☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |

আজকের পোস্টটা অনেকটাই ছোট করে করব। এজন্যই মূলত ফটোগ্রাফি পোস্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সকাল ১১টা তে ইউনিভার্সিটিতে একটা কাজ ছিল, মনে করেছিলাম দুটোর ভেতর বাড়ি চলে আসতে পারবো কিন্তু ক্যাম্পাসের ভিতরে আড্ডা মারতে মারতে কখন যে তিনটে বেজে গেছিল সেটাই বুঝতে পারিনি। এ দিকে সাড়ে পাঁচটার সময় আবার বৌভাত খাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে এখান থেকে গাড়িতে করে। এজন্য হাতে বিশেষ সময় নেই, তাই অল্প সময়ের ভিতরে যতটা পারবো সেটাই পোস্ট করব আজ। বর্তির বিল নিয়ে আমি আগে আরো দুটো পর্ব তৈরি করেছি, এটা আমার তৃতীয় পর্ব বর্তির বিল নিয়ে। আশা করছি নতুন কিছু আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারবো। চলুন তাহলে আর বেশি কথা না বলে শুরু করা যাক।

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
আমি যেহেতু ফিশারি নিয়ে পড়াশোনা করেছি, তাই এই জিনিসটার সাথে আমি খুব ভালো করেই পরিচিত। যদিও ছোটবেলায় এগুলো নিয়ে মাছ ধরতে যেতাম। এখন যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, এটা হল ফিশিং গিয়ার। এর সাহায্যে সাধারণত মাছ ধরা হয়। এটি এমন এক ধরনের খাঁচার মতো, যার ভিতর মাছ তো খুব সহজে ঢুকতে পারে কিন্তু সেখান থেকে বের হতে পারে না। আমি যখন ফটো তুলছিলাম তখন এর ভিতর একটা ছোট টাকি মাছ এবং কয়েকটা কাকড়া মাছ ছিল।

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এটা হল বর্তির বিলের একদম নিচের দিকটা যেখানে এখন অব্দি ভালো করে জল শুকায় নি। তবে জল শুকানোর আগেই সেখানে চলছিল পাড় বাঁধানোর কাজ। বিলের এই অংশের সাধারণত ধান এবং সরিষার চাষ করা হয়। দুই তিন মাস পরে এই জায়গায় গেলে এত সুন্দর পরিবেশে তৈরি হয় যে, দেখে চোখ ফেরানো মুশকিল।

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এটাও বিলের নিচু জায়গার একটা অংশবিশেষ। তবে এই জায়গাটায় সাধারণত নৌকো বাধা থাকে কিন্তু এখন জল শুকিয়ে যাওয়ার কারণে নৌকাগুলো মনে হচ্ছে ডাঙ্গার উপর উঠে গেছে। যখন এখানে জল থাকে তখন এই ছোট ছোট নৌকাগুলো করেই লোকে মাছ ধরতে যায় বিলে।

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এগুলো তো আমরা সকলেই চিনি, আর যারা চেনেন না তাদের উদ্দেশ্যে বলছি এগুলো হল পাটকাঠি। পাট গাছের পুরো অংশটাই ব্যবহার করা যায়। পাটের পাতাগুলো সবজি হিসেবে খাওয়া যায় আর পাটকাঠি তো জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে পাটের আঁশ, যেটাকে আমরা সোনালী আঁশ বলি। সেটা তো অনেক কাজেই ব্যবহার করা হয়। এই বিলের পাটগাছগুলো সাধারণত যে খেত থেকে কাটা হয় সেখানেই ভিজিয়ে রাখা হয় এবং সেই ক্ষেতের ভেতরেই শুকাতে দেওয়া হয়।

