ব্যস্ততম সময়

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

নমস্কার বন্ধুরা,


আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে বোনকে হোস্টেলে দিতে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলাম। আশা করি সকলের ভালো লাগবে ।

খুব ব্যস্ত একটা সময় পার করছি কিভাবে দিন চলে যাচ্ছে আমি তো ধরতেই পারছি না। এই সোমবার দেখলাম আজ দেখছি পরের সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। তবে যাই হোক সামনেই আমাদের ঘুরতে বেরোনোর আছে। মোটামুটি কুড়ি দিনের কাছাকাছি tour। তার জন্য জামা কাপড় কেনা, গোছানো হয়েই চলেছে। আর এতদিনের ঘুরতে যাওয়া মানেই একটা ব্যস্ততা লেগেই থাকে। তার মধ্যে এতদিন ঘুরতে যাওয়া ।সেদিনই আমাদের বাড়িতে বিশাল বড় পুজো রয়েছে ।মোটামুটি সেই দিনও ৩০০ লোকের খাওয়া দাওয়ার আয়োজন। মানে সব মিলিয়ে কি যে চলছে বলে বোঝাতে পারবো না।

WhatsApp Image 2023-06-01 at 1.36.44 PM.jpeg



এই ব্যস্ততার মধ্যেই বোনের পরীক্ষা, তার জন্য বোন আবার হোস্টেলে চলে যাবে ।ওকে দিতে যাওয়া ছিল গতকাল ।বোনের খুব মন খারাপ হচ্ছিল যে কদিন আমরা থাকবো না তার মধ্যে ও একাই পরীক্ষা দেবে ।কিন্তু কিছু তো করার নেই পরীক্ষা তো দিতেই হবে। ঘুরতে যাওয়ার পরে ঠিকই হবে । তাই গতকাল সকাল সকাল বেরিয়ে গেলাম কোলাঘাট যাওয়ার জন্য আমি আর ব্ল্যাকস বোনকে হোস্টেলে পৌঁছে দিলাম ।আর সেখান থেকেই কোলাঘাটের একটা হোটেলে ব্রেকফাস্ট করলাম। ব্ল্যাকস এর ইচ্ছে ছিল শের এ পাঞ্জাব হোটেলে লাঞ্চ করার কিন্তু আমরা এমন একটা সময় ব্রেকফাস্ট করলাম যে পেট পুরো ভরে গেছিল। লাঞ্চ করার মত পেটে আর জায়গা ছিল না ।তাই ঠিক করেছিলাম যে দু-তিন ঘন্টা কোথাও ঘুরে লাঞ্চ করবো।

WhatsApp Image 2023-06-01 at 1.36.43 PM.jpeg

WhatsApp Image 2023-06-01 at 1.36.45 PM.jpeg

WhatsApp Image 2023-06-01 at 1.36.44 PM (1).jpeg

WhatsApp Image 2023-06-01 at 1.35.49 PM.jpeg


তাই কোলাঘাট থেকে সোজা গাড়ি টেনে বোনেরই একা বন্ধুর বাড়ি তমলুকে সেখানে গেলাম। সেখানে গিয়ে প্রথমেই ওর বন্ধুর মাসির বাড়িতে গেলাম। তারপর সামনেই মা কালীর একটি জাগ্রত মন্দির ছিল । তারপর সেই মন্দিরে একটু ঘুরে আসলাম ।যেহেতু হঠাৎ করেই গিয়েছিলাম তাই পুজো দিইনি। মন্দিরটা দেখে আবার কোলাঘাটে বোনকে হোস্টেলে রেখে আসলাম ।ভেবেছিলাম লাঞ্চ করবো। কিন্তু বোনের বন্ধুর মাসির বাড়িতে এত মিষ্টি খাই দিয়েছিল আর লাঞ্চ করা হয়নি ।কি আর করা যাবে। আর এত গরম পড়েছিল ওই দিনকে পরেছিল যে খাবার মতো ইচ্ছেটুকু চলে গিয়েছিল ।তাই তাই আর লাঞ্চের কথা না ভেবেই সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বাড়ি চলে এলাম।

