পুরনো কলকাতার কিছু ফটোগ্রাফি।। এপ্রিল -২৫/০৪/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
এখন তো অনেকের ধারণা হয়ে গেছে কলকাতা অনেক জাকজমকপূর্ণ এবং সাজানো গোছানো একটি শহর। তবে কলকাতার পুরনো অনেক ইতিহাস বা ঐতিহ্য আছে। তাছাড়াও এখনো কিছু কিছু জায়গায় রয়েছে সেই পুরনো বিল্ডিং গুলো যেগুলো এখনো কলকাতার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কলকাতার সেই ইতিহাসগুলোকে তুলে ধরতে গেলে আমার কয়েক বছর লেগে যাবে। তবে আজ সামান্য কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি যেগুলো দেখলে হয়তো আপনারা কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন। আর আমি চেষ্টা করব ফটোগ্রাফির পেছনের গল্প গুলো যতটা পারি বলার।
এটা পুরনো কলকাতার এক বিখ্যাত ক্লাব, যেটা স্টুডেন্ট হল নামেও পরিচিত ছিল। তবে বর্তমানে এটা পুরোপুরি পরিত্যক্ত। নিচের কিছু জায়গাগুলোতে হয়তো টুকটাক ব্যবহার করা হয়।
শিয়ালদা স্টেশন থেকে বেশ কিছু দূর হেঁটে কলেজ স্ট্রিট যাওয়ার পথে এই লজ বা হোস্টেলটা অনেক বেশি পুরনো। কলকাতা শহর যারা ঘুরতে আসতো বাইরে থেকে অধিকাংশ লোকই এখানে রুম ভাড়া করে থাকতো। তবে এখন এটা পুরোপুরি পরিত্যক্ত।
পুরনো কলকাতার এক ট্রাফিক জ্যাম। এইসব ট্র্যাফিক জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়ত বিরক্তি লাগে, তবে যারা বাইরে থেকে দেখে বেশ নস্টালজিক একটা ব্যাপার আছে।
পুরনো কলকাতার ইতিহাস, সেই হাতে টানা রিক্সা। যদিও এই মানুষগুলোকে দেখলে খুব কষ্ট লাগে, যে তারা হেঁটে হেঁটে লোকজন বহন করে নিয়ে বেড়ায়। তবে এই মানুষগুলো এখনও তাদের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে।
এই জায়গাটি কোথায় বলতে পারবনা। আসলে ফটো তোলার সময় এই জায়গাটার কথা মাথায় ছিল না।
পুরনো কলকাতার যে ঘরগুলো রয়েছে এখনো সেই ঘরে সেই আমলের জানালা ব্যবহার করা হয়। যদিও এর ভিতর একটা সুন্দর ব্যাপার রয়েছে। তবে এখনো কলকাতা শহরের বেশ কিছু নাম করা বাড়িতে এই জানালার ব্যবহার দেখেছি আমি।
পুরনো কলকাতার সব ছোট ছোট গলি। এই গলি গুলোর ভেতর দিয়ে হাঁটলে কেমন জানি একটা অন্যরকম অনুভূতি হয়, যেটা আপনাদের বলে বোঝাতে পারবো না।
এ বিল্ডিংটা নাকি কোন এক ইন্ডিয়ান ফুটবল প্লেয়ারের ছিল। তবে এখন সেটা পরিত্যক্ত। হয়তো আপনারা দেখলেই বুঝতে পারছেন যে বাড়ির উপরে আগাছা দিয়ে ভরে গেছে, তারপরেও এখানে লোকজন বসবাস করে তাদের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি। |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @rupaie22 |
| লোকেশন | কলকাতা,ইন্ডিয়া। |
পুরনো কলকাতার এই বাড়িঘর গুলো দেখতে যাওয়ার আমার তীব্র ইচ্ছা আছে কখনো সুযোগ হলে চলে যাব। আজকের এই পোস্টের মধ্যে দিয়ে পুরনো কলকাতার অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম। বাড়িঘরগুলি অনেক পুরনো হয়ে গেছে ঠিকই তবে তারা তাদের ঐতিহ্যকে বজায় রাখার জন্য এখনো সেখানে বসবাস করে যাচ্ছে। সত্যিই হাতে টানা রিকশা দেখতে যেমন ভালো লাগে তেমনই তা টানতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কষ্ট।
যেহেতু আমার ইউনিভার্সিটি ওই দিকটা, তাই মাঝেমধ্যে ইচ্ছে করেই হেঁটে হেঁটে শিয়ালদা স্টেশন অব্দি চলে আসি, শুধুমাত্র পুরনো কলকাতার মানুষ এবং বিল্ডিং দেখার জন্য। আমার কাছে এই জায়গা গুলো অনেক বেশি ভালো লাগে। যতই দেখি না কেন মন ভরে না।
দারুন একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট সাজিয়েছেন আজ। পুরনো কলকাতার বেশ কিছু ঐতিহ্য আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন ভাই। বিশেষ করে হাতে টানা রিকশা আমি প্রথম দেখলাম এবং বেশ ভালো লেগেছে। তবে লোকগুলো এতো কষ্ট করে এটা চালায় জেনে খারাপ লাগলো।
আর পুরনো এরকম বিল্ডিং দেখলে আমার ভেতরটা কেমন খা খা করে ওঠে। 😕 এক সময় কতো জমজমাট ছিল আজ কেউ নেই কিচ্ছু নেই।
হাতেটানা রিক্সা যারা চালায়, সেটা দেখতে হয়তো অনেক বেশি কষ্টকর মনে হলেও তাদের কাছে সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। আসলে পুরনো কলকাতার এই হাতে টেরা রিক্সা, যেটা কলকাতারই একটা ঐতিহ্য।
