লাইফস্টাইলঃকাঁচা বাজার করার মুহূর্ত।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।প্রত্যাশা করি সবাই সবসময় ভালো থাকেন,নিরাপদে থাকেন। আজ ২৬শে বৈশাখ,গ্রীষ্মকাল ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৯ই মে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ। আজ একটি লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করবো আপনাদের সাথে।
আমার ব্লগ যারা নিয়মিত পড়েন তারা জানেন যে আমার বড় বোন ঢাকায় এসেছে চিকিৎসা জন্য।মেয়ের বাসায় থেকে সব ডাক্তার দেখিয়েছেন। তাই আর আমাদের বাসায় আসা হয়নি আপার। আল্লাহর রহমতে তেমন কোন সমস্যা ধরা পরেনি। কেবল ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করার জন্য ডাক্তার কিছু ওষুধ প্রেস্ক্রাইপড করেছেন। এবং নিয়মিত হাঁটতে বলেছেন।
সকল ডাক্তার দেখানো শেষে আমি,বড় বোন ও ভাগ্নি মিলে আমার ছোট ভাই এর বাসায় এক রাত ছিলাম। আমার ভাই থাকে মিরপুর রাকিন সিটিতে। বেশ সুন্দর একটা আবাসিল এলাকা। বেশ বড় ও গোছানো। আবাসিক এলাকার মধ্যে খেলার জন্য বড় মাঠ ও বাস্কেট বল খেলার জন্য রয়েছে বাস্কেট গ্রাউন্ড ও সুমিংপুল। স্কুল করার প্রসেস চলছে।
আবাসিক এলাকা সংলগ্ন মন্দির রোডে সকাল বেলায় বেশ বড় কাঁচা বাজার বসে।ভোর ৫টা থেকে সে বাজার শুরু হয় এবং ৯টার মাধ্যে সব সরিয়ে ফেলে। ভাগ্নি আমার বাজার দেখার জন্য যেতে চাইলে আমি ,ভাগ্নি ও ভাইয়ের বৌ বের হলাম সকাল সাড়ে ছটায় বাজার দেখতে। সেই সাথে এলাকার চারপাশ ঘুরে দেখতে। রাস্তা জুড়ে বেশ বড় বাজার বসে। যেখানে মাছ,মুরগী ও বিভিন্ন ধরনের মাংসের বাজারের পাশা পাশি বসে সব্জির বাজার। এলাকার আশে পাশে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার লোকজন সেখান থেকে বাজার করেন। এবং বেশ ফ্রেশ সব্জি ও মাছ পাওয়া যায়। তবে সামুদ্রিক মাছ যা পাওয়া যায় তা তেমন ফ্রেশ নয়।
আবার দেখলাম এক চাচা মাটির তৈরি বিভিন্ন খেলনা নিয়ে বসেছেন বিক্রি করতে। আমার ভাগ্নি বেশ পছন্দ হলো একটি কলসি। তাই ভাইয়ের বৌ ও ভাগ্নি দু"টো কলসি কিনলো। আবার দেখলাম বিক্রি হচ্ছে কাঁচা কাঁঠাল ও কাঁচা তাল। একটা কাঁচা কাঁঠাল কিনলাম রান্না করে খাওয়ার জন্য। আমার ভাইয়ের বৌ কিছু মাছ ও সব্জি কিনলো। বাসায় ফেরার পথে সবার জন্য সকালের নাস্তা নান,পরোটা,সব্জি ও ডাল কিনে নিলাম। বাসায় এসে সাথে ডিম ভেজে খেয়ে নিলাম। দুপুরে খেয়ে বের হলাম আর্মি মিউজিয়াম দেখার জন্য। সে গল্প না হয় আর একদিন করবো। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন। আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে । শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ৯ই মে, ২০২৫ ইং |
| মোবাইল | Real me c 55 |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
https://x.com/selina_akh/status/1920875209629770108
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Link
https://x.com/selina_akh/status/1920877350830403831
https://x.com/selina_akh/status/1920878361141768334
আপনার ব্লগ পড়ে যেন সকালে কাঁচা বাজার ঘুরে এলাম! সাধারণ একটি অভিজ্ঞতাকে আপনি এত প্রাণবন্তভাবে উপস্থাপন করেছেন, সত্যিই প্রশংসনীয়। আবাসিক জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোর বর্ণনা মন ছুঁয়ে গেল। আশা করি আপনার আপা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।
আপনারা সবাই মিলে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন।আপনার আপার তেমন রোগ ধরা পরেনি জেনে অনেক ভালো লাগলো। সবাই মিলে বেশ মজা করেছেন।আসলে সবাই এক সাথে থাকলে অনেক ভালো লাগে। আর সবজি গুলো দেখে মনে হচ্ছে অনেক তাজা। ধন্যবাদ আপনাকে।
গ্রীষ্মের বাজার বলে একেবারেই বোঝা যাচ্ছে৷ এই দিনগুলোতে নরম তালশাঁস খেতেনেতো ভালো লাগে। এদিকেও বাজারে এসবই পাওয়া যাচ্ছে৷ যদিও গরম এতো বেশি যে সেভাবে কিছুই খাওয়া যাচ্ছে না৷
আপু আপনার কাঁচা বাজার করার অনুভূতিমূলক পোস্ট পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো।আসলে এই প্রচন্ড গরমের মধ্যে সকাল সকাল বাজার করাটাই আমার কাছে মনে হয় ভালো।তবে আপনারা খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন এটা দেখে খুব ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।