Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ১২

in আমার বাংলা ব্লগ8 days ago

Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ১২


পূর্বের এপিসোড : Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ১১


শুভ অপরাহ্ন বন্ধুরা,

শীতের কুশয়াচ্ছন্ন বিষণ্ণ অপরাহ্নের উষ্ণ-শীতল স্বাগতম সবাইকে । আশা করি সবাই করোনাময় দিনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন ।

আমাদের স্টেটে তিন দিনের লকডাউন চলছে । ওষুধ, ব্যাংক আর মুদি দোকান ছাড়া বাকি সব বন্ধ । সকালে ব্যাংকে গিয়েছিলাম । মিটিং ছিলো ব্যাঙ্ক ম্যানেজার আর অফিসারদের সাথে । সেই দশটায় গিয়ে একটু আগে ফিরে স্নান করেই বসে গেলাম পোস্ট করতে । করোনাময় দিন যাপনে ক্রমে আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি । এখনো পর্যন্ত আমি আনটাচড আছি, বাট কতদিন পর্যন্ত থাকতে যে পারবো সেটাই বুঝতে পারছি না ।

করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট "ওমিক্রণ" যথেষ্ঠ ছোঁয়াচে । তবে এর ডেস্ট্রাক্টিভ পাওয়ার কিছুটা কম "ডেল্টা"-র থেকে । আমাদের স্টেটে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট "ওমিক্রণ" । বাড়িতেই আমরা rapid test kit দিয়ে কাল পরীক্ষা করে নিয়েছি । করোনা নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে । টেস্ট করলাম কারণ এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট উপসর্গহীন ।

যাই হোক, আমার মিউজিয়াম পরিদর্শনের আজকে ১২ তম পর্ব । আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো "উপমহাদেশের কৃষি, কৃষিজাত দ্রব্য, কুটির শিল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা ও শিল্প" সংক্রান্ত অসাধারণ সব মিনিয়েচার মডেল । মডেলগুলি সবই কিন্তু কাঠের তৈরী ।

তো চলুন দেখে নেওয়া যাক আজকের আয়োজন ।


সেগুন কাঠের তৈরী খড়ম । এটা জুতার বিকল্প । প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হতো । কি করে যে পায়ে দিতো সেটাই আশ্চর্যের ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


কাঠের তৈরী মিনিয়েচার মডেল । শস্য মাড়াইয়ের কাজ শেষ । এখন গরুর গাড়িতে করে বাড়ি নিয়ে গোলায় ভরা হবে । সেই জন্য বলদ দুটোকে প্রস্তুত করা হচ্ছে গাড়িতে জোতার জন্য ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


চাষের জন্য শস্যক্ষেত্র কর্ষণ করা হচ্ছে বলদ দিয়ে । আগেকার সময়ে এমনি ভাবেই ষাঁড় দিয়ে লাঙল টেনে জমি চাষ করা হতো । এখন তার জায়গা দখল করে নিচ্ছে যন্ত্রচালিত পাওয়ার টিলার ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


বস্তা ভর্তি শস্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মোষের গাড়িতে করে । মোষ বা মহিষ অনেকটা গরুর মতো দেখতে এক ধরণের প্রাণী । তবে আকারে গরুর চাইতে অনেক বড় হয় ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


পাহাড়ি নদী । আগেকার সময়ে এই সব নদীর জল কৃষি ক্ষেত্রে সেচের জন্য ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হতো । এখন তার জায়গা দখল করে নিচ্ছে বিদ্যুৎচালিত জলের পাম্প । নদীতে একটি মাড ক্র্যাব কে দেখা যাচ্ছে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


এটি একটি গম পেষাই গ্রামীণ কারখানা । দেখা যাচ্ছে গ্রামের বধূরা যাঁতা কলে গম পেষাই করছে সারিবদ্ধভাবে একটি চলা ঘরের নিচে বসে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


