কালিবাউস মাছ আমাদের বাজারে ওঠে কিন্তু মা কখনও আনতে বলেনা। মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিন্তু সে কেন এটা খাবে না তার কোন কারন আমাকে বলে না। খালি বলে না ঐ মাছ আনবি না। তারপরও একদিন আমি খেয়েছিলাম মামার বাসায় গিয়ে। পরে জানতে পারলাম বাবা কালিবাউস মাছ খায় না বলে মাও খায় না। হা হা। মূলত এই কালিবাউস মাছ রুই মাছের মতই দেখতে হয় অনেকটা। এই মাছ গুলো আমাদের এখনে নদীতে পাওয়া যায়। এর স্বাদ আমার কাছে কিছুটা রুই মাছের মতই মনে হয়েছে তবে ভিন্ন জনের ভিন্ন মত থাকতে পারে। এটি স্বাদু জলাশয়ে বেশী থাকে।দাদা আপনার রেসিপি পোষ্ট দেখে ইন্টারনেটে সার্চ দিতেই এই মাছের আরো বেশ কয়েকটি নাম খুজে পেলাম। যদিও স্থান ভেদে নামের ভিন্নতা থাকবেই।বাউস, কালাবাউস, বাউগনি, কালবাসু এবং কলিয়া ইত্যাদি। তবে আপনার রান্নার ধরন আগে মাছগুলো ভেজে নেন আমাদের বাড়ীতেও মাছ আগে কিছুটা ভেজে তারপর ঝোল তরকারী তৈরী হয়। সাজনা ডাটা কিছুটা বুড়ো হয়ে এসেছে তবে এখনো কিন্তু স্বাদ রয়েছে। অনেক গাছে আছে যেগুলোতে সাজনা ডাটা খুব একটা বতি হয়নি এখনও। মাছের সাথে অন্যান্য তরকারী দিলে রান্নাটা একটু জোরালো হয়। খেয়েও মজা পাওয়া যায়। আপনার রেসিপি সবসময় স্পষ্ট তাই ভাল লাগে । ধন্যবাদ দাদা ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।