যাইহোক এই তরকারিটা বড়ো বড়ো বাগদা চিংড়ি দিয়ে খেতে অসাধারণ টেস্ট হয়েছিল যেটা আর না খেলে আপনারাও অতটা মুখের কথা শুনে বুঝতে পারবেন না।
সত্যিই তাই। কারণ মুখের কথায় কখনো কোনো কিছুর গভীরতা বুঝা যায় না।আপনি বরাবরের মতো খুবই উপাদেয় একটি রেসিপি নিয়ে আমাদের মাঝখানে হাজির হয়েছেন। বাগদা চিংড়ি শেষ খেয়েছিলাম গত রোজার মধ্যে।
এক কথায় মুখে লেগে থাকার মতো এর স্বাদ।তবে কখনো ঝিঙে দিয়ে খাওয়ার সৌভাগ্য হয়ে উঠেনি।বাগদা চিংড়ির এমনিতেই যে স্বাদটা আমি পেয়েছি তার মধ্যে আপনার দেখানো রেসিপি অনুসারে ঝিঙে দিয়ে তৈরি করে খেলে যে কতটা স্বাদ লাগবে তা আর বলার ভাষা রাখে না।তবে একটা কথা না বললেই নয়,"চিংড়ি কিন্তু কোনো মাছ নয়,এক ধরনের পোকা"।
বরাবরের মতো আপনার সম্পূর্ণ পোস্টটির যে গোছানোর একটা মহিমা সেটার প্রশংসা না করে থাকা খুব কষ্টের। আপনার জন্য দাদা বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য ভালোবাসা এবং দোয়া সবসময় ছিল,আছে,থাকবে।🖤