এটি একটি ঢেঁকি । এক জন মহিলা ঢেঁকিতে পাড় দিচ্ছে, মানে ধান ভানছে । ঢেঁকি এখন বিলুপ্তপ্রায় । অথচ আগে ঢেঁকি ছাড়া ধান থেকে চাল তৈরী করার আর কোনো ওয়ে ছিলো না । আর বেশ কিছু মিনিয়েচার মডেল দেখা যাচ্ছে - এক জন ধান সিদ্ধ করছে হাঁড়িতে, এক জন সদ্য ঢেঁকি ভানা ধান থেকে খুঁদ-কুঁড়ো ঝাড়ছে কুলো দিয়, এক জন ফ্রেশ ধান হাঁড়ি বোঝাই করছে, আর এক জন মজুর চালের বস্তা গরুর গাড়িতে লোড করতে যাচ্ছে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ধান কাটা, কেটে শস্যক্ষেত্রে সেটা গাদা করে রাখা (যাকে বলে পালা দেওয়া) এবং ধান মাড়াইয়ের কাজ এটি নিখুঁতভাবে এই মিনিয়েচার মডেলটিতে ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


তুলো চাষ । যেটা আমাদের বয়নশিল্পে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ


Sort:  
 8 days ago 

সত্যিই অসাধারণ কিছু ঐতিহ্যবাহী ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের সাথে তুলে ধরেছেন। আসলে এরকম দৃশ্যগুলো কোন একসময় দেশে দেখা যেত। কিন্তু এখন সেই দৃশ্যগুলো দেখা যায় না। শুধুমাত্র রূপকথার পাতায় অথবা কোন জাদুঘরে দেখা যায়। সবগুলো ফটোগ্রাফিই খুব আকর্ষনীয় হয়েছে।

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



 8 days ago 

দাদা প্রথমে আমি আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। সেই সাথে আপনাদের প্রতি অনুরোধ করছি একটু সাবধানে থাকবেন। আপনারা সবাই এখন সুস্থ্য আছেন শুনে ভালো লাগলো কেননা আপনারা করোনা টেস্ট করিয়েছেন। আপনার ধারাবাহিক পর্ব গুলো আমার কাছে বরাবর খুব ভালো লাগছে। আপনার মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পারছি, শিখতে পারছি, দেখতে পারছি যে সম্পর্কে আমার কোন অভিজ্ঞতা ছিলোনা পূর্ব কোন ধারণা ছিল না সেই বিষয়গুলো নিয়ে। আজ আপনি উপমহাদেশের কৃষি কাজ কিভাবে সম্পন্ন হতো সে বিষয়গুলো নিয়ে ফটোগ্রাফি করেছেন যা আমি জানতাম না, কেননা ছোটবেলা থেকেই আমার শহরে বেড়ে ওঠা। সুন্দর জ্ঞানভিত্তিক ফটোগ্রাফি করার জন্য আপনাকে জানাই আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ দাদা।

 8 days ago 

দাদা আজকের প্রতিটি ফটোগ্রাফি বাস্তব মনে হচ্ছে। এবং এগুলো খুবই সুন্দর লাগছে। আপনার পোস্টের মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। আপনার পরিবারের সবাই ভালো আছেন এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। সব সময় সুস্থ থাকেন এই প্রার্থনা করি।

 8 days ago 

দাদা কাঠের তৈরি জিনিসগুলো দেখে অনেক ভালো লাগল।যেগুলো আমাদের আদি পুরুষের কিছু স্মৃতি বহন করে। আর আমরা সবাই করোনায় নিজেকে মানিয়ে নিতে পেরেছি।তবে বর্তমানে আমাদের এই খানে ১১ দফা জারি করা হয়েছে যেগুলো না মানলে কঠোর শান্তি প্রদান করবে।দোয়া করি যেন সৃষ্টি কর্তা আমাদের সকলকে বিপদ থেকে রক্ষা করে।

 8 days ago 

চাষের জন্য শস্যক্ষেত্র কর্ষণ করা হচ্ছে বলদ দিয়ে । আগেকার সময়ে এমনি ভাবেই ষাঁড় দিয়ে লাঙল টেনে জমি চাষ করা হতো । এখন তার জায়গা দখল করে নিচ্ছে যন্ত্রচালিত পাওয়ার টিলার ।

  • দাদা আজকে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ হয়ে গেছি। এই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে গ্রামের দৃশ্য গুলো রয়েছে। যা দেখে খুবই ভালো লাগলো। বিশেষ করে ষাঁড় সাহায্যে লাঙ্গল দিয়ে জমিতে হাল চাষ এটা দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর দৃশ্য ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
 8 days ago 

দাদ আজকে তো আপনি মিউজিয়াম এর অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন।

2bP4pJr4wVimqCWjYimXJe2cnCgn9QHGhhWsfEmK63G.jpeg

এই ছবিটি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রতিনিয়ত অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতেছি মিউজিয়ামের। ধন্যবাদ আপনাকে দাদা আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময় এই কামনাই করি

 8 days ago 

দাদা প্রথমেই বলব আপনি এবং আপনার পরিবার নিয়ে সাবধানে থাকবেন। পুনরায় করোনা মহামারী যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রত্যেকের দিনকাল খুবই ভয় ভয় কাটছে। তবে এটা শুনে ভালো লাগলো দাদা আপনারা সুস্থ আছেন।
দাদা আজকের মিউজিয়ামের ছবিগুলো তো আরো বেশি অসাধারণ ছিল। প্রতিটা জিনিস একটা সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে দেখে মনে হচ্ছে বাস্তব। আমার কাছে এই ধরনের দৃশ্য খুবই ভালো লাগে। তবে দাদা আজকের পোস্টে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

 8 days ago 

খড়ম গুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে বেশ শক্ত । এইটা চিন্তা করলে মাঝে মাঝে আমিও বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ি , কেমনে মানুষ খড়ম পরিধান করতো ? যাইহোক ভাই বাকি ছবি গুলোও অনেক সুন্দর হইছে । নিজের প্রতি খেয়াল রাখিয়েন । শুভেচ্ছা রইল।

 8 days ago 

একেকটা ছবি একেক রকম ভালো লাগা।এক কথায় অসাধারণ। মানুষ যখন খরম পরে হেটেছে,,কেমনে হাটছে।তুলা চাষ, ধান কাটা, ঢেকি, গম পেষাই গ্রামীণ কারখানা,সব গুলা ছবিই সুন্দর দাদা।আপনাকে ধন্যবাদ।

 8 days ago 

কি করে যে পায়ে দিতো সেটাই আশ্চর্যের ।

এটা আসলেই আশ্চর্যের লাগে আমার কাছে দাদা।একবার একটা জুতা ছিড়ে যাওয়াতে আমি এমন করে খড়ম এর মতো করে বানিয়েছিলাম জাস্ট পরীক্ষা করতে।তবে তা দিয়ে চলা অসম্ভব কঠিন কাজ!!!!!!
আংগুল ব্যথা করে একটু হাঁটলেই।

তুলো চাষ এই প্রথম দেখলাম দাদা।

 8 days ago (edited)

আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।আপনার মিউজিয়াম ভ্রমনের ১২তম পর্বটি, খুব সুন্দর ও সাবলীলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।মিউজিয়ামে সেগুন কাঠের তৈরী খড়ম,কাঠের তৈরী মিনিয়েচার মডেল,শস্য মাড়াইয়ের কাজে গরুর ব্যবহার, পরিবহনে গরুর ব্যবহারসহ প্রাচীন বাংলার চিরচেনা কিছু দৃশ্যে সত্যই বিমোহিত। এরুপ সুন্দর একটি ভ্রমন আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার ভালো থাকার শুভ প্রত্যয়ে,শুভকামনা রইলো শ্রদ্ধেয়,দাদা।

 4 days ago 
প্রতিটি মডেলের সাথে ব্যাক ড্রপ ইমেজ গুলো দারুন । এই ব্যাকড্রপ ইমেজ গুলো সামনের মডেল গুলোকে আরো বাস্তবিক করে ফুটিয়ে তুলেছে। মিনিয়েচার সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারনা পেলাম দাদা।তাছাড়া আমার কাছে ঢেঁকির মডেল টি দারুন লেগেছে। কিছু মানুষ ধান চালছে আর কেউ বা ঢেঁকিতে পাড় দিচ্ছে। এই মডেল গুলোর পিছনে দারুন একটি ব্যাকড্রপ ইমেজ পুরো মডেল টিকে একটি গ্রাম বাংলার রুপ দিয়েছে। ধন্যবাদ।
 8 days ago 

