আজকে আমি আপনাদের সামনে একটা নতুন বিষয় নিয়ে হাজির হয়েছি। আমাদের সবার জীবনে প্রত্যেকটা স্টেজে নতুন নতুন বন্ধু হয়। এই বন্ধু একেক পর্যায়ে যে থেমে যায়। যেমন ধরেন স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব থাকে ওই স্কুল পর্যন্তই তারপরে একেকজন একেক কলেজে চলে যায় কেউবা ঝরে পড়ে যায়। আবার কলেজে উঠার পরে নতুন বন্ধু হয় আবার ঐ কলেজের দুই বছরের জীবনে কলেজের বন্ধুত্ব স্থায়ী থাকে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে নতুন করে চার বছরের জন্য আবার বন্ধুত্ব হয়। সেই বন্ধুত্ব স্থায়ী থাকে কয়েক বছর। তারপর একেকজন একেক পর্যায়ে চলে যায় কেউ বড় পর্যায়ে জব করে, কেউ বিয়ে করে,কেউবা ব্যবসার কাজে চলে যায়। এদের মধ্যেও কিছু কিছু এক্সেপশনাল থাকে যে বন্ধু সারা জীবন থাকে। তাও বলবো আর চাকরি জীবনের বন্ধুত্ব থাকে ওই চাকরি পর্যন্তই। এভাবেই প্রকৃতির নিয়মে চলে আসছে। আমার কবিতার মূল বিষয় এটাই। এই বন্ধুত্ব নিয়ে আমি আজকে একটা কবিতা লিখব। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে।
"বন্ধুত্বের সীমাবদ্ধতা "
জান্নাতুল ফেরদৌস শেলি
স্কুল জীবনের বন্ধুগুলোর স্মৃতি
আজীবন গাঁথা হয়ে থাকবে হৃদয়ে।
অবশেষে স্কুল জীবনের শেষ হলো
বন্ধুগুলো সব চলে গেল।
১২ বছরের ইতি টেনে উঠলাম কলেজে
পেয়ে গেলাম নতুন বন্ধু হৃদয়ে।
কত হাসি কত দুষ্টুমি একসাথে
আজো স্মৃতি নাড়া দিয়ে ওঠে মনের এক কোণে।
কলেজ শেষ হবার পরে
উপস্থিত হলাম নতুন জীবনে।
শুরু হলো নতুন যুদ্ধ নতুন পথে যাবার
এ পথে আহা পেলাম নাকো কোন বন্ধু আর।
শত ঝড়-ঝাপটার পরে
এসে গেলাম নতুন শহরে।
এ পথেও সঙ্গী হল নতুন বন্ধু
দীর্ঘ চার বছরের পথ চলার শুরু।
এবার আসলো আসল সন্ধিক্ষণ
চাকরির যুদ্ধের লগ্ন।
এ পথে হায় আপন কোন
বন্ধু থাকার উপায় নাই।
অবশেষে যখন নতুন চাকরি হবে
আবারো কিছু বন্ধু হবে ওই সময়টাতে।
কিন্তু ভাই এই বন্ধুত্ব সেই স্কুলের বন্ধুত্ব না
যাই বলি আর তাই বলি এই বন্ধুত্ব আর পাব না।
তাহলে বলিব ভাই
বন্ধুত্বের কি সীমাবদ্ধতা নাই?
আজকের কবিতাটিতে আমি বিভিন্ন পর্যায়ে যে আমাদের বন্ধু হয় সেই বন্ধুর ব্যক্তি কতটুকু সেটা বুঝাতে চেয়েছি তবে সব ক্ষেত্রে তা হয় না। আমাদের এমন কোন বন্ধু থাকে যা আজীবন আমাদের সাথে বিপদে আমাদের পাশে থাকে। তাই আমার কবিতাটি শুধুমাত্র একদিক থেকে ভেবে লেখা। আমি কবিতা লিখতে পারি না তবে সবার অনুপ্রেরণায় এখন লেখার চেষ্টা করি। কতটুকু কি লিখি আমি জানিনা। এইতো ভালো লাগলে জানাবেন।
এতক্ষণ আমার পোষ্ট মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আজ এখানেই শেষ করছি আবার অন্য কোনদিন নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে উন্মোচিত হব। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

ধন্যবাদ সকলকে✨💖


ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | Redmi note 9 |
| ক্যামেরা.মডেল | note9 |
| ফটো ডিজাইন | ক্যানভা অ্যাপ। |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ। |


