি ফেরাতে অতুলনীয় । খুব সুন্দর , খুব রুচিকর ।আর আমাদের বাড়িতে তো একটু ঠান্ডা পড়তে পড়তেই পেঁয়াজকলি দিয়ে আলুর তরকারি রান্না শুরু হয়ে গেছে।তার সাথে শীতকালীন সবজি মানে কড়াইশুঁটি তো থাকবেই। তেমনিই একটি খুব সহজ রেসিপি আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি।এই রান্নাটি খুব কম সময়ের মধ্যে তৈরিও হয়ে যায়।আর এই রেসিপিটি রুটি বা ভাত সবের সাথেই খুব ভালো লাগে খেতে ।
চলুন তাহলে শুরু করা যাক রেসিপিটি।
পেঁয়াজকলি -আলুর তরকারি রেসিপি তৈরী করার পদ্ধতি:
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| ১. পেঁয়াজ কলি | ৫০০ গ্রাম |
| ২. আলু | ২ টো |
| ৩. কড়াইশুঁটি | 1/2 কাপ |
| ৪. কালো জিরে | ১ চামচ |
| ৭. কাঁচা লঙ্কা | ২টো |
| ৮. হলুদ গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ৯. লবণ | পরিমান মত |
| ১০. সাদা তেল | পরিমান মত |
রন্ধন প্রণালী :
প্রথম ধাপ
• প্রথমে পেঁয়াজকলি গুলো কুচি কুচি করে কেটে ভালো করে ধুয়ে একটি পাত্রে রাখলাম।
দ্বিতীয় ধাপ
• এরপর দুটো আলু ঝিরিঝিরি করে কেটে নিলাম। তার সাথে অল্প কড়াইশুঁটি নিয়ে নিলাম।
তৃতীয় ধাপ
• এরপর একটি পাত্রে অল্প সাদা তেল নিয়ে নিলাম।
চতুর্থ ধাপ
• এরপর তেল গরম হয়ে গেলে একচামচ কালোজিরা দিয়ে দিলাম।
পঞ্চম ধাপ
• সাথে সাথেই ঝিরিঝিরি করে কেটে রাখা আলুগুলো দিয়ে দিলাম।
ষষ্ঠ ধাপ
• এরপরে কড়াইশুঁটি গুলো দিয়ে দিলাম।
অষ্টম ধাপ
• তারপর পেয়াজকলি দিয়ে দিলাম।
নবম ধাপ
• এরপর পরিমাণমতো নুন এবং হলুদ দিয়ে দিলাম।
দশম ধাপ
• এরপর দুটো কাঁচা লঙ্কা মাঝখান থেকে চিরে দিয়ে দিলাম।
একাদশ ধাপ
• এরপর কিছুক্ষণ ঢেকে রাখলাম এবং সব শেষে একচামচ চিনি দিয়ে দিলাম।
দ্বাদশ ধাপ
• ব্যাস এভাবেই তৈরি হয়ে গেল পেঁয়াজকলি আলুর তরকারি।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


পেঁয়াজকলি -আলুর তরকারি রেসিপি দেখে অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আপনি খুবই মজাদার রেসিপি তৈরি করলেন।এই রেসিপির পরিবেশন আপনি খুবই সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে আমাদের মধ্যে শেয়ার করলেন। দেখে শিখতে পারলাম, পরবর্তী তৈরি করব ইনশাল্লাহ।
নিশ্চয়ই ভালো আছেন দিদি? আসলে এমন রেসিপি দেখলে খেতে খুবই ইচ্ছে করে। আপনি অত্যন্ত লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। চিংড়ি মাছ দিয়ে পেঁয়াজকলি ভাজি আমার খুব প্রিয়। আপনি খুব সুন্দর করে অত্যন্ত দক্ষতার সহকারে পেঁয়াজকলি দিয়ে আলুর তরকারি রেসিপি তৈরি করেছেন । আপনার রন্ধন প্রক্রিয়া খুবই সুন্দর হয়েছে। বিশেষ করে চিনি দেওয়াতে আমার মনে হয় খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজাদার এবং সুস্বাদু হবে। এতো চমৎকার ভাবে রন্ধন প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ভালো থাকবেন দিদি।