আজকে পর্বে আমরা অনেক সুন্দর গ্রামীণ পরিবেশ দেখতে পেলাম।আমরা প্রতিটি পর্বেই কোন কোন কিছু দেখেছি যা আমাদের জন্য জ্ঞানের সমাহার হয়েছে।এই পর্বেও তার বিকল্প নয়।এই পর্বে আমরা সেকালের গ্রামীণ পরিবেশ দেখতে পেলাম।ধন্যবাদ দাদা এইরকম প্রাচীন ঐতিহ্য আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

 8 days ago 

দাদা শুরুতেই জেনে ভালো লাগলো যে আপনারা এখনো করোনার নতুন ভারিয়ান্ট এর ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন জানতে পেরে। প্রার্থনা করি আপনি এবং আপনার পরিবার সুস্থ্য থাকুন ভালো থাকুন সবসময়। আজকের পর্বের প্রথম ছবিটার মতো দেখতে একটি খরম এক সময় আমার দাদা বাড়িতেও ছিল কিন্তু কোথা দিয়ে কখন তা হারিয়ে গেছে তার খোঁজ রাখা হয়নি। হয়তো ওইটিও একটা অ্যান্টিক খরম ছিল।

 8 days ago 

অনেক সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো শেয়ার করেছেন। আপনার মত আমিও চিন্তা করি এই খড়মগুলো প্রাচীনকালে মানুষ কিভাবে পায়ে পরতো। নিচের দিকে মিনিয়েচার মডেলের ছবি,শস্য মাড়াইয়ের কাজে ব্যবহার হয় সেগুলো খুব বেশি আকর্ষণীয় খুবই সুন্দর দেখাচ্ছে । সত্যি বলতে আজকের এই ছবিগুলো আমার খুব খুব ভালো লেগেছে দাদা।অসাধারণ সব নমুনা নিয়ে আসলেন।

 8 days ago 

খুব সুন্দর করে মেনিয়েচার মডেলের মাধ্যমে গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন মনে হয়েছে আমার কাছে। খড়ম দেখলে আমারও মনে হতো এই জিনিস কিভাবে মানুষ পায়ে দিয়ে হাঁটাচলা করতো?

 8 days ago 

করোনা করোনা করে জীবন শেষ হয়ে গেল দাদা। অবশ্য এখন অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আগের সেই ভয় টাও এখন কাজ করে না তবু যতটা পারি সাবধানে চলাফেরা করি।
আর আজকের এই পোস্ট টা বেশি ভালো লাগছিল কারণ আমার বাবাও এই রকমের কাজ করেছেন অনেক মিউজিয়ামে। সব থেকে বেশি আশ্চর্যের ছিল কাঠের খড়ম গুলো। ভাবলেই অবাক হয়ে যাই কিভাবে মানুষ পায়ে পড়ে হাটত ! ভালো লাগলো দাদা সব টা। সাবধানে থাকবেন।

 8 days ago 

আমার একটি প্রশ্ন আছে যে সমস্ত মডেলগুলি ভারতের জাদুঘর প্রদর্শন করে তার বয়স কত, কারণ প্রথম নজরে মনে হয় যে এটি আধুনিক যুগে, 1500 থেকে বর্তমান দিনের মধ্যে তৈরি করা হয়েছিল৷

Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.

