এগারোটার একটু পরে আমাদের নামাজ শুরু হয়েছিল৷
আমাদের এখানেও সেইম অবস্থা ছিলো ভাই। সকালে হুটহাট চার দিক অন্ধকার হয়ে বৃষ্টি শুরু হয়। সেই বৃষ্টি ছিলো ১২ টা পর্যন্ত। এজন্য আমাদের ঈদের নামাজ পড়তে হয় মসজিদে। এর আগের বছর করোনার জন্য মসজিদে পড়তে হইছিলো। এবার বৃষ্টির জন্য। তবে আমি মনে করি ঈদের দিন বৃষ্টি রহমতের সংকেত।
ঈদের নামাজ ঈদগাহে না পড়লে একদমই শান্তি লাগে না। মনেই হয় না যে ঈদ কাটাচ্ছি।
🥰