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান: নীলগঞ্জ, বেড়াবাড়ি, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এই দুটো ফটোর টপিক্স আলাদা তারপরও একসাথে দিয়ে দিলাম। এর একটা হল জংলি ঘাসের গাছ অন্যটা তো মরা শামুক। ছোটবেলায় এই শামুক গুলো নিয়ে কত যে খেলা করতাম সেটা বলে শেষ করতে পারবো না। বিল থেকে সুন্দর দেখতে শামুক গুলো খুটে খুটে বাড়ি নিয়ে যেতাম তারপর সেগুলো ঘরে সাজিয়ে রেখে দিতাম।
যাইহোক আজকের পর্ব এই পর্যন্তই ছিল। আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে আজকের পর্বটি। আর ভালো লাগলে অবশ্যই একটি কমেন্ট করতে ভুলবেন না। কারণ আপনাদের একটি কমেন্ট আমাকে নতুন এবং ভালো কিছু করার উৎসাহ যোগায়। ভালো থাকবেন সবাই।
🕉️ধন্যবাদ সবাইকে🕉️
অল্পকথায় আর অল্প সময়ে হলেও খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি পোস্ট করেছেন। মাছ ধরার অনেক কিছুই দেখেছি কিন্তু এই ফিশিং গিয়ার কখনো দেখিনি। মাছ ধরার সুন্দর একটি জাল দেখলাম। সবশেষে আপনি যে জংলি ঘাসের কথা বলেছেন এটা আমরা শাক হিসেবে খাই। আমরা এটাকে ঘিকাঞ্চন বলি। এই শাক খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। যাই হোক বর্তির বিল ভ্রমণের খুব সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। ধন্যবাদ।
ফিসিং গিয়ার হল এক ধরনের মাছ ধরার যন্ত্র যেগুলো সাধারণত বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যদি গ্রামে বড় হয়ে থাকেন তাহলে তো এগুলো সম্পর্কে জানার কথা। তবে ওই জংলী শাকটাকর ঘিকাঞ্চন শাক বলে এটা আমার জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটা ইনফরমেশন দেওয়ার জন্য।
বর্তির বিল ভ্রমণ দেখে খুব ভালো লাগলো। বিল ভ্রমণের মুহূর্ত গুলো খুবই সুন্দর ভাবে অতিবাহিত করেছেন। আসলে বিলের ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দুর্দান্ত হয়েছে। চারদিকের পরিবেশ খুবই সুন্দর এত চমৎকার পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
এত সুন্দর করে প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। আপনাদের এই মন্তব্য গুলো আমাকে ভালো এবং নতুন কিছু করতে উৎসাহ দেয়।
জি দাদা আমাদের দেশেও বাশের তৈরি খাচা দিয়ে মাছ ধরে ৷ ঠিক আপনার মতোই তবে আমাদের এই দিকে বলে ভরং৷
আর শীতের সময় পুকুর বিল ডোবায় জল শুকিয়ে যাচ্ছে ৷
আপনি বর্তির বিলে বেশ চমৎকার সময় পার করেছেন এবং তার সাথে ফটোগ্রাফি ৷
এই বিলে গেলে সব সময়ই আমার মন ভালো হয়ে যায়, সেটা শীতকাল বা বর্ষাকাল যাই হোকনা কেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর করে মন্তব্য করার জন্য।
সময়ের অভাব হলেও আপনি খুব সুন্দর ভাবে একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ফিশিং গিয়ার আমি আজকে প্রথম দেখলাম আপনার পশ্চিম মাধ্যমে। আর হ্যাঁ শামুক নিয়ে ছোটবেলায় আমিও খেলা করেছি। ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য।
পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। আসলে ফিশিং গিয়ার বলতে আমরা সাধারণত গ্রাম অঞ্চলে যেগুলো দিয়ে মাছ ধরি সেগুলোকেই বোঝাই। এগুলো সব বাঁশের তৈরি।
বর্তির বিল ভ্রমন দেখে খুব ভাল লাগলো।বিলে আপনি খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।আর ফটোগ্রাফিগুলো ও দারুন ছিল।অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।শুভকামনা রইলো অনেক।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটা মন্তব্য করে উৎসব বাড়ানোর জন্য। 😊
আপনাদের ইন্ডিয়াতে এখনো এত বড় বিল আছে দেখে খুব ভালো লেগেছে।জংলী গাছ, মরা শামুক,পাট গাছ দেখেই ছোটকালের কথা ভীষণ মনে পড়েছে আমার।আমার ভীষণ ভালো লেগেছে বর্তির বিল সম্পর্কে জানতে পেরে।
ভারতবর্ষ এত বড় একটা জায়গা, সেই হিসাব করলে তো এই বিল তার কাছে কিছুই না। এর থেকেও অনেক বড় বড় বিল রয়েছে আপু।
প্রথম পর্ব টা দেখেছিলাম। সেটাও বেশ ভালোই লেগেছিল। আর এখানেও বেশ ছবিগুলো ভালোই লাগছে। বিশেষ করে জল শুকিয়ে যাওয়াতে যেখানে নৌকোগুলো রয়েছে দেখলে মনে হচ্ছে খরা হয়েছে। আর একদিকে কলাবাগান আর একদিকে নৌকোগুলো রাখা, কোথাও যেন কোন মেলবন্ধন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এই গড়মিলের মধ্যেও কোথাও একটা সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে। আর শামুকের কথা সে আর কি বলব? গ্রাজুয়েশনে যখন প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে জল শামুক কাটতে হতো, আবার কিছু প্র্যাকটিস করার জন্য বাড়িও নিয়ে আসতাম,একবার ব্যাগের মধ্যে আনতে গিয়ে ট্রেনে ভিড়ের মধ্যে পুরো থেঁতলে গেছিল।মা খুব মেরেছিল সেদিন ব্যাগ পরিষ্কার করতে গিয়ে।
হা হা হা... আমি তো এখনো মায়ের হাতে মাঝেমধ্যে মার খাই। তবে আপনি যে পোস্ট পড়েছেন এবং ফটোগুলো খুব সুন্দর করে অবজার্ভ করেছেন তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।