ঘুরে এলাম বিউটি পার্ক
হ্যালো,
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই।আশা করছি ভালো আছেন সুস্থ আছেন।আমিও ভালো আছি।
কিছুদিন আগে আমার ননদ @bristychaki এর খবাসায় ঘুরতে গেছিলাম আমার মেয়ের কারণে। হঠাৎ মেয়ে বায়না ধরেছে পিসি মানির বাসায় যাবে ওখানে যাওয়ার এক মাত্র উদ্দেশ্য অর্থী। অর্থীর সাথে খেলাধুলা দুষ্টমী করতে পারবে। অর্থী ওর পিসির ছোট মেয়ে দুজনার বেশ ভাব,এক সাথে খাওয়া,স্নান,দুষ্টুমী, ঘোরাফেরা সব এক সাথে।আমরা যাওয়ার কারণে ঐশী, অর্থী,বায়না ধরলো বিউটি পার্কে যাবে।যে কথা সেই কাজ।দুপুরের খাওয়াদাওয়া শেষ করে একটু রেষ্ট ও নেওয়ার তর সইলো না ওদের একদম খেয়ে উঠেই রেডি তিনজনা।আমারও বাধ্য হয়ে রেডি হয়ে বেরিয়ে পরলাম এবং একটা অটো রিজার্ভ করে সবাই গেলাম বিউটি পার্কে।
বিউটি পার্কের প্রবেশ পথেই একটি ভয়ঙ্কর সিংহের গর্জনের ভাস্কর্য।এই সিংহের মুখেটি মুলত টিকিট কাউন্টার। নিয়ম অনুযায়ী টিকিট কেটে আমরা প্রবেশ করলাম পার্কের ভিতরে।তারপর বাচ্চাদের আনন্দের মুহূর্ত শুরু হয়ে গেলো সবাই মিলে হইচই শুরু করে দিলো কোথায় উঠবে আর কোথায় উঠবে না তারা দিশেহারা।
বাচ্চারা ওদের মতো করে ঘোরাঘুরি করছে আমরা আমাদের মতো। ঘোরাঘুরির ফাকে কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিলাম।এই যে এখানে সুন্দর একটি ঈগলের উড়ন্ত ভাস্কর্য দেখে বেশ ভালো লাগলো তাই ফটোগ্রাফি করে নিলাম।দেখে মনে হচ্ছিল যে সে বসে ছিলো কিন্তুু আমাকে দেখে উড়াল দিচ্ছে।
তারপর চোখ আটকে গেলো একটি ভালোবাসার ভাস্কর্যে বেশ সুন্দর দুটো লাভ, অপুর্ব দেখতেপাশাপাশি বেশ কয়েকটা ছিলো আলাদা আলাদা কিন্তুু আমি শুধু একটির ফটোগ্রাফি করেছি।
হঠাৎই দেখতে পেলাম মাছের ভাস্কর্য। একদম দূর থেকে দেখলে মনে হবে তরতাজা জীবন্ত মাছ।মাছের সামনে বসার ব্যাবস্থা বেশ সুন্দর লাগলো।
এবার আমি একটা ডলফিন ও খুব সুন্দর চাতক পাখির দেখা পেলাম।যদিও বা বাস্তবে কখনো ডলফিন ও চাতক পাখি দেখিনি।তবে চাতক পাখির ডাক শুনেছি অনেক।ফুটিক জল ফুটিক জল বলে চিৎকার করতো।অনেককে বলতে শোনা যেতো জল খাওয়ার জন্য না কি ওরা এমন করে।বৃষ্টি আসলেই শুধু ওরা জল খেতে পারে নইলে নয় সত্যি মিথ্যা জানি না তবে এই পাখি এখন বিলুপ্ত করণ ছোট বেলায় এর কন্ঠ শুনেছি শুধু আর কোনদিন শুনতে পাইনি এবং এখনো শুনতে পাই না।
আমরা ঘোরাঘুরি করছি ওদিকে বাচ্চারা সুইমিংপুলের সুইমিং করছে।পরিবেশটা সুন্দর এবং নিরাপদ ছিলো জন্য নিশ্চিন্তে থাকা গেছে যে যার মতো। সুইমিংপুলের ওরা ওদের মতো করে আনন্দ করছে।
আরো অনেক সুন্দর, ভাস্কার্য় ছিলো ফুল ছিলো,ঝরনা ছিলো,বেশ ভালো লাগছিলো সব কিছু মিলে।
ঘুরতে ঘুরতে আমরা অনেকটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।ভাবলাম ঠান্ডা কিছু খাই কিন্তুু দুঃখের বিষয় যে দু চারটা দোকান ছিলো সব গুলোই বন্ধ আর গেইটের বাইরের একটি দোকানে চা বিস্কুট ছারা তেমন কিছুই ছিলো না।তাই সিদ্ধান্ত নিলাম বাইরে গিয়ে কোন ভাল রেষ্টুরেন্টে খাব যে কথা সেই কাজ। বিউটি পার্ক থেকে বের হয়ে অটোতে চেপে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম এবং বাসার কাছেই একটি ভালো রেষ্টুরেন্ট ছিলো সেখানে নেমে পড়লাম এবং যে যার পছন্দ মতো খাবার অর্ডার করলাম ও খেলাম।
| পোস্ট | বিবরণ |
|---|---|
| পোস্ট | ফটোগ্রাফি |
| ডিভাইস | oppoA95 |
| লোকেশন | গোবিন্দগঞ্জ |
আমি হৈমন্তী দত্ত। আমার স্টিমিট আইডিরঃshapladatta. জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শখঃবাগান করাও নিরবে গান শোনা,শপিং করা। ভালো লাগে নীল দিগন্তে কিংবা জোস্না স্নাত খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে।কেউ কটূক্তি করলে হাসি মুখে উড়িয়ে দেই গায়ে মাখি না।পিছু লোকে কিছু বলে এই কথাটি বিশ্বাস করি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।বিপদকে ও অসুস্থতার সাথে মোকাবেলা করার সাহস রাখি সহজে ভেঙ্গে পরি না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি আর মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পর হিংসা আপন ক্ষয়। ধন্যবাদ ।
!upvote 40
Amazing place
🎁🏆 Participate in in contests promoted by the "Seven Network" Community🎁🏆.
This post was manually selected to be voted on by "Seven Network Project". (Manual Curation of Steem Seven). Also your post was promoted on Twitter by the account josluds
the post has been upvoted successfully! Remaining bandwidth: 80%
Your post has been rewarded by the Seven Team.
Support partner witnesses
We are the hope!
বিউটি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্তগুলো এত সুন্দর ভাবে পোস্টের মাধ্যমে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। বিউটি পার্ক টি অনেক সুন্দর। বিশেষ করে বিউটি পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ভাস্কর্য গুলো মনমুগ্ধকর লেগেছে আমার কাছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া অনেক সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর বিউটি পার্ক।ভাস্কর্য গুলোও মনোমুগ্ধকর।