WhatsApp Image 2023-06-01 at 1.34.33 PM.jpeg




VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png


ধন্যবাদ।সবাই ভালো থাকবেন।

BoC- linet.png
-cover copy.png

|| Community Page | Discord Group ||


Sort:  
 3 years ago 

বেশ ব্যস্তময় সময় পার করছেন তা কিন্তু আপনার পোস্ট পড়ে বুঝাই যাচ্ছে। বোন কে হোস্টেলে রেখে আসা এবং বাড়িতে ৩০০ লোকের আয়োজন সব কিছুই আপনার ব্যস্তময় সময়কে আরও ব্যস্ত বানিয়ে দিলো।আবার নাকি ২০ দিনের সফর। যাই হোক এত গরমের মধ্যে কিন্তু অত খাওয়া যায় না আপু।

 3 years ago 

দিদিভাই আসলেই সময়গুলো বড্ড দ্রুত চলে যাচ্ছে, কিভাবে যে যাচ্ছে বুঝে উঠাই যাচ্ছে না। আপনার ব্যস্ততম সময়ের মুহূর্ত গুলো পড়ছিলাম, ছোট দাদা ও আপনি বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন, শতো ব্যস্ততার মাঝেও। আপনার ২০ দিনের ভ্রমণের সফর ভালো কাটুক, এমনটা প্রত্যাশা আগাম ব্যক্ত করছি।

শুভেচ্ছা রইল 🙏

 3 years ago 

দিদি আপনি খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন পোস্ট পড়ে জানতে পারলাম।বোনকে হোস্টেলে দিয়ে এলেন আর কিছু সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো। এরপর বাড়িতে ৩০০ লেকের আয়োজন।আবার ২০ দিনের সফর। সবমিলিয়ে বেশ ব্যস্ত সময়ই কাটাচ্ছেন দেখছি।আপনার সফর সুন্দর ও শান্তিময় হোক এমনটাই আশাকরি। ধন্যবাদ দিদি অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

অতিশয় ব্যস্তময় একটি মুহূর্তের বিষয় আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ব্যস্তময় মুহূর্তগুলো যেন দ্রুত চলে যায় তবুও ভালো লাগলো আপনার এই পোস্ট করে বোনকে হোস্টেলে রেখে এসে কে অনেক লোকের আয়োজন এর পরে অনেকদিন বাইরে ছিলেন সমস্ত বিষয়গুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।

 3 years ago 

আশা করি এর পর ভালো করে পোস্ট পড়ার পর কমেন্ট করবেন।

 3 years ago 

আসলেই দিদি ব্যস্ততার মধ্যে সময় কোন দিক দিয়ে চলে যায়, সেটা টেরই পাওয়া যায় না। আপনারা একটা হোটেলে ব্রেকফাস্ট করেছেন। খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে। আমাদের ছোট দাদার ইচ্ছে ছিলো শের এ পাঞ্জাব হোটেলে লাঞ্চ করার। তবে পেটে জায়গা ছিলো না বিধায়, ভেবেছিলেন যে দু-তিন ঘন্টা কোথাও ঘুরে লাঞ্চ করবেন। সেটা ভেবে বোনের বন্ধুর মাসির বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তবে সেখানে অনেক মিষ্টি খাইয়ে দিয়েছিল বিধায়, শেষ পর্যন্ত লাঞ্চ করা হয়নি। তাই বিকেলে বাসায় ফিরেছেন। অনেক সময় এমনটা হয় দিদি। আমরা ভাবি একটা আর হয় আরেকটা। আর মিষ্টি বেশি খাওয়ার পর এমনিতেও খাবার খেতে ইচ্ছে করে না। যাইহোক সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.104
BTC 64459.31
ETH 1884.15
USDT 1.00
SBD 0.37