পেঁয়াজ কলি আলুর তরকারি দেখে সকাল সকাল লোভ লেগে গেল দিদি।সত্যি দিদি শীতের সময় যদি পেঁয়াজ কলি না দেওয়া হয় তরকারিতে তাহলে তরকারি স্বাদ অন্য রকম হয়ে থাকে। আপনি পিঁয়াজ কলি আলু, মটরশুঁটি দিয়ে রান্না করেছেন, যা অসাধারণ রেসিপি। ধন্যবাদ দিদি সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
পেঁয়াজের কলি ১ ঐতিহ্যবাহী খাবার আমাদের অঞ্চলে। কারন আমাদের অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজের আবাদ হয়। বিশেষ করে ঝাল মুড়ি মাখাতে খিচুড়ি ভাত খেতে এ সময় আমরা কাঁচা পেঁয়াজের কলি খেয়ে থাকি।
পেঁয়াজের কলি এবং আলু একত্রে ভাজি করলে এ ধরনের রেসিপি গুলা খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু হয়ে থাকে মাঝে মাঝেই খাওয়া হয়।। আপনার প্রস্তুত করার রেসিপিটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক মজাদার হয়েছিল খেতে।।
দিদি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন প্রকৃতি আমাদের জন্য সবকিছু সাজিয়ে রেখেছে আমাদের শুধু নেওয়ার পালা। প্রতিটা সবজিতে কিছু না কিছু পুষ্টি গুণ রয়েছে কিন্তু আমরা কি সব সবজি গ্রহণ করি, না করিনা। বিশেষ করে আমার কথাই যদি বলি আমি এমন অনেক সবজি আছে খাইনা। যাই হোক দিদি আপনার পেঁয়াজকলি -আলুর তরকারি রেসিপি দেখে লোভ সামলাতে পারছি না। আমি এই ভাজি খেতে খুবই পছন্দ করি। মনে হচ্ছে এর মধ্যে মটরশুঁটি দেওয়াতে এর স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। এভাবে ভাজি রুটি বা ভাতের সাথে গরম গরম খেতে দারুণ লাগে। ধন্যবাদ দিদি এত মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
পেঁয়াজ কলি আমাদের দেহের জন্য খুবই উপকারী। আর কিছু উপকারিতা আপনি তুলে ধরেছেন। যাই হোক আপনার রেসিপি মধ্যে একটি নতুন জিনিস শিখলাম। তরকারিটির মধ্যে আপনি চিনি দিয়েছেন। একবার ট্রাই করে দেখব।
এখন যেকোনো ভাজাভুজিতে পেঁয়াজ কলি দিলে খুব সুস্বাদু লাগে খেতে। আমিও পেঁয়াজ কলি এভাবে রান্না করে থাকি। সকালে গরম ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে খেতে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ দিদি এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
পেঁয়াজকলি আলুর তরকারি রেসিপি।দেখেই জিহ্বে জল এসে পড়লো। কালারটাও খুব চমৎকার লাগছে 🥰।আমার পেঁয়াজকলি আলুর তরকারি ভীষণ পছন্দ। যাই হোক আপনার বানানো রেসিপিটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
পেঁয়াজ কলি আমাদের জন্য খুব উপকারী। আপনি তা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। পেঁয়াজ কলি, আলু আর কড়াইশুটি দিয়ে দিদি আপনি মজার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন দেখে খুব ভাল লাগলো। গরম ভাত, রুটি সবটাতেই খেতে দারুন লাগবে।আমি মোটামুটি সবসবজি ই খেয়ে থাকি।সবজি, সালাদ ছাড়া আমার একটি দিনও কাটেনা। আমিও দিদি সবজিতে হালকা চিনি দেই।এতে সবজির টেস্ট বজায় থাকে। ধন্যবাদ দিদি মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।