লাইফস্টাইল || দুর্গাপুজোয় ঘোরাঘুরি (পর্ব -০৫)
বন্ধুরা,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি, সবাই অনেক অনেক ভাল আছো। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমিও মোটামুটি ঠিক আছি। |
|---|
দুর্গাপুজোয় ঘোরাঘুরি নিয়ে আজকের পঞ্চম পর্বে সবাইকে স্বাগতম।
গত পর্বে পুজোয় ঘোরাঘুরি নিয়ে কিছু বর্ণনা শেয়ার করেছিলাম । আজকের পর্বে আরো কিছু কথা শেয়ার করব।
আজকের পর্বে তোমাদের সাথে বারাসাতে আমার দেখা আরো তিনটি পুজো প্যান্ডেল সম্পর্কে বলবো।
কুলুপুকুর পুজো প্যান্ডেলে গিয়ে আমি এবং আমার বান্ধবী বেশ খানিকটা সময় ছিলাম যা তোমাদের পূর্বের ব্লগে জানিয়েছিলাম। মূলত তাদের প্যান্ডেলের লাইটিং অনেক সুন্দর ছিল তাই বেশ কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে এগুলো দেখছিলাম আমরা। এরপর আমরা যাই নতুন পুকুর সার্বজনীন ক্লাব আয়োজিত পুজো প্যান্ডেলটিতে। এই প্যান্ডেলটি কিন্তু বেশ দারুন করেছিল। বাইরে থেকে সবাইকে আকৃষ্ট করছিল বেশ। আমাদের ভাড়া করা ইঞ্জিন ভ্যান যখন এই প্যান্ডেলটির সামনে আমাদের নামিয়ে দেয়, আমি তখন প্যান্ডেলটির সামনে থেকে দুই একটি ফটোগ্রাফি করে নিই। এই প্যান্ডেলটিতে একটু ভিড় হয়েছিল যদিও। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আমরা প্যান্ডেলের ভিতরে প্রবেশ করতে পেরেছিলাম । এই বছর এদের পুজো প্যান্ডেলের থিম ছিল মহিষাসুরমর্দিনী। এই প্যান্ডেলটির বাইরেটা যেমন ভালো লেগেছিল, ভিতরে এসে প্রতিমা গুলো দেখেও বেশ ভালো লেগেছিল। তোমরা শেয়ার করা ফটোগ্রাফিগুলো দেখলেই বুঝতে পারবে কতটা সুন্দর হয়েছিল এই জায়গার প্রতিমা । এইখানেও আমরা বেশ কিছুটা সময় ছিলাম এবং সব কিছু ভালো করে দেখে অন্য একটি পুজো প্যান্ডেলের উদ্দেশ্যে রওনা করি।
এরপর আমাদের সেই ভ্যানওয়ালা আমাদের অশ্বিনী পল্লী নামক একটি জায়গার পুজো প্যান্ডেলে নিয়ে যায়। এই জায়গার পুজো প্যান্ডেল থিম ছিল চন্দ্রযান-৩ এর সফলতা নিয়ে। এরা চন্দ্রযান-৩ এর সফলতাকে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিল। এটি একটি ছোট প্যান্ডেল ছিল তাই তেমন একটা ভিড় ছিল না এই প্যান্ডেলে। ভারতের বিজ্ঞানীরা ২৩ আগস্ট যে সফলতা অর্জন করেছিল সেটাকেই সবার সামনে আনা হয়েছিল এখানে। এই প্যান্ডেলের বিভিন্ন জায়গার ব্যানারে সেই সফলতার ছাপ দেখতে পেয়েছিলাম। এই পুজো প্যান্ডেলটি খুব একটা বড় করে করেনি ঠিকই, তবে এই পুজো প্যান্ডেলটি বেশ কয়েকটি পুরস্কার জিতে নিয়েছিল থিমের কারণে । পুরস্কার গুলো প্যান্ডেলটির সামনে রাখা ছিল। এই প্যান্ডেলটির ভিতরে আর বেশি কিছু না থাকায় আমরা খুব তাড়াতাড়ি প্যান্ডেল থেকে বেরিয়ে পড়ি। বলতে গেলে দুই মিনিটের মধ্যেই কোন রকম ভাবে প্যান্ডেলের ভিতরটা দেখে, কিছু ফটোগ্রাফি করে এখান থেকে বেরিয়ে আসি।
এরপর এই জায়গা থেকে আমরা যাই অশ্বিনী পল্লী সেবা সংঘের পুজো প্যান্ডেলটিতে। এই প্যান্ডেলটি মাঠের একটা কর্ণারে করা হয়েছিল। এই প্যান্ডেলটির সামনে বেশ বড় করে মেলাও বসেছিল। এই পুজো প্যান্ডেলটির থিম কোন একটা মন্দিরের মতো করে করা হয়েছিল। তবে কোন মন্দিরের মত করে করেছিল সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আমার জানা নেই। আমি সেই দিন মোটামুটি অসুস্থও ছিলাম তাই খুব বেশি সময় নিয়ে সব প্যান্ডেল দেখাও সম্ভব হচ্ছিল না। এখানে আসার পর পুজো প্যান্ডেলের সাথে আমার বান্ধবীর বেশ কিছু ছবি আমি তুলে দেই, তারপর নিজে পুজো প্যান্ডেলের কয়েকটি ছবি তুলে এখান থেকে চলে আসি। এই প্যান্ডেল টি মোটামুটি লেগেছিল আমার কাছে ।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: বারাসাত , নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল।