আমার অতি সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ বিষয়ক আপডেট -০৯
দার্জিলিঙে আসার পরের দিন সকালবেলা । গাড়ি রেন্ট করা হলো একটা পুরো দিনের জন্য । সকাল সকাল ব্রেকফাস্ট করে আমরা বেরিয়ে পড়লুম । কাছাকাছি যতগুলো সাইট সিয়িং আছে আমাদের টার্গেট আজ সেগুলো দেখে ফেলা । প্রথমেই ড্রাইভার আমাদের নিয়ে গেলো "পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক" ।
এটি আসলে একটা হিমালয়ের জঙ্গলের প্রাণীদের নিয়ে একটা চিড়িয়াখানা । একটা প্রকান্ড টিলা । সেই টিলার এক পাশে রাস্তার সাইডে সারি সারি বন্যপ্রাণীদের থাকার স্থান । অন্য সাইডে খাড়া পাহাড় । রাস্তাটা টিলাটিকে বেড় দিয়ে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে ক্রমশঃ উপরের দিকে উঠে গেছে ।
এই চিড়িয়াখানায় রয়েছে দার্জিলিঙের সিঞ্চল অভয়ারণ্যে পাওয়া বিভিন্ন বন্যপ্রাণী - রয়েল বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড, ব্ল্যাক প্যান্থার, হিমালয়ান তুষার চিতা, ভাল্লুক, বিভিন্ন জাতের পাহাড়ি ছাগল ও ভেড়া, মাস্ক ডিয়ার, গয়াল, হরেক প্রজাতির ফিজান্ট, ময়ূর এবং বন মোরগ, পাহাড়ি নেকড়ে, লাল হনুমান, কচ্ছপ, রেড পান্ডা প্রভৃতি ।
পাহাড়ের একদম টপে রয়েছে একটা বন্যপ্রাণী মিউজিয়াম এবং "হিমালয়ান মাউন্টেয়ারিং ইনস্টিটিউট" । পুরো বন্যপ্রাণ পার্ক এবং মিউজিয়ামটি ঘুরে দেখতে প্রায় দুই ঘন্টা পার হয়ে গেলো ।
আজকে শুধুমাত্র চিড়িয়াখানার ফোটোগ্রাফগুলো শেয়ার করছি । আগামীকাল হিমালয়ান বন্যপ্রাণ মিউজিয়ামের ছবি শেয়ার করবো ।
পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক -এর প্রধান গেটের সামনে আমরা ।
তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২২
সময় : সকাল ০৯ টা ৪০ মিনিট
স্থান : দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
চিড়িয়াখানায় ঢোকার পরে টিনটিনবাবুর একটা ফটো নিলাম । এরপরে ঘুরে ঘুরে দেখা শুরু । প্রথমেই হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, পাহাড়ি দশ রকমের ভেড়া দেখে ফেললাম । উপরের ছবিতে হিমালয়ের কালো ভাল্লুক এবং পাহাড়ি হরিণ গয়াল -এর ফটোগ্রাফ দেয়া হয়েছে ।
তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২২
সময় : সকাল ০৯ টা ৫০ মিনিট
স্থান : দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
এরপরে আমরা আরো হরেক রকমের পাহাড়ি হরিণ ও ভেড়া দেখলাম । একটা পাহাড়ি ছাগল দেখেছিলাম যেটি আকারে একটা ঘোড়ার চাইতেও বিশাল । চিড়িয়াখানার রাস্তাটি কেমন তার দুটি ছবি দিয়েছি । আর বাকি ফোটোগুলো হলো ইন্ডিয়ান মাস্ক ডিয়ারের ।
তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২২
সময় : সকাল ১০ টা ২০ মিনিট
স্থান : দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
ছবিগুলো কোন প্রাণীর তা কি আর বলে দেওয়া লাগবে ?
তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২২
সময় : সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট
স্থান : দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
উপরের দুটি ছবির মধ্যে একটি হলো কালো চিতার, আরেকটি চিতাবাঘের । চোখে মেলানোই একটা চ্যালেঞ্জ । দেখুন তো পান কি না খুঁজে বের করতে । নিচের ফটোটা হলো চিড়িয়াখানার একদম মাথাতে একটা সুন্দর বসার জায়গা আছে তার ফটো ।
তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০২২
সময় : সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট
স্থান : দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
পরিশিষ্ট
প্রতিদিন ৫০০ ট্রন করে জমানো এক সপ্তাহ ধরে - ২য় দিন (500 TRX daily for 7 consecutive days :: DAY 02)
সময়সীমা : ২২ নভেম্বর ২০২২ থেকে ২৮ নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত
তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২২
টাস্ক ১২১ : ৫০০ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫০০ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : 700b2ad308b0bb4b75f39a52f6421400932de143e2ff0525484e63d922ccb61a
টাস্ক ১২১ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR





















চিড়িয়াখানাটা ভীষণ সুন্দর, বিশেষ পাহাড়ের মধ্যে ধাপে ধাপে সুন্দর করে প্রানীগুলো সাজানো গোছানো ভাবে রেখেছে। খুব ইচ্ছে রয়েছে একবার দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়ার। ছবিগুলো কিন্তু ভীষণ সুন্দর ছিল দাদা।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Congratulations!
Your post has been rewarded by the Seven Team.
Support partner witnesses
We are the hope!
পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক- বাপরে কি কঠিন একটা নাম! যাক দাদা, নামটা যাই হোক, আপনারা দুই ঘন্টা ধরে পার্কের মধ্যে ঘুরে পার্কে থাকা বন্যপ্রাণী গুলোর যে ফটোগ্রাফি করেছেন । সেটা দেখে পার্কের নাম উচ্চারণ করার যে কষ্ট সেটা ভুলে গেলাম। বন্যপ্রাণী গুলোর খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন দাদা।
সত্যি দাদা ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে আপনার নিচে দুইটা ফটোগ্রাফি দেখে আসলেই একটু দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে গিয়েছিলাম। প্রথমে অনেকক্ষণ চোখ খুলে তাকিয়ে ছিলাম কিছুই দেখতে পারছিলাম না কিন্তু নিচে আপনার লেখাগুলো পড়ে আরো ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম যে না আসলে একটা চিতা আর একটু কালো চিতা ছবিতে দেখা যাচ্ছে।
দার্জিলিং নামটা শুনলেই ভাল লাগে সেখানে জানিনা কখুনো যাওয়ার সুযোগ হবে কিনা তবে দাদা আপনার দেওয়া পোস্টের আপডেট এর মাধ্যমে আমরা সেখানে না গিয়েও জানতে পারছি দেখতে পারছি।ধন্যবাদ দাদা❤️
আজকের পর বেশি অসাধারণ কিছু আলোকচিত্র তুলে ধরেছেন ভ্রমণকাহিনীর খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি বিশেষ করে নতুন নতুন কিছু প্রাণীর ছবি দেখতে পেলাম।।
একদম শেষে যেয়ে ফটোগুলো শেয়ার করেছেন কালো চিতা এবং চিতাবাঘ আসলে চোখে মেলা দুষকর একটু ভাল করে তাকালেই দেখতে পাওয়া যাবে।
চিড়িয়াখানায় দারুন সময় কাটিয়েছেন দাদা। টিনটিন বাবু নিশ্চয়ই অনেক খুশি হয়েছে। এই প্রাণীগুলোকে একসাথে দেখে টিনটিন বাবুর মনে হয় অনেক ভালো লেগেছে। দাদা আপনার ভ্রমণের গল্প পড়ে ভালো লাগলো। সেই সাথে ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। হয়তো সেখানে যাওয়ার সুযোগ হবে না তবে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক খুশি হলাম দাদা।
জি দাদা পেয়েছি! কালো চিতার আর চিতাবাঘ রয়েছে। এদেরকে এক খাচায় রাখলে মারামারি লেগে যাবে নাকি দাদা। রয়েল বেঙ্গল টাইগার আপনাদের একদম সামনে চলে আসছিল। টিনটিন বাবু ভয় পায়নি নাকি দেখে 😁।
দাদা চিড়িয়াখানায় গেলেন, খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। টিনটিন বাবু নিশ্চয়ই অনেক মজা পেয়েছে।একসাথে এত এত পশুকে দেখে।আপনি সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। দেখে খুব ভাল লাগলো। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অনেক কিছুই দেখতে আর জানতে পেলাম।অনেক ধন্যবাদ দাদা।