টুম্পার হাতের লাল গোলাপ"🌹🌹||~~
স্বরচিত কবিতা
সকলকে শুভেচ্ছা। আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি। আর আপনারা সবাই সব সময় ভালো থাকবেন,এটাই প্রত্যাশা করি।
কবিতাটির মূলভাব
এই কবিতায় মায়ের অনুভূতি ফুটে উঠেছে তার ছেলের বিয়ে ও ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য এক নতুন অতিথি, টুম্পাকে নিয়ে। মা হিসেবে, তার হৃদয়ে এক অশেষ আনন্দ, গর্ব এবং ভালোবাসা উদিত হয়েছে, কারণ তার ছেলে এখন একটি নতুন জীবনের পথে পা বাড়াচ্ছে, যেখানে তার সঙ্গী হবে টুম্পা। মায়ের চোখে, এই মুহূর্তটি যেন এক নতুন সূর্যের উন্মেষের মতো, যেখানে টুম্পা তার ছেলের জীবনে ভালোবাসা, স্নেহ এবং সুখের নতুন আলো নিয়ে আসবে।
টুম্পার হাতে যে লাল গোলাপ উপহার হিসেবে এসেছে, তা যেন শুধু একটি ফুল নয়, বরং একটি আশীর্বাদ—যে আশীর্বাদ নতুন সম্পর্কের শুভ সূচনা হবে। মা তার সন্তানের জীবনে সুখী ভবিষ্যতের কামনা করে, এই গোলাপের মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের সৌন্দর্য ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে দেখতে চায়। মা জানেন, সন্তান তার জীবনে বড় হওয়ার সাথে সাথে, জীবনের পথে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে, কিন্তু তাকে একসাথে এগিয়ে যেতে হবে। মায়ের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ থাকবে তাদের সঙ্গে, যাতে তারা একে অপরের পাশে থেকে, সুখী ও সফল জীবন গড়ে তুলতে পারে।
মায়ের আশা, এই সম্পর্ক যতটা মিষ্টি এবং শুভ, ততটাই দীর্ঘস্থায়ী এবং পরিপূর্ণ হবে। মা বিশ্বাস করেন, তাদের জীবনে একে অপরের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং সমর্থন তাদের পথচলাকে আরও সুন্দর ও সফল করে তুলবে। এই কবিতায় মায়ের অন্তরের গভীর ভালোবাসা, আনন্দ এবং আশীর্বাদ ফুটে উঠেছে, যা তার ছেলের বিয়ের আনন্দের সাথে মিশে গেছে।
আজ বিকেলে, নীলফামারী বড় মাঠে,
টুম্পার সাথে আমার দেখা,
হৃদয় ভরে উঠলো এক
অপরিসীম আনন্দে,
যেন স্বপ্নের মতো, মায়ের চোখে
সোনা রঙের আলো।
সে আমার জন্য হাতে করে এনেছে
টুকটুকে লাল গোলাপ,
ফুল গুলো যেন ভালোবাসার
, শুভ সূচনা,এক নতুন সম্পর্কের প্রতীক,
যার মধ্যে ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়বে।
মা হিসেবে আমার অনুভূতি
সীমানা ছাড়িয়ে গেছে,
আমার ছেলে, যার ভবিষ্যৎ আজ থেকে
নতুন এক পথে হাঁটবে,
টুম্পা তাকে নিয়ে আসবে সুখের রাজ্যে,
যেখানে প্রেম, স্নেহ, আর সমর্থন থাকবে
একে অপরের পাশে।
গোলাপের রঙে ভরা হৃদয়, যেন বলে যায়,
এটাই তো সেই মুহূর্ত,
যেখানে নতুন সূর্য উদিত হয়,
টুম্পা আসবে তার জীবনে আলো দিতে,
আর তাদের সম্পর্ক হবে অটুট,
সুখের পথে চলবে।
মা হিসেবে আমি জানি,
সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে,
কিন্তু সঙ্গী হিসেবে টুম্পা থাকবে পাশে,
ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আর একে
অপরের সমর্থন,
তাদের সম্পর্ক হবে শক্তিশালী,
স্থায়ী এবং সাফল্যমণ্ডিত।
এটাই তো স্বপ্ন, এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা,
যেখানে মা হিসেবে, আমি কেবল
আশীর্বাদ জানাতে চাই,
টুম্পা আর আমার ছেলের জীবন হবে
সুখে পরিপূর্ণ, যেন প্রতিটি মুহূর্তে
ভালোবাসা আর আনন্দে ভরা।
আজকের এই স্নিগ্ধ মুহূর্ত,
স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে,
এটি আমার ছেলের জীবনের
এক অমূল্য রত্ন হয়ে থাকবে।
আমি জানি, তাদের পথচলা
একে অপরের হাত ধরে,
তাদের সম্পর্ক হবে নিখুঁত,
এবং সারা জীবন থাকবে সঙ্গী,
সুখী ও সফল ভাবে।
বন্ধুরা আমার আজকের কবিতটি, নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। আর আপনাদের ভালোলাগাই আমার সার্থকতা ও পরম পাওয়া। সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। পরবর্তীতে আবারো সুন্দর সুন্দর কবিতা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব, আমি সেলিনা সাথী...