Please consider to approve our witness 👇

Come and visit Italy Community

 8 days ago 

৮০ দশকে ব্যবহৃত কৃষি যন্ত্রপাতির অসাধারণ কিছু আলোকচিত্র আপনি সুন্দর বর্ণনা সহিত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। যেগুলো দেখতে খুবই সুন্দর দেখাচ্ছে এবং গ্রাম্য কৃষি যন্ত্রপাতির দৃশ্যগুলো দেখে গ্রামীন পরিবেশের কাল্পনিক চিত্র চোখের সামনে ভেসে উঠছে। তা ছাড়া অধিকাংশ কৃষি যন্ত্রপাতি এখনো আমাদের গ্রামে বিদ্যমান বিশেষ করে গরুর গাড়ি, গরু দিয়ে হাল চাষ করা, এবং গরু দিয়ে ঘান ভাঙানোর দৃশ্য এখনো দেখা মেলে।
মিউজিয়াম টি আসলেই অনেক সুন্দর।
আগামী পর্ব দেখার আগ্রহ বেড়েই চলছে।

 8 days ago (edited)

দাদা প্রথমেই আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করি। আপনারা বাড়িতে করোনা টেস্ট করিয়েছেন এবং তার রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে জেনে খুবই খুশি হলাম। "ওমিক্রণ" এর হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের সবাইকে আরো সতর্ক থাকতে হবে।দাদা আজকের পর্বের মিনিয়েচার এর মডেল গুলো খুবই সুন্দর ও মন মুগ্ধকর এবং এই মডেলগুলোতে গ্রামের কৃষি জীবনের প্রকৃত দৃশ্য গুলো খুব সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে। অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা আপনাকে আপনার জন্য আমরা অনেক কিছু উপভোগ করতে পারছি এবং অনেক অজানাকে জানতে পারছি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

 8 days ago 

চলে এলাম আপনার ১২তম পর্বের ফটোগ্রাফি গুলো দেখার জন্য।গ্ৰামের পরিবেশের চিত্র গুলো ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল দাদা 💚

 8 days ago 

দাদা আজকে আপনার "উপমহাদেশের কৃষি, কৃষিজাত দ্রব্য, কুটির শিল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা ও শিল্প" সংক্রান্ত চমৎকার সব মিনিয়েচার কাঠের তৈরি মডেলগুলির ফটোগ্রাফি ইউনিক হয়েছে ।খরম ,গরুর গাড়ি ,তুলা চাষের ফটোগুলো বেশি ভালো লেগেছে ।প্রতিটি পর্বেই চমক লাগা দুষ্কর দামী ফটোগ্রাফি উপহার দিয়েছেন ।আরও দেখার আশায় রইলাম ।ধন্যবাদ ও দোয়া রইলো দাদা ।

 8 days ago 

করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট "ওমিক্রণ" যথেষ্ঠ ছোঁয়াচে । তবে এর ডেস্ট্রাক্টিভ পাওয়ার কিছুটা কম "ডেল্টা"-র থেকে । আমাদের স্টেটে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট "ওমিক্রণ" ।

করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রণ আবারো মহামারীতে রূপ নিচ্ছে। পুরো বিশ্ব যখন একটু সস্থির মুখ দেখতে শুরু করেছে ঠিক তখনই আবারো ওমিক্রণ দেখা দিল। আমাদেরকে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে এবং সচেতনতার সাথে চলাফেরা করতে হবে। দাদা আপনাদের ওখানে যেহেতু এই ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটা বেড়েছে তাই অবশ্যই সতর্কতার সাথে থাকবেন। তবে যাই হোক আজ আপনি যে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করেছেন সেগুলো প্রত্যেকটি অসাধারণ। ঢেঁকিতে ধান ভানা, তুলো চাষ প্রতিটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে দাদা। দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আজকে। সত্যি দাদা আপনার মিউজিয়াম ভ্রমণের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে দেখে সেখানে যাওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। হয়তো সেখানে যাওয়ার সৌভাগ্য কোনদিন হবে না। তবে যাই হোক আপনার এই পর্ব আকারের ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। দাদা আপনি সাবধানে থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন এই কামনা করছি।

 8 days ago 

আজকের ছবিগুলো অনেক সুন্দর ছিলো। প্রতিটি ছবিতে যেনো প্রকৃতির ছোঁয়া লেগে আছে। এই দৃশ্যগুলো এখন বিলুপ্ত প্রায়। আমার কাছে সব মিলিয়ে খুবই ভালো লেগেছে। আপনার পরবর্তী এপিসোড এর অপেক্ষায় রইলাম। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো দাদা।
💕💕💕

