আসলেই দিদি ব্যস্ততার মধ্যে সময় কোন দিক দিয়ে চলে যায়, সেটা টেরই পাওয়া যায় না। আপনারা একটা হোটেলে ব্রেকফাস্ট করেছেন। খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে। আমাদের ছোট দাদার ইচ্ছে ছিলো শের এ পাঞ্জাব হোটেলে লাঞ্চ করার। তবে পেটে জায়গা ছিলো না বিধায়, ভেবেছিলেন যে দু-তিন ঘন্টা কোথাও ঘুরে লাঞ্চ করবেন। সেটা ভেবে বোনের বন্ধুর মাসির বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তবে সেখানে অনেক মিষ্টি খাইয়ে দিয়েছিল বিধায়, শেষ পর্যন্ত লাঞ্চ করা হয়নি। তাই বিকেলে বাসায় ফিরেছেন। অনেক সময় এমনটা হয় দিদি। আমরা ভাবি একটা আর হয় আরেকটা। আর মিষ্টি বেশি খাওয়ার পর এমনিতেও খাবার খেতে ইচ্ছে করে না। যাইহোক সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।