পুরনো কলকাতার ফটোগ্রাফি গুলো হয়তো আপনি এভাবেই শতুলে না ধরলে দেখা হতো না। ধন্যবাদ আপনাকে খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি উপহার দেয়ার জন্য ভালো থাকবেন।
যেহেতু কলকাতাতেই আমার বাড়ি, তাই মাঝেমধ্যেই আপনাদের সাথে এরকম ফটোগ্রাফি শেয়ার করতে থাকবো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই কমেন্ট করার জন্য।
বইয়ের পাতায় হয়তো ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়। কিন্তু নিজের চোখে যে জিনিস গুলো দেখা যায় সেগুলো দেখতে ভালো লাগে। কলকাতার পুরনো ইতিহাস সম্পর্কে খুব একটা আইডিয়া নেই। তবে ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। দারুন সব ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
ঠিকই বলেছেন আপু, কলকাতার ইতিহাসে জানতে গেলে অবশ্যই এই জায়গা গুলোতে আসতে হবে। তাহলেই একমাত্র আপনি সঠিক ইনফরমেশন পাবেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পোস্ট পড়ার জন্য।
জি দাদা ভারত বর্ষ মানেই হলো ইতিহাসে ইতিহাস৷ তবে এটাও ঠিক বলেছেন যে এখন কলকাতা উন্নত হলেও কলকাতার পুরনো অনেক ইতিহাস বা ঐতিহ্য অনেক ৷ ভালো লাগলো এমন পুরনো পরিত্যক্ত স্টুডেন্ট ভবন টি দেখে ৷ সত্যি বলতে আগের মানুষের কারুকাজ আর নকঁশা ডিজাইন সত্যি অসাধারণ ৷
পুরনো কলকাতার সৌন্দর্যের সাথে আসলে নতুন কলকাতা কখনোই টক্কর দিতে পারবে না। পুরনো কলকাতার রয়েছে অনেক বড় এবং সুন্দর ইতিহাস।
আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে কলকাতা শহরে পুরানো কিছু ভবন দেখলাম খুব ভালো লাগলো দেখে। পুরানো দিনের ভবনের ডিজাইন খুবই অসাধারণ। ভবন গুলো পুরানো এখনো কিছু কিছু অংশ খুবই মজবুত এবং টেকসই। সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
পুরনো কলকাতার সামনাসামনি দেখতে আরো অনেক বেশি সুন্দর ভাই। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
আপনি ঠিক বলছেন বইয়ের পাতা থেকে পড়ে ইতিহাস জানা এবং সরাসরি পর্যবেক্ষণ করার মধ্যে অনেক তফাৎ আছে। আপনি বেশ সুন্দর পুরনো কলকাতার ফটোগ্রাফি করেছেন। পুরনো কলকাতার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লেগেছে। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পেরেছি।
আপু কলকাতা আসলে এত সুন্দর যে সেটা বইয়ের পাতায় বা টিভি তে দেখে বোঝা সম্ভব না। যদি কখনো কলকাতার ঠিক ঠাক সৌন্দর্যের ফিল নিতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পুরনো কলকাতা ঘুরে দেখতে হবে।
পুরনো কলকাতার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো ভাই। আসলে এই ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো সচরাচর দেখা যায় না। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। তবে কলকাতায় গিয়ে আমি হাতে টানা রিকশায় চড়ে ছিলাম অনেক আগে। এই ফটোগ্রাফিটি দেখে পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এরকম দৃশ্য আসলে পুরনো কলকাতায় গেলেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব। কলকাতার ঐতিহ্য এখন শুধুমাত্র সেখানেই রয়েছে, বাকি সব তো আধুনিকতাই ছেয়ে গেছে।
হাহা ঠিকই বলেছেন ভাইয়া কোলকাতার ইতিহাস তুলে ধরতে গেলে আপনার কয়েক বছরই লেগে যাবে।তবে এটা কিন্তু ঠিক বলেছেন,সবটা বই পড়ে জানা যায়না,পুরনো ব্যপার গুলো জানতে হলে মানুষের থেকেও অনেক কিছু জানার আছে।পুরনো কোলকাতার ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে।এগুলো ইন্ডিয়ান কিছু বাংলা মুভিতে দেখেছিলাম।আর আজকে আপনার ফটোগ্রাফি তে।এগুলো আসলেই ঐতিহ্য বহন করে।যদি কখনও যাওয়ার সুযোগ হয় সামনে থেকে দেখে নেব।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর ফটোগ্রাফি পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
কি বলেন তো আপু, কলকাতার কোনায় কোনায় ইতিহাস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সেটা খুজে খুজে বের করতে গেলেও আমাকে কয়েক বছর সময় দিতে হবে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্য।