হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন
গত কয়েকদিন থেকে আবহাওয়া মোটামুটি ঠিকঠাকই ছিল, সকাল এবং সন্ধ্যেবেলার দিকে কিছুটা কুয়াশা পড়ছিল। এতে বুঝতে পারছিলাম শীতের আগমন খুব সন্নিকটেই।
এই সময়, প্রতিটা বাড়িতেই আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে জ্বর, সর্দি,কাশিতে ভোগা ভুক্তভোগী মানুষজন আছেই। তেমনটা আমার বাড়িতেও আছে, বলতে গেলে আমার, বাবুর মা ও বাবুর হালকা কাশি ধরে গিয়েছিল। যাইহোক এভাবেই কয়েকদিন থেকে সময় গুলো যাচ্ছিল।
বেশি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে গতকাল থেকে, হঠাৎ করেই নিম্নচাপ শুরু হয়েছে। একদিকে বাতাস অন্যদিকে বৃষ্টি। সব মিলিয়ে এই সময় হঠাৎই এমন আবহাওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনে বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুনছি ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাও নাকি সেটা আজ সন্ধ্যা থেকেই। মোটামুটি আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাওয়া তথ্য থেকে যা জানতে পেরেছি তা হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা বেশ ভালো থাকবে আর অন্যান্য জায়গায় তুলনামূলক কিছুটা কম।
এমনিতেই শীতের আগমনের কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, তার ভিতরে এ ঝড়ের কারণে বেশ ভালই ভোগান্তিতে ভুগতে হবে দু-একটা দিন। শুধু নিজ জায়গা থেকে একটা কথাই বলতে চাই, সবাই নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে থাকুন। বিশেষ করে যারা দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে আছে, ঠিক তারা।
তাছাড়া এসময় ঠান্ডা জনিত অসুখ-বিসুখ বেশ ভালোভাবেই ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র। অবশ্যই, বেশি সমস্যায় ভুগলে অবহেলা না করে নিকটস্থ হাসপাতালে ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন এবং নিজে সচেতন হোন এবং অন্যকে সচেতন হতে সহযোগিতা করুন। সবার সময় ভালো কাটুক, এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ঠিকই বলেছেন ভাই। হঠাৎ করে আবহাওয়ার পরিবর্তন অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তার মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড়। এর প্রভাবে চারিদিকে বৃষ্টি হয়েই যাচ্ছে। তাই জন্য আবহাওয়ার খুব হেরফের হচ্ছে। তার মধ্যে আমাদের সাবধানে থাকতে হবে। অবহেলা করলেই জ্বর সর্দি কাশি এবং বিভিন্ন রকম অসুস্থতার প্রকোপ এসে পড়বে। আপনিও পরিবার সমেত সাবধানে থাকুন।
সবাইকেই সাবধানে থাকতে হবে ভাই। আবহাওয়া পক্ষে যাচ্ছে না।
বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে থাকার কারণে ভারতের কিছু রাজ্য এবং বাংলাদেশ দুজনকেই প্রচুর বার ঘূর্ণিঝড় এবং প্রবল নিম্নচাপের সম্মুখীন হতে হয়। তাছাড়া বর্তমানে তীব্র গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কারণে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বেড়ে গেছে। আবহাওয়া দপ্তর তো এভাবেই বলে বঙ্গোপসাগরে লাইন দিয়ে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে একের পর এক সময় অনুযায়ী আসছে। এখন কি পরিস্থিতির দাদা ওদিকে? দেশের বাড়িতে তো বলল খুব একটা ঝড় হয়নি তবে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। সাবধানে থাকুন এই সময় ঠান্ডা লাগার তীব্র প্রবণতা থাকে। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকুন।
অবস্থা খুব একটা ভালো না। মোটামুটি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ভালোই।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সবার ঘরে ঘরে সর্দি কাশি লেগে রয়েছে। দিনের বেলা রকম গরম থাকে। আর রাতের বেলায় ঠান্ডা। এর জন্য এরকম হচ্ছে। গতকাল আমাদের এখানেও মোটামুটি বৃষ্টি হয়েছে। আজকে ওয়েদার ভালো। যাই হোক আপনিও পরিবার নিয়ে সাবধানে থাকার চেষ্টা করবেন।
একদম ঠিক বলেছেন আপু।
এমনেতেই শীত প্রায় কাছাকাছি চলে আসাতে আবহাওয়ার একটু পরিবর্তন রয়েছে আর এতে প্রতিটা ঘরে ঘরে জ্বর আর ঠান্ডা জনিত সমস্যা লেগে রয়েছে। কিন্তু এরমধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়ার পর থেকে আবহাওয়া একদমই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আমিসহ আমার পরিবারের সবাই অসুস্থ। যদিও ডাক্তার দেখিয়েছি কিন্তু এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারিনি। হঠাৎ করে এভাবে আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে সবসময়ই আমরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। যাই হোক আপনার বাবুর জন্য দোয়া রইল যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠে। তাছাড়া পরিবারের সবাইকে নিয়ে সাবধানে থাকার চেষ্টা করবেন।
বিগত দুই দিন আমাদের এখানেও মোটামুটি বৃষ্টি হয়েছিল। তবে আজকে একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। যাইহোক খুব শীঘ্রই দেশের সব জায়গায় শীত পড়া শুরু হবে। কারণ ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় সকাল বেলা কুয়াশা দেখা যায়। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমাদের এদিকে ও ভাইয়া কয়েকদিন হল প্রচন্ড বৃষ্টি। আর হঠাৎ করে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তারপর আবার ঘূর্ণিঝড়। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার অন্যরকম একটি অবস্থা। আমি নিজেও অসুস্থ জ্বর। এটা ঠিক বলেছেন ভাই আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।আপনি ও আপনার পরিবার ভালো থাকুন এই কামনাই করি।
আসলে আবহাওয়া পরিবর্তন হতে সময় লাগে না। আবহাওয়া যে কোন সময় পরিবর্তন হয়ে যায়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই বৃষ্টিপাত হয়েছে।আর বিশেষ করে আমাদের উত্তর বঙ্গে একটু বেশি।আর বৃষ্টির কারণে অনেক টা ঠান্ডা নেমে এসেছে। শীতকাল ও খুবই নিকটে।