আমি সেলিনা সাথী। ছন্দের রাজ্যে, ছন্দরাণী কাব্যময়ী-কাব্যকন্যা বর্তমান প্রজন্মের নান্দনিক ও দুই বাংলার জনপ্রিয় কবি সেলিনা সাথী। একধারে লেখক, কবি, বাচিক শিল্পী, সংগঠক, প্রেজেন্টার, ট্রেইনার, মোটিভেটর ও সফল নারী উদ্যোক্তা তার পুরো নাম সেলিনা আক্তার সাথী। আর কাব্যিক নাম সেলিনা সাথী। আমি নীলফামারী সদর উপজেলায় ১৮ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। আমার বাবা পিতা মরহুম শহিদুল ইসলাম ও মাতা রওশনারা বেগম। ছড়া কবিতা, ছোট গল্প, গান, প্রবন্ধ, ব্লগ ও উপন্যাস ইত্যাদি আমার লেখার মূল উপজীব্য। আমার লেখনীর সমৃদ্ধ একক এবং যৌথ কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫ টি। আমার প্রথম প্রকাশিত কবিতার বই অশ্রু ভেজা রাত, উপন্যাস মিষ্টি প্রেম, যৌথ কাব্যগ্রন্থ একুশের বুকে প্রেম। জীবন যখন যেমন। সম্পাদিত বই 'ত্রিধারার মাঝি' 'নারীকণ্ঠ' 'কাব্যকলি'সহ আরো বেশ কয়েকটি বই পাঠকহমলে বেশ সমাদৃত। আমি তৃণমূল নারী নেতৃত্ব সংঘ বাংলাদেশ-এর নির্বাচিত সভাপতি। সাথী পাঠাগার, নারী সংসদ, সাথী প্রকাশন ও নীলফামারী সাহিত্য ও সংস্কৃতি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়াও আমি জেলা শাখার সভাপতি উত্তোরন পাবনা ও বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার পরিষদ নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছি। তিনি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৪ সালে নীলফামারী জেলা ও রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য শ্রেষ্ঠ জয়িতা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছি। এছাড়াও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় ও সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখায় আমি বহু সম্মামনা পদক অর্জন করেছি। যেমন সাহিত্যে খান মইনুদ্দিন পদক ২০১২। কবি আব্দুল হাকিম পদক ২০১৩। শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র কর্তৃক সম্ভাবনা স্মারক ২০১৩। সিনসা কাব্য সম্ভাবনা ২০১৩। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন উপলক্ষে সম্মামনা স্মারক ২০১৩। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৩৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সম্মাননা স্মারক ২০১৩। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১১৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ২০১৪। দৈনিক মানববার্তার সম্মামনার স্মারক ২০২৩। চাতক পুরস্কার চাতক অনন্যা নারী সম্মাননা ২০২৩ ওপার বাংলা মুর্শিদাবাদ থেকে মনোনীত হয়েছি।
বিষয়: ক্রিয়েটিভ রাইটিং
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ.......
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
তোমার স্বপ্ন সফল হোক৷ টুম্পা আসুক ঘর আলো করে৷ তোমাদের জীবনের এই অতিথি অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠুক, সাথে অপরিহার্য সদস্য৷ করুণাময় আলোয় ভরিয়ে দিক। ভালো থেকো সাথী।
অসাধারণ উপহার এই লাল গোলাপ। টুম্পার হাত থেকে যে গোলাপের আজ সূচনা হলো তা সম্পর্কের রূপ ধরে যুগের পর যুগ অক্ষত থাকুক তোমার ঘরে তোমার ঘরে। সিয়ামের জন্য সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ জীবন কামনা করছি। সুখে শান্তিতে ভরে উঠুক তোমার চার দেওয়ালের ভেতরটি।
বাহ বাহ চমৎকার আন্টি। অবশ্যই সিয়াম ভাইয়া এবং ভাবির জন্য তাদের নতুন জীবনের অগ্রিম শুভেচ্ছা রইল যেন তাদের জীবন পুষ্পসজ্জিত হয়। সেই টুম্পা ভাবি এবং সিয়াম ভাইয়ার ভবিষ্যৎ জীবনকে কেন্দ্র করে একে অপরের পাশে থাকার আকুতি জানিয়ে দারুন ভাবময় একটি কবিতা লিখে ফেলেছেন। আমি প্রার্থনা করছি আপনার মনের সকল আশা আনন্দে ভরে উঠুক। আর আপনার স্বপ্নময় সকল আশা বাস্তবে রূপ নিক। সবকিছুর জন্যই শুভকামনা রইল আন্টি।