রেসিপিঃফুলকপির ডাটা ভাজি।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশাকরি ভালো আছেন।আমিও ভালো আছি।দেখতে দেখতে ২৮ রোজা অতিবাহিত হয়ে গেল! আগামী শনিবার পবিত্র ঈদ। আশাকরি সবাই পরিবারের সাথে আনন্দে ঈদ উদযাপন করবেন। সবাইকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা। এই রোজায় প্রিয় আমার বাংলা ব্লগে নিয়মিত ব্লগিং এ আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি রেসিপি ব্লগ নিয়ে। আর তা হচ্ছে ফুলকপির ডাটা ভাজি। আমরা অনেকই এ ডাটা ফেলে দেই। কিন্তু এভাবে ভাজি করলে যে কেউ পছন্দ করে খাবে। ফুল কপির ডাটায় রয়েছে আয়রন ও ক্যালসিয়াম যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি হাড় ও দাত মজবুত করে। এছাড়া রয়েছে প্রোটিন,খনিজ লবন ও এন্টি অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই ফুলকপির ডাটা ফেলে না দিয়ে ,এভাবে ভাজি করে খেতে পারেন। আশাকরি আজকের উপস্থাপিত রেসিপিটি আপনাদের ভাল লাগবে। অনেক কথা হলো, আর কথা নয় , চলুন দেখে নেয়া যাক, কিভাবে তৈরি হলো আমার আজকের রেসিপি ফুল কপির ডাটা ভাজি। তা ধাপে ধাপে দেখে নেই।
রান্নার উপকরণ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ফুল কপির ডাটা | ২০০ গ্রাম |
| হ্লুদ গুড়া | ১ চাঃ চামচ |
| ধনে গুড়া | ১ চাঃ চামচ |
| জিরা গুড়া | ১ চাঃ চামচ |
| পিয়াজ কুচি | আধা কাপ |
| রসুন কুচি | ২ টেঃ চামচ |
| কাচা মরিচ | ৫-৬টি |
| ধনেপাতা | পরিমান মতো |
| লবন | স্বাদ মতো |
| তেল | ৩ টেঃ চামচ |
রন্ধণ প্রনালী
ধাপ-১
প্রথমে ফুলকপির ডাটা ছিলে নিতে হবে । এরপর কুচি কুচি করে কেটে পরিস্কার করে ধুয়ে নিতে হবে।
ধাপ-২
কেটে নেয়া ফুল কপির ডাটা হ্লুদ,পরিমাণ মতো লবন ও পানি দিয়ে একটি হাড়িতে দিয়ে ভালোভাবে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
ধাপ-৩
ফুলকপির ডাটা সিদ্ধ হয়ে এলে তা একটি ছাকনিতে ঢেলে দিতে হবে পানি ঝরার জন্য। পানি ঝরে গেলে ফুলকপির ডাটাগুলো হাত দিয়ে ভালোভাবে চটকিয়ে নিতে হবে।
ধাপ-৪
এবার একটি কড়াই চুলায় বসিয়ে দিতে হবে। কড়াই গরম হয়ে এলে তাতে পরিমাণ মত তেল দিতে হবে। এবং রসুন কুচি দিয়ে দিতে হবে।
ধাপ-৫
এরপর পিয়াজ কুচি , ফালি করে কাটা কাচা মরিচ ও অন্যান্য সকল মশলা দিয়ে দিতে হবে। মশলা যাতে পুড়ে না যায় সেজন্য সামান্য পানি দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে।
ধাপ-৬
মশলা যখন তেল থেকে ছেড়ে আসবে,তখন সিদ্ধ করা ফুল কপির ডাটা দিয়ে দিতে হবে ।এবং ভালোভাবে মশলার সাথে কষিয়ে নিতে হবে। এবং ঢাকনা দিয়ে কড়াইটি কিছুক্ষন চুলার উপর রাখতে হবে ভাজা ভাজা হওয়ার জন্য।
ধাপ-৭
যখন ফুলকপির ডাটা ভাজাভাজা হয়ে আসবে তখন লবন দেখে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি মজাদার ফুলকপি ডাটা ভাজি।
পরিবেষণ
এরপর একটি বাটিতে তুলে নিয়ে সাজিয়ে পরিবেষণ করতে হবে।
আশাকরি আজকের মজাদার ফুলকপির ডাটা ভাজি রেসিপিটি আপনাদের ভাল লেগেছে। প্রচন্ড গরমে প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার খান । নিজের প্রতি যত্ন নিন এবং পরিবারের সকলের প্রতি খেয়াল রাখুন। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজ আমার রেসিপির ব্লগ এখানেই শেষ করছি।
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ক্যামেরা | SamsungA10 |
| পোস্ট তৈরি | @selina75 |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
@tipu curate
Holisss...
--
This is a manual curation from the @tipU Curation Project.
Upvoted 👌 (Mana: 5/8) Get profit votes with @tipU :)
অসময়ে মজাদার রেসিপি খেতে কার না ভালো লাগে...!! যদিও এখন ফুলকপির সময় নয় তবে আপনি ফুলকপির ডাটা দিয়ে ভাজি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু ছিল। যদিও আপনার মত করে এরকম ভাবে কখনোই ফুলকপির ডাটা ভাজি করে খাওয়া হয়নি। রেসিপি টি আমার কাছে অনেক বেশি ইউনিক লেগেছে। মজাদার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
সত্যি বলতে ফুলকপির চেয়ে ফুলকপির ডাটা আমার কাছে বেশি ভালো লাগে খেতে। তাই বাসায় ফুলকপি রান্না করলে আম্মু সবসময় ফুলকপির ডাটা বেছে বেছে আমার প্লেটে দেয়। যাইহোক ফুলকপির ডাটা ভাজি রেসিপিটা চমৎকার হয়েছে আপু। খেতেও মনে হচ্ছে দারুণ হয়েছে। গরম গরম রুটি দিয়ে এই রেসিপিটা খেতে খুব সুস্বাদু লাগবে। ধাপে ধাপে এত মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।