 7 days ago 

ভ্রমণ -পর্ব ১২ এর তুলো চাষ । যেটা আমাদের বয়নশিল্পে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই ফটোগ্রাফি টি অসাধারণ হয়েছে।তাছাড়াও ধান কাটা, কেটে শস্যক্ষেত্রে সেটা গাদা করে রাখা (যাকে বলে পালা দেওয়া) এবং ধান মাড়াইয়ের কাজ এটি নিখুঁতভাবে এই মিনিয়েচার মডেলটিতে ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে সত্যি দাদা প্রতিটি ফটোগ্রাফি যেন জীবন্ত ফটোগ্রাফি ফটোগ্রাফি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি♥♥

 7 days ago 

2FFvzA2zeqoVJ2SVhDmmumdPfnVEcahMce9nMwwksSDdRvRmybykqUvU4Qriq94s5bwFrDmYZdJgD7bRoaeK4aoq8pZoLdUPeYZ5Pb1dEejRZxkf2Knu1XeHbi1jU.png

আজকে দেখলাম ভারতে ওমিক্রন অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়িয়ে গিয়েছে।সেগুন কাঠের তৈরি খড়ম অসাধারণ ছিল। বিশেষ করে গরু গুলো মনে হচ্ছে বাস্তবে রাখা আছে। এত সুন্দর হাতের কাজ আসলেই দেখে তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। সর্বোপরি চাষের জন্য শস্যক্ষেত্রে কর্ষণ করা হচ্ছে বলদ দিয়ে। কি অসাধারণ মুহূর্ত সত্যিই এগুলো দেখার মত ছিল।

 7 days ago 

কি দারুন দৃশ্য গুলা দেখলেই ভেতরটা একটু নাড়া দিয়ে ওঠে, কারণ আমাদের শৈশব টাই এমনি ছিল। আপনার ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে আমার শৈশব আমার অতীত সম্পূর্ণ বেশে উঠেছে, কারণ আমিও একটা অজ গায়ের ছেলে। আর গ্রামে এই কাজগুলো প্রতিনিয়ত হয়। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো এত সুন্দর হয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। এবং কে প্রাণিজগতের এবং কি আমাদের সামাজিক পরিবেশে যে চিত্রগুলো আপনি ফটোগ্রাফি করেছেন সত্যি দারুন ছিল। আর আপনি অনেক সুন্দর করে ব্যাখ্যা করেছেন। খড়ম আগেকার দিনে ব্যবহার করত হ্যাঁ এখন কিছু কিছু জায়গায় ব্যবহৃত হয়, যেমন ইটের বাটায় যখন আগুন দেয় তখন এর যুতো ব্যবহার করা হয়। আর আপনি অনেক সুন্দর করে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো সাজিয়েছেন এবং প্রতিটা ফটোগ্রাফি ছিল চোখজুড়ানো এবং সত্তিকারের প্রতীক। আমাদের সাথে এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং গভীর ভালোবাসা।

 7 days ago 

আমাদের স্টেটে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট "ওমিক্রণ" । বাড়িতেই আমরা rapid test kit দিয়ে কাল পরীক্ষা করে নিয়েছি । করোনা নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে । টেস্ট করলাম কারণ এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট উপসর্গহীন ।

মহামারীর কারণে সকলে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। আমি আপনার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া বা আশীর্বাদ করছি তারা যেনো সুস্থ থাকে। দাদা আপনার ফটোগ্রাফস গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। ধান কাটা,কেটে শস্যগুলো গাদা করে রাখা অনেক সুন্দর একটি ফটোগ্রাফ।এছাড়াও সবগুলো ফটোগ্রাফস অনেক সুন্দর হয়েছে। মিউজিয়ামের ভেতরের দৃশ্যগুলো আমার খুবই ভালো লেগেছে। মিউজিয়ামের ভিতরের এই সুন্দর আকর্ষণীয় দৃশ্যগুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য এবং আমাদেরকে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।