আমার পরিচয়
আমি শেলি। আমি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুরে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ে সি এস ই তে অধ্যায়নরত আছি। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকতে ভালোবাসি। নতুন কিছু শিখতে এবং জানতে ভালোলাগে।ঘুরতে আর খেতে খুব ভালোবাসি।অবসর সময় পেলেই ছবি আঁকি। এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, আপনারা সবাই আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে উৎসাহিত করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে। 🌼💖🌼 |
👉সবার প্রতি শুভেচ্ছা এবং পোস্টটি সমর্থনকারী সকল বন্ধুদের বিশেষ ধন্যবাদ।

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সময়ের পালা বদলে আমাদের জীবন থেকে প্রত্যেকটা জিনিসই হারিয়ে যায়। সেটা বন্ধুত্ব হোক বা অন্য কিছু। যেমন প্রথমদিকে আপনি বন্ধুত্বের বিষয়টা সংঘায়ন করেছেন। এক এক স্টেজের বন্ধু এক একটা সময় এসে হারিয়ে যায়। আবার নতুন করে তৈরি হয়। তারপরেও কিছু বন্ধুত্ব অটুট থেকে যায়। সেই বন্ধুত্বকে কেন্দ্র করে বন্ধুত্বের সীমাবদ্ধতা নামের একটি কবিতা লিখেছেন। প্রত্যেকটা লাইনের মধ্যেই বন্ধুত্বের প্রীতি কথা প্রকাশ পেয়েছে। ধন্যবাদ আপু কবিতাটি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকেও গঠনমূলক মন্তব্য করেছেন বলে।
X-promotion
স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব আর সেই স্মৃতিগুলো সত্যিই অমূল্য। কবিতায় বন্ধুত্বের বিভিন্ন পর্যায়গুলো এত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছো, যা মনকে নাড়া দেয়। জীবনের পথে নতুন বন্ধু আসলেও স্কুলের বন্ধুত্বের জায়গা কেউ নিতে পারে না। এই চমৎকার অনুভূতি কবিতার ভাষায় প্রকাশ করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
গুছিয়ে এত সুন্দর করে মন্তব্য করেছেন দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া।
বন্ধুত্ব নিয়ে আপনি যে কবিতাটি আজ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা এক কথায় অসাধারণ একটি কবিতা। আসলে আপনার কবিতার প্রত্যেকটি লাইনের মধ্যে দারুন দারুন অনুভূতি লুকিয়ে রয়েছে এবং বন্ধুত্বের সেই ভালোবাসাগুলো লুকিয়ে রয়েছে। এত সুন্দর একটা কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
স্কুল লাইফ মানে মধুর সময়। হয়তো প্রাইমারি লাইফটাতে সেই ভাবে ভালোলাগা যাবে না। কিন্তু হাই স্কুল লাইফের পাঁচটা বছর জীবনের সোনালী অধ্যায়। সে জীবনের অনুভূতিগুলো শুধু মিস করে যেতে হবে যতদিন বেঁচে থাকবো। সে মায়ার বন্ধনের বন্ধুগুলোকে জীবনের বিশেষ বিশেষ স্থানে উপস্থিত হয়েও পাবোনা। সে বন্ধুত্ব লেগে থাকে হৃদয় থেকে হৃদয়ে।
জ্বী ভাইয়া একদম ঠিক বলেছেন প্রাইমারি স্কুলের বন্ধুত্ব গুলো আসলেই অন্যরকম।
খুব সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন আপনি।বন্ধুত্বের সীমাবদ্ধতা কবিতাটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। আসলে প্রত্যেক মানুষের জীবনে বন্ধুত্ব আছে। আর সময়ের কারণে নতুন নতুন বন্ধু হয়। তবে আপনার কবিতার ভাষা সত্যি চমৎকার। সুন্দর অনুভূতি দিয়ে কবিতাটি লিখে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার ভালো লেগেছে এতেই অনেক।
আপনার লেখা বন্ধুত্বের সীমাবদ্ধতা কবিতাটা আমার কাছে পড়তে খুব ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর করে আপনি আজকের কবিতাটা লিখেছেন। প্রতিনিয়ত কবিতা লেখার জন্য চেষ্টা করলে আরো ভালো কবিতা লিখতে পারবেন আপনি পরবর্তীতে। স্কুল লাইফটা আমাদের সবার জন্য অনেক বেশি স্পেশাল ছিল। আর এই সময়টা আমরা চাইলেও এখন আর ফিরে পাবো না। প্রতিটা মুহূর্ত খুব দারুণ ছিল স্কুল লাইফের।
জি আপু আসলে স্কুল জীবন কখনো ফিরে পাবার নয় সব থেকে ভালো মুহূর্ত ছিল। যাই হোক ধন্যবাদ আপু।