RE: শক্তিগড়ের একটি মন্দিরের ভিতর থেকে সংগৃহিত কিছু ফটো
একদিন শক্তিগড়ের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেছিলাম দুই বন্ধু । এই শক্তিগড়টি বর্ধমান এর দিকে অবস্থিত। শক্তিগড়ে আমাদের যাওয়ার প্রধান কারণ ছিল ল্যাংচা খাওয়ার জন্য।
শক্তিগড়ের মন্দিরটি ভীষণ সুন্দর দাদা। আপনি অনেক দূর থেকে শক্তিগড়ের মন্দির ভ্রমণে গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। একদিকে মজাদার ল্যাংচা খাওয়া হলো অন্যদিকে সুন্দর একটি মন্দিরে ভ্রমণ করা হলো। দুটো কাজ একসাথেই হয়ে গেল দাদা। আর অন্যদিকে দুই বন্ধু মিলে অনেক সুন্দর সময় কাটানোও হলো।এছাড়া আমরা যারা কর্মব্যস্ত জীবন পার করি তারা হয়তো কর্মব্যস্ততার কারণে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার সময় করে উঠতে পারি না। আসলে আমরা যতই ব্যস্ত থাকি না কেন মাঝে মাঝে যদি সময় বের করে কোথাও ঘুরতে যাই তাহলে একদিকে যেমন মানসিক প্রশান্তি আসে অন্যদিকে নিজেকে খুবই রিফ্রেশ মনে হয়। অনেক সময় কাজের মাঝে থাকতে থাকতে একঘেয়েমি মনে হয়। তাই আমাদের ব্যস্ত জীবনের কাজগুলো একটুখানি দূরে সরিয়ে আমরা যদি মাঝে মাঝে পছন্দের জায়গা গুলোতে ঘুরতে যাই তাহলে খুবই ভালো লাগে। আর আপনি একজন ভ্রমন প্রিয় মানুষ ও খাদ্য প্রেমী মানুষ এটা বোঝাই যাচ্ছে দাদা। কারণ আপনি খাদ্য প্রেমী মানুষ না হলে এত দূরে আপনার পছন্দের ল্যাংচা খেতে যেতেন না। সত্যি দাদা বিষয়টি আমার কাছে দারুন লেগেছে। আসলে সেখানকার ল্যাংচা খেতে সত্যিই হয়তো অসাধারণ। না হলে আপনি এত কষ্ট করে আপনার ব্যস্ততার মাঝেও সেখানে ল্যাংচা খেতে যেতেন না। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো সবসময়ই খেতে ভালো লাগে। ল্যাংচা মহলের ফটোগ্রাফি যখন দেখছিলাম তখনই বোঝা যাচ্ছিল সেখানকার ল্যাংচা খেতে অসাধারণ। আসলে আমার অঞ্চলেও এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো অনেকের কাছে প্রিয়। তেমনি আমার কাছেও বিভিন্ন অঞ্চলের খাবার ভালো লাগে। যেমন আমার দেশে কুমিল্লার রসমালাই খুবই জনপ্রিয়। আবার অন্যদিকে বলতে গেলে পোড়াবাড়ির চমচম খুবই জনপ্রিয়। আবার বনলতা সেনের অঞ্চল অর্থাৎ নাটোরের বনলতা সেনের অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার হচ্ছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা। আসলে এই খাবারগুলো সবসময় সবার কাছে প্রিয়। তেমনি ওই মন্দিরের পাশের ল্যাংচা দোকানের ল্যাংচা আপনার কাছে অনেক প্রিয়। যাই বলুন না কেন দাদা মন্দিরটি কিন্তু আমার কাছে দারুণ লেগেছে। আর আমি একটি কথাই বলতে চাই ফটোগ্রাফির দক্ষতা আসলে আপনার কাছ থেকেই শেখা উচিৎ। আপনি এত দক্ষতার সাথে ফটোগ্রাফিগুলো করেছেন যে দেখে বোঝা যাচ্ছে মন্দিরটি কত নিখুঁত কারুকার্য করা ও সৌন্দর্য্যে ভরপুর। আপনি খুব সুন্দর করে এই মন্দিরের ভেতরের অংশ ও বাহিরের অংশ উপস্থাপন করেছেন সবকিছু আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। সেই সাথে আপনার ল্যাংচা খাওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের বাজে উপস্থাপন করেছেন এ জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য ও অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো আপনার জন্য। 💗💗💗💗💗