 7 days ago 

🌹🌹🌹প্রথমেই আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য দোয়া করছি দাদা যেন সকলেই এই লকডাউন এর পরিস্থিতিতেও সুস্থ থাকেন🤲🤲। আপনার প্রতিটা পোস্টে এমন হয় যে,যা কখনো দেখিনি বা নাম শুনেছি তাও আপনার পোষ্টের কারনে আমরা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি। আসলে আমি খরম নামের জুতোর কথা শুনেছিলাম আজ আপনার পোস্টে তা স্বচক্ষে দেখলাম।অনেক ভালো লাগছে এতসব ফটোগ্রাফি দেখে।🌹🌹🌹

 7 days ago 

দেখতে দেখতে ১২ তম পর্ব দেখছি।গ্রামের ছবি ভালই লাগল।এসব আমাদের এলাকায় এখনো কিছু দেখা যায়। দোয়া কামনায়

 7 days ago 

শ্রদ্ধেয় দাদা আশা করি ভাল আছেন? প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার মন ছুঁয়ে গেছে এখন ভাবছি কোনটার প্রশংসা করবো যাই হোক প্রতিটি আলোকচিত্র অত্যান্ত মনোমুগ্ধকর হয়েছে। এক কথা বলতে গেলে অসাধারণ। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে এসব ফটোগ্রাফি দেখার সুযোগ হচ্ছে ।তাই আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভালো থাকবেন দাদা।

 5 days ago 

আজকের ১২ তম পর্বের ফটোগ্রাফি অসাধারণ এক কথায় বলতে গেলে। কাঠের কারুকার্যের অনেক জিনিস দেখতে পেলাম। খড়ম কিভাবে পড়তো আগেকার মানুষ এটা শুনতেই আশ্চর্য লাগে আমারও দাদা। গ্রামীণ কিছু ফটোগ্রাফি তুলে ধরা হয়েছে কাঠের তৈরি কারুকার্যে মাধ্যমে। এই যে ঢেঁকি দিয়ে ধান ভাঙ্গিয়ে চাল করা হতো এটা সেই ছোট বেলায় আমাদের বাড়িতেও দেখতাম। খুব ভালো লাগতো তখন। আর লাঙন দিয়ে জমি চাষ এখন আর তেমন দেখিনা। উন্নত প্রযুক্তির ছোয়া পরেছে কৃষিক্ষেত্রও। আমার কাছে সবগুলো ফটোগ্রাফি ভালো লেগেছে দাদা। ধন্যবাদ আপনাকে

 4 days ago 

উপমহাদেশের কৃষি, কৃষিজাত দ্রব্য, কুটির শিল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা ও শিল্প"

অনেক নিপুণ ও নিখুঁতভাবে গ্রাম বাংলার কৃষি কাজ ও পরিবেশ প্রকৃতিকে মিনিয়েচার আকারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ধন্যবাদ আরো একবার এই সিরিজে অনেক দুর্লভ ও সুন্দর সুন্দর বিষয় গুলো শেয়ার করার জন্য।

 6 days ago 

অসাধারণ সব ভাস্কর্যগুলো।আমার কাছে ও খুব বিস্ময় লাগে খড়ম গুলি পায়ে দিয়ে মানুষ কিভাবে হাঁটাচলা করত।যাইহোক সাদা ধবধবে গরুগুলো এত ভালো লেগেছে ও আকর্ষণীয় দেখতে লাগছে।কাঁকড়াটিও খুবই সুন্দর, তাছাড়া সবকিছুই মনে হচ্ছে সত্যিকারের।আমি তো দেখতে দেখতে কল্পনার রাজ্যে চলে যাই।ধন্যবাদ দাদা।

Unfortunately I don't understand the signs, I don't even know which language it is. Can you please tell me where this museum is located? Thanks in advance.

Coin Marketplace

STEEM 0.36
TRX 0.07
JST 0.048
BTC 39933.62
ETH 2923.08
USDT 1.00
SBD 4.41